নাভিদ

নাভিদ
অবনীল

ঘোরাঘুরি, এডভেঞ্চার, লেখালেখি  

বজ্রনিনাদী জলরাশির ইতিকথা

হর্স-শু ফল! অসাধারন সেই দৃশ্যের সামনে দাঁড়িয়ে উত্তেওজনা সামলে রাখা কঠিন। কুয়াশা-কুমারী নামের এই ফেরীতে অবস্থিত অন্যান্য যাত্রীদের অবস্থাও তাই। চিৎকার চেঁচামেচি করে তারা তাদের উত্তেজনার বহিপ্রকাশ ঘটাচ্ছে।

লোহিত খাঁড়ি আর কৃষ্ণ নদীর গল্প (পর্ব-২)

যেখান থেকে জল গড়িয়ে পড়ে ঠিক সেই খাদের মাঝখানে বড় একটা পাথর স্রোতকে দুভাগে ভাগ করে দিয়েছে। ব্যাপারটা এতটাই বৈশিষ্ট্যপূর্ন যে এটা দেখেই প্রপাতটাকে চিনে ফেলা যায়। শীতকালে আরেক সৌন্দর্য্য। বেশীরভাগ সময়ি জমে বরফ হয় যায় পুরো প্রপাত।

লোহিত খাঁড়ি আর কৃষ্ণ নদীর গল্প (পর্ব-১)

এর মূল আকর্ষন হচ্ছে, যার জন্য প্রতি বসন্তে প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে এখানে ক্যাম্পিং করার জন্য, তা হলো অবিশ্বাস্য সুন্দর বর্নিল প্রান্তর অবলোকন করা যায় এসময়।

জিপলাইনে দুহাজার ফিট

শাঁ শাঁ শব্দে প্রায় উড়ে চলছি উচু উচু সব গাছের ফাক দিয়ে। দু হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে রেখেছি মাথার উপরের হ্যান্ডেল। শুধু একটা দড়ির সাহায্যে ঝুলে আছি মাটি থেকে প্রায় ৬০ ফিট উপরে। চলতে চলতে মাথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছি চারিপাশের আর নিচে দ্রুত অপসারমান সবুজের সমারোহ।

আলোচিত পোস্ট


বজ্রনিনাদী জলরাশির ইতিকথা

বজ্রনিনাদী জলরাশির ইতিকথা

শনিবার, জানুয়ারী ১৯, ২০১৯

লোহিত খাঁড়ি আর কৃষ্ণ নদীর গল্প (পর্ব-২)

লোহিত খাঁড়ি আর কৃষ্ণ নদীর গল্প (পর্ব-২)

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১৭, ২০১৯

জিপলাইনে দুহাজার ফিট

জিপলাইনে দুহাজার ফিট

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ৩, ২০১৯