ইকরামুল হাসান শাকিল

ইকরামুল হাসান শাকিল
পাহাড়ে ঘুরে বেড়াই

প্রকৃতি ও পাহাড়প্রেমী

পায়ে হেঁটে কোলকাতা থেকে ঢাকা

এতটা পথ একা হাঁটা কিভাবে সম্ভব ? তাদের মধ্যে নানান প্রশ্ন খেলা করছে। তবে সবাই আমাকে অন্য রকম মূল্যায়ন করছে। যা আমাকে উৎসাহ জুগাচ্ছে। 

প্লিজ আপনি পাহাড় ও  ঝর্ণায় যাবেন না

নাপিকাটাকুমের ওপরে রয়েছে আরেকটি জলপ্রপাত, যার নাম ছোট নাপিকাটাকুম। সেখান থেকে কলকল ছলছল করে পানি আসছে, উপচে পড়ছে বড় নাপিকাটাকুমে।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (শেষ কিস্তি)

সৃষ্টির অপার সৌন্দর্য্য এই পর্বত। এর রূপ দেখে তৃপ্তি পাওয়া মনুষ্যজীবনে সম্ভব না। মেঘে ভেসে আলিঙ্গন করে স্বপ্নবাজ মানুষগুলো শ্বেত-শুভ্র পুতপবিত্র পর্বতকে। হে পর্বত, তোমাকে জয় করতে নয় ক্ষমা চাইতে বারবার ছুটে আসবো চূড়ায়। 

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (১৩তম কিস্তি)

দুই শেরপা আমাদের আগেই নেমে গেছে। তাদের কাছে বিজয় ও আমাদের নামার খবর পেয়ে বিথী ও রিনি আনন্দে আত্মহারা। তারা আমাদের জন্য গরম পানি নিয়ে এগিয়ে এসেছে। পথেই সবাই আনন্দে লাফালাফি করলাম। 

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (১২তম কিস্তি)

জীবনের প্রথম কোনো পর্বতের চূড়ায় পা রাখার আনন্দের  সুখ পেলাম। মনের অজান্তেই চোখের কোণে পানি স্বপ্ন জয়ের বহিঃপ্রকাশ করলো। বাকশূণ্য হয়ে শুধু চারপাশ দেখছি। সকল কষ্ট মূহুর্তেই ভুলে গেলাম

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (১১তম কিস্তি)

কী এক মৃত্যুময় আনন্দে মৃত্যুর ভয়কে উপেক্ষা করে উপরের দিকে জুমারিং করছি। জুমারিং করার সময় দড়ি নিচের দিকে ঝুলে। তখন ভয়ে গা শিউরে উঠে। এই বুঝি দড়ি ছিঁড়ে নিচে পরে যাচ্ছি।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (১০ম কিস্তি)

মেঘ এসে চারপাশ হোয়াইট আউট করে দিলো। ঠান্ডা বাতাসও যেন পাল্লা দিয়ে ছুটে চলছে। কয়েক’শ ফুট দূরের কিছু দেখা যাচ্ছে না। রাস্তার খুব পিচ্ছিল। পা রাখাই যাচ্ছে না। তবু আস্তে আস্তে নিচে নামছি আমরা। প্রতি মূহূর্তে দুর্ঘটনার আশংকা। 

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৯ম কিস্তি)

আস্তে আস্তে উপরে উঠছি। ছোট বড় পাথরের বোল্ডারের পাশ ঘেঁসে, উপর দিয়ে। বড় একটি পাথরের খাঁজে উঠে এলাম।  ১৫৫৩০ ফুট উচ্চতায়।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৮ম কিস্তি)

বরফ গলা  নদী বয়ে চলছে আপন গতিতে। স্বচ্ছ পানির কলকল শব্দ মিশে যাচ্ছে মেঘেদের সাথে। আমরা সেই নদী পাড় হলাম পাথরের উপরে লাফিয়ে লাফিয়ে। নদীর পাশ দিয়ে সমতল ভূমির উপর দিয়ে হেঁটে চলছি।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৭ম কিস্তি)

মোনাল ফ্রিজান নেপালের জাতীয় পাখি। দেখতে অনেকটা ময়ুরের মতো। এতো সুন্দর রঙিন পাখি এই প্রথম দেখলাম। এই পাখিটিও জীবনের প্রথম দেখলাম।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৬ষ্ঠ কিস্তি)

আঁকাবাঁকা উচুনিচু পথ। বার্জ, রডেডনড্রন ও পাইন বনের ভেতর দিয়ে হেঁটে চলছি।  উঁচু উঁচু গাছের ফাঁক দিয়ে সুর্যের আলো শিল্পকর্ম করছে

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৫ম কিস্তি)

পৃথিবীর সর্বোচ্চতায় সব থেকে বড় মন্দির থায়াংবুচে মুনাস্ট্রিও দেখতে পেলাম এখান থেকে। দূর থেকে মুনাস্ট্রিকে ছোট দেখাচ্ছিল। এভারেস্ট ও আমা-দাব্লামকে পেছনের দৃশ্য করে আমরা সবাই ছবি তুললাম।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৪র্থ কিস্তি)

এখন দেখছি পাহাড় পর্বত ঘেরা অপরূপ সৌন্দর্য। ছ’হাজারি পর্বত কুসুমকাংরু ও খুমডিলা দাঁড়িয়ে আছে মাথা তুলে। সূর্যের আলোতে চিকচিক করছে।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৩য় কিস্তি)

দুর্গম পর্বতারোহণের রোমাঞ্চকর গল্প

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (২য় কিস্তি)

দুর্গম পর্বতারোহণের রোমাঞ্চকর গল্প

আলোচিত পোস্ট


ভ্রমণে যখন নারী একা

ভ্রমণে যখন নারী একা

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

আজকের ছবি-২৪-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৪-০৯-১৭

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আকাশ জোনাকির নীড়ে

আকাশ জোনাকির নীড়ে

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭