সজল জাহিদ

সজল জাহিদ

সুখের বিনিময়ে বিলাসিতা? সে আমি চাইনা...

ডাল লেকের সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা

নানান রঙের সিকারার শান্ত জলে বয়ে চলা, লাল-নীল-সবুজ-হলুদ-বেগুনী আর গোলাপি, বর্ণিল ফুলে, ফুলে ভরা সিকারা গুলো ভেসে চলেছে এক হাউজ বোট থেকে আর এক হাউজ বোটের সিঁড়ির কাছে, দূরে পাহাড়ের সূর্যের সাথে লুকোচুরি খেলা সাথে নানা রঙের বদল ক্ষণে ক্ষণে, কখনো সবুজ, কখনো হলুদ আবার কখনো গোলাপির আভা

তিন আহাম্মকের গল্প...!!

এগুলোর জন্য স্বপ্ন দেখতে হয়, সেই স্বপ্নকে আঁকড়ে থাকতে হয়, সাধনা করতে হয়, উন্মাদ হতে হয়, মাঝে মাঝে হতে হয় বাঁধনছাড়া আর অনেকের অসহ্য আর অবাধ্য!

নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের দ্বারে.(পর্ব-এক)

ভিন্নধর্মী আর নতুন কিছু লেখার জন্য এদের দুজনের চেয়ে ভালো আর প্রভাবক আর কেই বা হতে পারে?

নুব্রা থেকে প্যাংগং

এই লেকের যত ছবি দেখেছি সব ছবিই নীল আর নীলে বিসৃত ছিল সব সময়। ঝকঝকে নীল আকাশ, মাঝে মাঝে সাদা সাদা মিহি মেঘ, দূরে পাথুরে আর বরফে মোড়ানো পাহাড় আর নিচে নীল জলরাশির লেক।

ভ্রমণে নদীর আকর্ষণ!

একটা যায়গায় নদী বেশ টেনেছিল, এমনভাবেই টেনেছিল যে সেখানে একরাত থাকার জন্য নিজের মধ্যে একটা আগ্রহ টের পেয়েছি।

এতো বেড়াই কিভাবে? আমার কি অনেক টাকা!!

আমি এতো ঘন-ঘন আর এতো-এতো বৈচিত্রে ভরপুর যায়গায় যে যাই, আমার কি অনেক টাকা-পয়সা? নাকি আমি অনেক বড়লোক! এই প্রশ্ন অনেকের এবং অনেকদিন থেকেই।

যদি লক্ষ্য থাকে অটুট! (খারদুংলা টপ!-১৮৩৮০ ফুট!)

লক্ষ্য অটুট রেখে হৃদয়ে বিশ্বাসটা রেখেছিলাম তাই আজ দেখা হল, ছোঁয়া হল আর প্রাণভরে উপভোগ করা হল খারদুংলা টপ, পৃথিবীর উচ্চতম একটি রাস্তা।

গোলাপি গোধূলি, রুপালী রাত ও সোনালী সকালের গল্প!

বগালেকের সবুজ পানি তখন কালচে রঙ ধারণ করেছে, শেষ দুপুরের দমকা বাতাস হুহু করে পাহাড়ে পাহাড়ে, গাছে গাছে ছুটে ছুটে শীতের আগমনের সাথে সন্ধ্যাকে স্বাগতম জানাতে শুরু করেছে।

তেতুলিয়া-সমতলের চা বাগানের গল্প

চা বাগান বলতে আমরা শুধু সিলেট, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজারকেই বুঝে থাকি সাধারণত। অথচ আমাদের উত্তর বঙ্গে, পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ার সমতলেই আছে দৃষ্টি নন্দন আর মনকাড়া এক সবুজের সমুদ্র!

বন্দরের নান্দনিকতা!

আমাদের বন্দরের রাস্তা-ঘাট, ড্রেন, বাথরুম, অপেক্ষাগার (ওয়েটিং রুম), করিডোর, ইমিগ্রেশনে যারা কাজ করেন, তারা সবাই আর চারপাশের সবকিছু এতো নান্দনিক কেন?

কালকা মেইলে কেন ভ্রমণ করবেন?

আগামীতে যারা ভারত ভ্রমণে এই ট্রেনে চড়বেন কি চড়বেন না? চড়লে কি পাবেন বা পাবেন না, কালকা মেইলের এই গল্পটা তাদের জন্য।

জীবনের সেরা চার ঘণ্টা...! (স্বপ্নের সান্দাকুফু-১১)

যেখানে বরফের চুড়াগুলোয় চাঁদের রূপালী আলো পরে চিকচিক করে হাসবে, পাহাড়-আকাশ আর পুরো পৃথিবী। দেখেছিলাম এক অপার্থিব জ্যোৎস্না রাত, তারা ভরা স্বচ্ছ আকাশ আর চাঁদ-তারার আলোতে আলোকিত বরফের বেশ কয়েকটি ঝকঝকে চুড়া!

শীত ও সুখ স্মৃতি

শীতের একটা গন্ধ নাকে এসে লাগতেই স্মৃতি কাতর হয়ে পরছি যেন! কেন যেন আমার টানহীন গ্রামটার কথা মনে পরছে আজকাল। ঠিক শীতের কুয়াশা ভেদ করে, এক চিলতে নরম রোদের পরশের মত, সকালের শিশিরে ভিজে, জানালার গ্রিলে আর কার্নিশে জমে থাকা ধুলোর আস্তরণ মুছে যাওয়ার মত করে কিছুটা।

পাহাড়ের স্বর্গ উদ্যানে...... (রিশপ)

আর সেই আত্ন-বিশ্বাসের জোরেই ঘন কুয়াশা, কালো মেঘ, ঝুমঝুম বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া আর পাহাড় ধসের মত ঝুঁকিপূর্ণ সময়েই গিয়েছিলাম অনেক দিনের লালিত স্বপ্ন পূরণের জন্য রিশপ-লাভার এর স্বপ্নিল পাহাড়ি স্বর্গ উদ্যানে।

পাইছি টুরিস্ট, কামাইয়া লই! (পর্ব-৩)

যত রকমের মন খারাপ হতে পারে, সব রকমের, সবটুকু মন খারাপ নিয়েই দিয়েই শুরু করছি! আরও যা বলতে ইচ্ছা হচ্ছে বলতে পারছিনা, এই জন্য যে সেগুলো পাবলিক পোস্টে বলা সম্ভবনা আদৌ! মনে মনে বলছি আর লিখছি, তাতে যদি মনের ক্ষোভ আর আক্ষেপ কিছুটা হলেও প্রশমিত হয়! যদিও হচ্ছেনা তবুও দিচ্ছি।

আলোচিত পোস্ট


আজকের ছবি-২১-০৫-১৮

আজকের ছবি-২১-০৫-১৮

রবিবার, মে ২০, ২০১৮