সজল জাহিদ

সজল জাহিদ

সুখের বিনিময়ে বিলাসিতা? সে আমি চাইনা...

৫০ বছরের ব্যাকপ্যাক আর ৬৫ বছরের ট্রেকারের গল্প! 

যে ব্যাকপ্যাকের বয়স অন্তত ৫০ বছর! এক জার্মান ট্রেকার ১৯৬৯ সালে এই ব্যাকপ্যাকটি ট্রেক শেষে উপহার দিয়ে যায় আমার নেপালি বন্ধুকে

তাজমহলে মমতাজের দেখা!!! 

মন ভরে উপভোগ তো করা যাবে, পাশে তো বসা যাবে, ছুঁয়ে তো দেখা যাবে, কিছু সময় তো কাটান যাবে, তোর পাশে, তোর সাথে, তোর ছায়ায়, শ্বেত পাথরের ভালোবাসার পরশে, মুগ্ধতায়, মোহাচ্ছন্নতায়, বাঁধা তো যাবে তোকে সীমাহীন মায়ায়!

অবাক কাস্টমস আর ইমিগ্রেশন...

অল্পস্বল্প টেনশন কাজ করছিল, যেহেতু প্রথমবার পরিবার নিয়ে দেশের বাইরে যাচ্ছি। একা বা বন্ধুদের সাথে তো বহুবার দেশের বাইরে গিয়েছি। তবুও কাস্টমস আর ইমিগ্রেশনের বিভীষিকা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলাম।

কালাপোখারি: স্বপ্নের সান্দাকুফু

সময়টা এতো দারুণ কাটে যে বলে বা লিখে বোঝানো মুশকিল। দুপুরে এখানে পৌঁছে লাঞ্চ করে বাকি সময়টা হেটে, হেটে বা বসে বসে কাটিয়ে দেয়া

একগ্লাস রাবড়ি ও দুরন্ত এক্সপ্রেসের দুইদিন...!

কি খাবো, রাবড়ি না মিষ্টি? মিষ্টি নাকি রাবড়ি? মত-দ্বিমত করতে না করতে মতামত এলো মিষ্টিতো কমন একটা খাবার, রাবড়িটাই বরং আনকমন

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের বিলাসী বিকেল

বেরিয়ে পরতে পারেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের উদ্দেশ্যে কাটাতে একটি বিলাসী বিকেল, কিছুটা অলস সময় আর পেটে পারেন ভ্রমণের এক অন্য রকম অনুভূতি।

একটি জেগে দেখা ভ্রমন স্বপ্ন...!!

পুরো একটি বই-ই হবে শুধু লেহ-লাদাখের ভ্রমন, অভিজ্ঞতা, ভালোলাগা, সুখ-দুঃখের, হাসি আর আনন্দের সৃতি নিয়ে, নিজের একান্ত আর আত্ন অনুভূতি নিয়ে।

৫,০০০ টাকায় স্বপ্ন পূরণ! (স্বপ্নের সান্দাকুফু)

এত-এত পথ, এত-এত দিন (৭দিন), এত-এত অর্জন, এত-এত পূর্ণতা, এত-এত আনন্দের গল্প যে পেয়ে যাবো মাত্র ৫০০০ টাকা খরচ করেই, স্বপ্নেও দেখিনি সেটা!

কাশ্মীর ও কেট উইন্সলেট......!!

একটা সম্মোহন কাজ করে কেট উইন্সলেটের প্রতি! সবকিছু মিলেই দারুণ লাগে তাকে। ঠিক যেমনি লাগে সব সময় নানা রকমের, ধরনের আর সময়ের রঙ-বেরঙের কাশ্মীরকে দেখে।

প্রেয়সী দার্জিলিং..

হয়তো আসছে হেমন্তের কোন এক শেষ বিকেলে তোমার ঘুম ভাঙ্গাতে, আমার আলতো স্পর্শে, বা শীতের শুরুতে মিহি রোদের মিষ্টি ছোঁয়া দিয়ে তোমার অভিমান ভেঙে তোমাকে হাসাতে। তুমি দেখেনিও।

জাদিপাই ঝর্ণায় আমার অনুভূতি

এ যেন, অভিসারিণীর সুখের অশ্রুতে...... আমার অবগাহন, ফিরে এসেছিলাম, সুখের আবেশে আবিলুপ্ত হবার ভয়ে! আবার ফিরে, ফিরে ওই রূপ সুধায় নিজেকে নিমজ্জিত করার নেশায়, নেশাতুর হয়ে...

বগালেকে মৌচাক!!!

আর এই পাহাড়ের মত নির্জন-দুর্গম-দুর্লভ জায়গায়, এতো মৌচাক! এতো বগালেকে মৌচাক!

পাঞ্জাবের কমলা, আমাদের বিভীষিকা!!

এত স্বাদ! নিমিষেই সকল ক্লান্তি উধাও। একে-একে দুই, তিন, চার গ্লাস। কেউ কেউ এর চেয়েও বেশী উপভোগ করলো সেই তাজা, ফরমালিনবিহীন কমলার অমৃত স্বাদ।

প্রথম প্রেমের পার্বতীপুর...

বারবার চুম্বকের মত আকর্ষণ করতো, রেলওয়ে স্টেশন, ট্রেনের হুইসেল, ইঞ্জিনের হাতল, জিন্নাহ মাঠ, রেল কলোনির এপাড়া-ওপাড়া, বাগান ঘেরা ইটের বাড়ি, চিলাই নদীর অবাক বাঁক, হলদি বাড়ির আবেগি ডাক আরও যে কত কিছু.

আলোচিত পোস্ট


অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮