তারেক অণু

তারেক অণু
I am the Outsider

ঘুরতে ভাল লাগে। 

বুদাপেস্টের আতঙ্কবাড়ী (পর্ব-২)

নিয়তির কী পরিহাস যে যুদ্ধ শেষের আগ পর্যন্ত এই ভবনই আবার ব্যবহৃত হত হাঙ্গেরির ফ্যাসিস্ট দলের কার্যালয় হিসেবে, তাই দুই দলেরই প্রতীক খোদাই করা আছে বাহিরের দেয়ালে।

বুদাপেস্টের আতঙ্কবাড়ী (পর্ব-১)

২০০৮ সালে বুদাপেস্ট ভ্রমণের সময় প্রথম দেখেছিলাম এই কুখ্যাত জাদুঘর House of Terror, বাহিরের দেয়ালে সারি সারি সাদা কালো ছবি, ছবির নিচে নাম লেখা, কোন কোনটাতে আবার নাম লেখা কিন্তু ছবি নেই, ভয়াবহ কালো রঙে মুছে গেছে আস্ত মানুষটার অস্তিত্ব।

আনলির, আমার তুর্কি পরিবার

এই ব্যাপারে আমার ব্যক্তিগত নীতি হচ্ছে- পথ চলতে থাকো, যার সাথে বন্ধুত্ব হয় হবে, রাজাকার তোষণকারি ছাড়া কাউকে শত্রু বানানোর দরকার নেই।

যদ্যপি আমার গুরু

আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ তাঁর, সেই সাথে জীবনপাত্র উছলে পড়া কৌতূহল। জগতের যে কোন খুটি-নাটি নিয়ে চমকপ্রদ অজানা সব তথ্য দিয়ে বাকরুদ্ধ করে দেন তিনি আমাদের, এবং সেই জ্ঞানের কথা বলার সময় তাঁর কণ্ঠে অহংবোধ বা সবজান্তার মুন্সিয়ানার ছোঁয়াটুকু থাকে না, থাকে কেবল জানার আনন্দ।

আর্জেন্টিনার সন্ধ্যা

ইউরোপের ছিপছিপে সরু নদীগুলোর ইতিহাস বাঁধানো বাক দেখে দেখে চোখ সয়ে গেছে, বাংলাদেশেও ঘুরে-ফিরে আসা হয় শীতকালে যখন নদীর চরে মাঝে মাঝে মরিচিকার মত চকচকে কিছু দেখে বোঝা যায় শীতের বালু-সাম্রাজ্যে কয়েক জায়গায় জল টিকে আছে বটে, দেখা হয়নি আমাজনের সত্যিকারের বন্যতা, তাই-ই প্লাতার সেই উথাল-পাথাল সর্বগ্রাসী রূপ আসলেই স্তব্ধ করে দিল মুগ্ধতায়।

বিগত ২০০ বছরে রাজশাহীর বন্যপ্রাণীর ইতিহাস

শীতকালে নদী এবং ভিতরের জলাঞ্চলে নানা জাতের পরিযায়ী পাখিরা আসত। চলন বিল, নওগাঁর ৬ মাইল দক্ষিনের দুবলহাটি বিল এবং মধুয়ানগর রেলষ্টেশনের কাছে অবস্থিত হালতি বিলে বুনোহাঁসের মেলা বসে।

আইফেল স্তম্ভে বর্ষবরণ!

এই সময় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারের পাশে বর্ণাঢ্য আতশবাজি উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়া হয়।

জসীম উদদীনের ভ্রমণকাহিনী ‘চলে মুসাফির’

পল্লী কবি জসীম উদদীন ১৯৫০ সালে মার্কিন দেশে গেছিলেন সরকারি সহায়তায়, পথিমধ্যে থেমেছিলেন বাহরাইন, লন্ডনে এবং আইসল্যান্ডে অল্প সময়ের জন্য, আবার আমেরিকার থেকে ফিরে গিয়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেই সময়ের অধিবাসীদের গল্প লিখেছিলেন সরল ভাষায় ‘চলে মুসাফির’ বইতে।

সুনীলের ‘রাশিয়া ভ্রমণ’

সোভিয়েত ইউনিয়ন সময়ের একেবারে শেষদিকে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সরকারি আমন্ত্রণে গিয়েছিলেন সেই অঞ্চলে, বিশাল সেদেশে তিনি ছিল খুবই অল্প সময় এবং মাত্র ৪ জায়গায় তার যাওয়া হয়েছিল সেই স্মৃতি থেকে লিখেছিলেন সাকুল্যে ১৮০ পাতার ছোট্ট একটি বই ‘রাশিয়া ভ্রমণ’

নন্দকান্ত নন্দাঘুটি- বাঙালির প্রথম পর্বতারোহণ

এরপরের যে বর্ণনা সে বর্ণনার সাথে সমতলের মানুষেরা খুব একটা পরিচিত না, নরম নরম  তুষার, হিমবাহের কঠিন নিষ্ঠুর দেয়াল,  যেখানে পাথরে বাতাস চক্কর খেয়ে হাড়ে এসে বিঁধে যেন।

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি দেখেছেন যিনি!

অন্তত শতায়ু হোন আপনি ডেভিড অ্যাটেনবোরো, আপনাকে ভীষণ প্রয়োজন আমাদের, মানব জাতির, সমস্ত প্রাণী জগতের, এই নীল গ্রহটার।।

দ্য হুইসপারিং ল্যান্ড

দীর্ঘ আট মাস ল্যাতিন আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম দেশে আর্জেন্টিনায় ছিলেন, চষে বেড়িয়েছিলেন আমাদের গ্রহের শেষ বুনো প্রান্তর প্যাটাগোনিয়া, মিশেছিলেন স্থানীয়দের সাথে, পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন সেই ঊষর প্রান্তরের অধিবাসী, বিরল বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণিজগতের সদস্যদের সাথে, সেই চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা নিয়ে দ্য হুইসপারিং ল্যান্ড নামের এক অসাধারণ বই আমাদের জন্য লিখে গিয়েছেন ডারেল

অমর চলচ্চিত্র- দ্য মোটরসাইকেল ডায়েরীজ

দুই বন্ধু চার মাসে আট হাজার কিলোমিটার ভ্রমণ করে আর্জেন্টিনা, চিলি, পেরু পাড়ি দিয়ে পৌঁছাবেন ভেনিজুয়েলার কারাকাসে। তখনো তাদের জানা নেই তাদের বুনোতম কল্পনাকেও হার মানাতে যাচ্ছে।

বাঙ্গালী ভূ-পর্যটক রামনাথের জীবনীগ্রন্থ

“দেশ দেখা যার একমাত্র কাজ, তার আবার হারিয়ে যাওয়া কী?”

শুভ জন্মদিন, আলী সাহেব

আপনার মত কোনদিক দিয়েই হওয়া হলো না আলী সাহেব, কিন্তু আপনাকে নিয়ে প্রচন্ড অহংকার আমার। বাঙালি হয়ে জন্মানোতে আপনার অমর লেখার রস উপভোগ করি সরাসরি- এই পাওয়ায় বা কম কিসে!!’

আলোচিত পোস্ট