সজল জাহিদ

সজল জাহিদ

সুখের বিনিময়ে বিলাসিতা? সে আমি চাইনা...

বন্দরের নান্দনিকতা!

আমাদের বন্দরের রাস্তা-ঘাট, ড্রেন, বাথরুম, অপেক্ষাগার (ওয়েটিং রুম), করিডোর, ইমিগ্রেশনে যারা কাজ করেন, তারা সবাই আর চারপাশের সবকিছু এতো নান্দনিক কেন?

কালকা মেইলে কেন ভ্রমণ করবেন?

আগামীতে যারা ভারত ভ্রমণে এই ট্রেনে চড়বেন কি চড়বেন না? চড়লে কি পাবেন বা পাবেন না, কালকা মেইলের এই গল্পটা তাদের জন্য।

জীবনের সেরা চার ঘণ্টা...! (স্বপ্নের সান্দাকুফু-১১)

যেখানে বরফের চুড়াগুলোয় চাঁদের রূপালী আলো পরে চিকচিক করে হাসবে, পাহাড়-আকাশ আর পুরো পৃথিবী। দেখেছিলাম এক অপার্থিব জ্যোৎস্না রাত, তারা ভরা স্বচ্ছ আকাশ আর চাঁদ-তারার আলোতে আলোকিত বরফের বেশ কয়েকটি ঝকঝকে চুড়া!

শীত ও সুখ স্মৃতি

শীতের একটা গন্ধ নাকে এসে লাগতেই স্মৃতি কাতর হয়ে পরছি যেন! কেন যেন আমার টানহীন গ্রামটার কথা মনে পরছে আজকাল। ঠিক শীতের কুয়াশা ভেদ করে, এক চিলতে নরম রোদের পরশের মত, সকালের শিশিরে ভিজে, জানালার গ্রিলে আর কার্নিশে জমে থাকা ধুলোর আস্তরণ মুছে যাওয়ার মত করে কিছুটা।

পাহাড়ের স্বর্গ উদ্যানে...... (রিশপ)

আর সেই আত্ন-বিশ্বাসের জোরেই ঘন কুয়াশা, কালো মেঘ, ঝুমঝুম বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া আর পাহাড় ধসের মত ঝুঁকিপূর্ণ সময়েই গিয়েছিলাম অনেক দিনের লালিত স্বপ্ন পূরণের জন্য রিশপ-লাভার এর স্বপ্নিল পাহাড়ি স্বর্গ উদ্যানে।

পাইছি টুরিস্ট, কামাইয়া লই! (পর্ব-৩)

যত রকমের মন খারাপ হতে পারে, সব রকমের, সবটুকু মন খারাপ নিয়েই দিয়েই শুরু করছি! আরও যা বলতে ইচ্ছা হচ্ছে বলতে পারছিনা, এই জন্য যে সেগুলো পাবলিক পোস্টে বলা সম্ভবনা আদৌ! মনে মনে বলছি আর লিখছি, তাতে যদি মনের ক্ষোভ আর আক্ষেপ কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়! যদিও হচ্ছেনা তবুও দিচ্ছি।

রাফটিং রোমাঞ্চ তিস্তায়....

দার্জিলিং ভ্রমণে রাফটিং নিয়েও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, কেউ করবে, কেউ করবেনা, কেউ আবার টাকা খরচের চিন্তায় কাতর! কিন্তু তিস্তার উম্মত্ততা দেখে আমি বাঁধনহাঁরা, আমি তো এই অভিজ্ঞতা মিছ করতে চাইই না, কে করলো আর না করলো! প্রয়োজনে অন্যদের সাথে উঠবো, তবুও উঠবো।

তাজের প্রেমে...

তাজমহল। একটি প্রেমের নাম। একটি প্রেমের গল্পের নাম। প্রেম আর ভালোবাসায় ভোর করেই তাজমহলের গড়ে ওঠা। পুরনো ইতিহাস বাদ দেই, সেটা সবই কম বেশী জানে।

সহজে কাশ্মীর ভ্রমণ (খরচ এবং অন্যান্য)

কাশ্মীর আসলেই পৃথিবীর স্বর্গ। কাশ্মীর নিয়ে নানা রকম গল্প রয়েছে। আজকে আমরা শুধু কত সহজে, কোন কোন উপায়ে কাশ্মীর যাওয়া যায়, সেই গল্প বলব।

উত্তাল সমুদ্রে সেন্টমারটিন......

সমুদ্র শুধু গর্জন করছে, এক, একটা ঢেউ ৬-৮ ফিট উঁচু হয়ে সামনে এসে আছড়ে পড়ছে! বাঁধা স্পীডবোট গুলো কাগজের নৌকার মত লুটোপুটি খাচ্ছে সমুদ্রর ঢেউ আর পাড়ের মাঝখানে!

চোখ মেলেই কাঞ্চনজঙ্ঘা......!

সূর্য আর একটু আলো ছড়ালে দূরের সেই নানান রঙের মেলা, শ্বেতশুভ্র বরফে আচ্ছাদিত কাঞ্চনজঙ্ঘার লাজুক ঘোমটা সরাতে লাগলো, একটু-একটু করে, ভেঙে লজ্জা-শরম ও গাল ভরা অভিমান!

ঢাকার মগারা...!(তাজমহল ভ্রমণ)

নিজেরাই নিজেদের এই নির্বুদ্ধিতা-অস্বাভাবিকতা-নার্ভাসনেস ও বোকা হয়ে পাকড়াও হবার কারণে সেবারের মত টিমের নাম দিয়ে ছিলাম.... “মগা’স ফরম ঢাকা’স!” বা “ঢাকার মগারা!”

ওগো লজ্জাবতী, আমি শিশির হব......!

কখনো কি দেখেছি অবহেলিত, দলিত-মথিত লজ্জাবতীকে? ওর গায়ে বা পাতায় ঝরে পড়া শিশিরের ছোঁয়াকে? দেখেছি ওকে লাজে মরি মরি অপরূপ রূপে?

সুখের শহর সিমলা...

হাটছি আর তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছি, সিমলার প্রতিটি মুহূর্ত, প্রান ভরে। পাহাড়ে পাহাড়ে রঙিন প্রজাপতির মত বর্ণীল সব ঘরবাড়ি লেপটে আছে, সবুজ পাহাড় গুলোর শরীরে।

রিছাং ঝর্ণা- উচ্ছ্বাস ও উৎকণ্ঠা

অনেক অনেক সবুজ, হালকা শীতের শিহরণ, কাছে-দূরের পাহাড় আর শিশির জড়ানো ঘাস ও পথ পেরিয়ে, একটি টং ঘরের ছায়ায় সাময়িক বিশ্রাম।

আলোচিত পোস্ট


অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৬
অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৫
অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

শনিবার, আগস্ট ১১, ২০১৮