সজল জাহিদ

সজল জাহিদ

সুখের বিনিময়ে বিলাসিতা? সে আমি চাইনা...

কেরালা-এক ভিন্ন ভারতের গল্প

শপিং এর যায়গা আছে কিন্তু অতি আধুনিক নয়, রেস্তরা আছে কিন্তু অভিজাত নয়, মানুষ আছে কিন্তু ব্যাস্ততা নেই, ছেলে মেয়েদের আড্ডা আছে, কিন্তু সাধারন মানের। এখানে সবকিছু পুরনো, বনেদী, ধীর স্থির আর ঐতিহাসিক। কোচিন শহর তার সবটুকু পুরনো ঐতিহ্য যেন ধরে রেখেছে।

মন মাতানো মুন্নারে (পর্ব-দুই)

অবাক বিস্ময়ে আমাদের সময় সেদিন থমকে গিয়েছিল, সবুজের এমন ঢেউ দেখে, চা বাগানের এই অপরূপ শেড দেখে, সবুজের ঢেউকে আকাশের সীমানায় পৌঁছে যেতে দেখে, সবুজের মাঝে হলুদের অপরূপ নান্দনিকতা দেখে!

মন মাতানো মুন্নারে (পর্ব-এক)

খুব সকালের সদ্য গজানো চায়ের পাতায় যখন সূর্যের প্রথম আলো পরে তখন চা বাগান ঠিক সবুজ দেখায়না। তখন চা বাগান এক অন্যরূপ ধারন করে, চা বাগান এক অন্য সাঁজে নিজেকে সাঁজায়, একটা অন্য রকম মাধুরী নিয়ে প্রকৃতির মাঝে আলাদা হয়ে থাকে।

পাইছেন ট্যুরিষ্ট, কামাইয়া লন! (পর্ব- পাঁচ)

আমরা প্রতিযোগিতা করছি কে কত বড় স্থাপনা গড়তে পারি, কে কতটা পাহাড় কেটে নিজের করে নিতে পারি, কে কোন অরন্য ধংস করে রিসোর্ট বানাতে পারি, কে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বীচে ধংস করে সমুদ্রের কতটা কাছে নিজেদের সুউচ্চ স্থাপনা তৈরি করে টুরিস্ট ধইরা, কামাইয়া লইতে পারি এসবের।

কেরালা ভ্রমণঃ চকলেট-চা-কফি ও মশলার শহর মুন্নারে

কি ঝলমলে এক একটা দোকান, চায়ের ফ্যাক্টরি আউটলেট, কফির বিক্রির দোকান, চকলেটের নানা রকম দোকান আর ভিন্ন রকম চকলেটের বিকিকিনি। এক একটা দোকানে ঢুকি আর চা, কফি, চকলেটের গন্ধে প্রান ভরে যায়।

কেরালা ভ্রমণঃ মোহময় মুন্নারের পথে...

হুট করেই বেশ ঠাণ্ডা লাগায় মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দেখি দুপুরের ৩৭ ডিগ্রী তাপমাত্রা কখন যেন কমে ১৭ তে চলে এসেছে! মানে উত্তপ্ত গরম থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে শীতের দেশে চলে এসেছি!

কেরালার ইরনাকুলামঃ স্টেশনেই আতিথিয়তা

একি? এটা কি কোন ওয়েটিং রুম? এটাতো কোন বনেদী বাড়ির ড্রইং রুম বা তার চেয়েও বিলাসবহুল ব্যাপার! কত না যেন দাম হবে এই যায়গায় অপেক্ষা করতে হলে কে জানে?

নারকেলের অরণ্যেঃ কেরালার গল্প

আপনি যদি গোয়া থেকে ট্রেনে করে কখনো কেরালা যান, তাহলে আপনাকে শত শত বা হাজার হাজার নয়, লাখ লাখ নারকেল গাছের অরণ্যর মাঝ দিয়ে ছুটে যেতে হবে।

গোয়া ভ্রমণঃ রুক্ষ দুর্গে, দুর্লভ সমুদ্র

যেটুকু সময় ইট পাথরের ওই দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাড়িয়ে ছিলাম, মনপ্রান ভরে শুষে নিয়েছি, উন্মুক্ত আরব সাগরের অপরূপ সৌন্দর্য। যা আপনার চোখ, চেতনা আর বোধকে বিলুপ্ত করে দেবে। আপনি অপলক তাকিয়ে থাকবেন সেদিকে।

ডলফিনের রোমাঞ্চ ও দুর্লভ ডায়মন্ডঃ গোয়া ভ্রমনের তৃতীয় দিন

হোটেল থেকে একটি এসি টুরিস্ট গাড়ি যাবে নর্থ গোয়ার বিভিন্ন স্পটে। সারাদিনের জন্য এসি গাড়ির একটি সিটের ভাড়া ৩০০ রুপী। বিভিন্ন বীচ, ডলফিন পয়েন্ট, স্নো আইস ল্যান্ড, দুর্গ আর ক্রুজ সাফারি।

গোয়া ভ্রমণের খরচাপাতি

সদ্য ঘুরে এলাম গোয়া সমুদ্র সৈকতের বেশ কয়েকটি যায়গায় ও বীচে। গোয়ার সাথে ছিল কেরালা, কোচিন আর মুন্নার ভ্রমণ। এই পুরো ভ্রমণে আমরা ৩ জন, ১৩ দিনে, ঢাকা থেকে ঢাকা নানা রকম ট্রেন ও বাসে জার্নি করেছি প্রায় ৮০০০ কিলোমিটার আর তিন জনের একক পরিবারের খরচ হয়েছিল ৫৩-৫৫ হাজার টাকা।

কক্সবাজার ও গোয়া, পার্থক্য কোথায়? (পর্ব-২)

বড় করে সাইনবোর্ড দেয়া আছে সকল সুবিধাসহ সিঙ্গেলদের জন্য ডরমেটরি ২৫০ রুপী! হায় হায় করলাম মনে মনে। ইস যদি একা আসতে পারতাম তাহলে ১৫০০ এর পরিবর্তে মাত্র ২৫০ থাকতে পারতাম!

ঝড় বৃষ্টি ও স্মৃতির ভেজা জানালা

ব্যাস, একা একাই শুরু হল পাহাড়ি বৃষ্টি কে সাথে নিয়ে নি:সংগ এক পথচলা...

কক্সবাজার ও গোঁয়া, পার্থক্য কোথায়? (পাইছেন টুরিস্ট, কামাইয়া লন-৪)

একটি এসি, ডাবল স্ট্যান্ডার্ড রুমে উঠলাম ১৫০০ রুপী করে, সাথে বিশাল সুমিংপুল ফ্রি!

বিদেশী ফরেনার! ও হাফ প্যান্ট!!

আমি তো এখন এই দেশে ফরেনারই, নাকি?

আলোচিত পোস্ট