সজল জাহিদ

সজল জাহিদ

সুখের বিনিময়ে বিলাসিতা? সে আমি চাইনা...

বিদেশী ফরেনার! ও হাফ প্যান্ট!!

আমি তো এখন এই দেশে ফরেনারই, নাকি?

সুখ যদি হয় রবীন্দ্রনাথ, নজরুল তবে দুঃখ!!

খুঁজে পেলাম রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন আর আমার বরাবরের একটু বেশি ভালোলাগার দরিদ্র নজরুলের জন্মস্থান কবিতীর্থ চুরুলিয়ার সন্ধান। খুঁজে পেতে দেরি আছে, কিন্তু আমার যাবার প্রস্তুতি নিতে আর দেরি নেই।

এতো বেড়াই কিভাবে? আমার কি অনেক টাকা! (পর্ব-২ঃ প্রমানসহ)

তো আমাদের কম খরচে ভ্রমণের নানা কৌশল নিয়েই আজকের লেখাটা...

পাহাড় ও সমুদ্র, প্রেম ও অন্যকিছু....

ওরে বাবা, এতো আরও ভয়ংকর, পাহাড়ের ডাক উপেক্ষা করার সাধ্য আমার নেই! সমুদ্র আমার কাছে অনেক ভাললাগার একটা জায়গা, সমুদ্রের পাশ দিয়ে হাঁটতে আমার অনেক ভালো লাগে, সমুদ্রকে বসে, বসে দেখতে ও তার কান ফাটানো ব্যাকুলতা আমাকে আনন্দ দেয়, সমুদ্র আমার কাছে অন্যকিছু!

নিঝুম দ্বীপের নিঃসঙ্গ গাছ ও আমি

ছায়া আর ঝিরঝিরে শীতল বাতাসে শরীর মন সব জুড়িয়ে গেল। হঠাৎ চোখ পড়লো দূরে ধু-ধু বালুচরে, যেন তপ্ত মরুভুমির মাঝে দাড়িয়ে আছে এক, একা বড়ই নিঃসঙ্গ, কোনো পাতা বা সবুজহীন বৃক্ষ। দেখেই মনের ভিতর একটা হাহাকার বয়ে গেল, ওর একাকীত্ত দেখে, যেন শুনতে পেলাম ওর আকুতি ও সঙ্গীর জন্য আর্তনাদ!

ইতিহাসে এক ঝলক: নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও মীরজাফরের বাড়ি থেকে

যদি ধীর লয়ে হেটে হেটে চোখ রাখা যায়, কোন ঐতিহাসিক স্থাপনার দেয়ালে, পাথরে, মাটিতে বা মেঠো পথে, তবে ইতিহাসের নানা কিছু আপনার কাছে এসে বসবে, কথা বলবে, নিজেকে জানান দেবে।

অপার্থিব পথে, দার্জিলিং থেকে কালিম্পং

যতবার এই রাস্তা দিয়ে আমি যাওয়া-আসা করেছি, ততবার আমি এক অপার্থিব সুখে আচ্ছন্ন থেকেছি। আচ্ছন্ন না থেকে কোনভাবেই নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে পারিনি। দার্জিলিং এর আঁকাবাঁকা পথে পথে বর্ণীল বাড়ি, টয় ট্রেনের সরু রেল লাইন, ঘুম স্টেশন ছাড়িয়ে গাড়ি বামে বাঁক নিতেই অপার্থিবতার শুরু।

ইতিহাসে এক ঝলক

ইতিহাসকে বা ঐতিহাসিক যে কোন কিছু দেখতে, জানতে, বুঝতে বা উপলব্ধি করতে খুব বড় গবেষক বা ইতিহাসবিদ হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। একটু সময় নিয়ে ইতিহাসে চোখ রাখলেই অনেক কিছু দেখতে পাওয়া যায়।

বিমান থেকে ফুটপাথে......!!

আপনি কি ভাবতে পারেন যে বিমানের মত সবচেয়ে বিলাস বহুল আর ব্যায়বহুল একটা দারুণ জার্নি শেষে আপনার ঠিকানা হতে পারে সরাসরি কোন ফুটপাথে?

গ্রেভি চিকেন আর বাবুদার নির্ঘুমরাত...!

খাওয়া শুরু করতেই বাবুদার বন্ধু বললেন, এতো ভালো খাবার একটু গ্রেভি না হলে খেয়ে আরাম হয়না। তাই তিনি একটি চিকেনকারী অর্ডার করলেন।

ডাল লেকের সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা

সে এক অভূতপূর্ব সৌন্দর্যের অনিন্দ সুন্দর রূপ দেখেছিলাম সেদিন, পুরো ডাল লেকের। সকালে এক সোনা মাখা হলুদাভ রূপ, দুপুরে সবুজে, ছায়ায় আর পানিতে সূর্যের শত রঙের খেলা আর বিকেলে শেষের সন্ধা থেকে রাতে এক অবর্ণনীয় সাঁজে সেজেছিল ডাল লেক।

প্রশ্নহীন পোর্ট পরিবর্তন... (ডুয়ার্স-দার্জিলিং-৩)

দার্জিলিং যাবার পরিকল্পনার শুরুতেই যে বিষয়টি বেশ ঝামেলাপূর্ণ আর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল সেটা হল, আমাদের প্রত্যেকের ভিসা করা ছিল বেনাপোল বা হরিদাসপুর থেকে।

ভুলতে গিয়ে, বাঁধনে জড়ালাম

কিন্তু তার নতুন অরণ্যের আকর্ষণ, মাধুর্য, মায়া আর আহবান আমাকে বিমোহিত করেছে। তার জলাশয় দেখে অভিভূত হয়ে গেছি।

১৬ আর ১৭ নাম্বার সিটের আক্ষেপ......!!

মোট কথা বাস দুই মিনিটের জন্য দাঁড়ালেই বাবুদা নেমে পরেন, আর কিছু কেনার উছিলায় তিনি ১৬ আর ১৭ নাম্বার সিটের দিকে এক বুক কষ্ট নিয়ে তাকিয়ে থাকেন আর মাথা চাপড়ান! ছবিটাই তার প্রমাণ!

দরিদ্র নজরুল দ্বারে

এতটাই করুণ, অবমাননাকর, অবহেলায়, অপমানে পরে রয়েছে সবকিছু। এমনকি চমৎকার একটা খোলামেলা পরিবেশে অবস্থিত প্রমীলা দেবী ও তার ছেলেদের সমাধিও ঠিক একই রকম অবহেলা আর অনাদরে পরে আছে দুরের এক স্কুল মাঠের পাশে।

আলোচিত পোস্ট


আজকের ছবি-২৩-০৪-১৮

আজকের ছবি-২৩-০৪-১৮

সোমবার, এপ্রিল ২৩, ২০১৮