আশিক সরওয়ার

আশিক সরওয়ার

ভ্রমণ , ঘুরা ঘুরি , 

গঙ্গাসাগর দীঘি, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

গঙ্গাসাগর বলতে কোনো সাগর, মহাসাগর, উপসাগর নয়। গঙ্গাসাগর একটি গ্রাম, একটি দীঘি। চিকচিক করছে দীঘির জল। দেখলেও মন ভরে যায়।

নেহাতেখুমের সৌন্দর্য্য

ছবির থেকে বেশি সুন্দর অখ্যাত এই খুম। কিছু সৌন্দর্য আছে বলে বুঝানো যায় না অনুধাবনের ব্যাপার।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত

পর্যটন মৌসুমে সরকারি ছুটির চাপ কক্স কে আর বাজার না বানিয়ে ভিন্ন রকম সমুদ্র সৈকতের স্বাদ নিতে যেতে পারেন কুয়াকাটা। আশাহত হবেন না আশা করি।

পদ্মা নদীর মাছ শিকারি

পদ্মা নদী কোন মিনি কক্সবাজার না। এর রূপ প্রতি ঋতুতে পরিবর্তন হয়। বাংলাদেশের সব জায়গা থেকেই পদ্মা দেখাতে বিচিত্র ও সুন্দর। তাই হা-হুতাশ না করে সময় বুঝে পদ্মা দেখতে যান।

চন্দ্রনাথ পাহাড়ের শীর্ষে

পাহাড় থেকে পুরা সীতাকুন্ডু শহরটাকে দেখতে অদ্ভূত সুন্দর লাগে। আর সাথে যদি হয় মেঘের সাথে মিতালী তাহলে তো কথাই নাই। আমরা মেঘের রাজ্যে কিছুক্ষনের জন্য হারিয়ে গেলাম।

রেনউইক যজ্ঞেশ্বর কোং

নামটার মধ্যেই একটা আভিজাত্য আছে। এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সুগার মিলের জন্য তৈরি যন্ত্রপাতির পার্টস তৈরি করে। একেবারে গড়াই নদীর তীরে এর অবস্থান।

বিলের ধারে প্যারিস নগর

দেশ ভাগের পর ভাগ্যকূলের বেশির ভাগ জমিদার দেশত্যাগ করলেও রয়ে গেলেন যদুনাথ রায়। এই মাটির প্রতি তার অন্য রকম টান ছিল। ১৯৬৫ সালের ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের পর সরকার থেকে চাপ আসে তার দেশ ত্যাগের ব্যাপারে।

হারিয়ে যাওয়া রুপলাল হাউজ

ফরাশগঞ্জ আসলে আহসান মঞ্জিলের কথা বললে সবাই এক আংগুলে দেখিয়ে দিবে। কিন্তু যদি বলেন রুপলাল হাউজটা কোথায় সে আংগুল দিয়ে মাথা চুলকাবে। হা বলছি সেই রুপলাল হাউজের সেই রুপলাল দাশ, রঘুনাথ দাশ বাবুদের কথা।

নদীর নাম সোমেশ্বরী

এত সচ্ছ নদীর পানি, এত তার রুপ, এত তারা মায়া সোমেশ্বরী নদীতে না ঘুরলে বুঝবেন না। সামনে দেখা যায় মেঘালয়া।

পর্যটকপ্রেমী কুকুর

কলাবন পাড়া থেকে পুরা রাস্তা আমাদের সাথে তারা গিয়েছিল।প্রথম প্রথম ভেবেছিলাম এমনেতেই কৌতুহল বশত হয়তো আমাদের সাথে হাটছে। তাড়ানোর পরও যায় না।ঝর্নার টান মনে হয় পৃথিবীর সব প্রাণীকেই আকৃষ্ট করে।

ইন্দ্রাকপুর কেল্লা, কাচারি, মুন্সিগঞ্জ সদর

এটি মূলত নদীপথে জলদস্যুদের প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহার করা হত। জনশ্রুতি আছে এই দূর্গ থেকে ঢাকার লালবাগ কেল্লার সুড়ঙ্গ পথে গোপন রাস্তা ছিল।

বর্ডার হাট মেলা, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার এক পা ভারতে আর এক পা বাংলাদেশে। যখন খুশি ভারত বাংলাদেশ যেতে পারছেন পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই। হ্যা এটা সম্ভব করেছে কসবা বর্ডার হাট মেলা।

টাংগুয়ার হাওরের নীল জলরাশি

টাংগুয়ার হাওড়ের অপরূপ মায়ায় হারিয়ে যাই জীবনানন্দ দাশের কবিতায়। সত্যিই এই বাংলার এত রূপ। তাই কবির মত বার বার ফিরে আসিতে ইচ্ছে করে এই বাংলার বুকে।

দালাল বাজার জমিদার বাড়ী, লক্ষীপুর।

লক্ষ্মী নারায়ন বৈষ্ণব প্রায় ৪ শত বছর পূর্বে কলকাতা থেকে কাপড়ের ব্যবসা করতে দালাল বাজার আসেন। তার উত্তর পুরুষরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর বাণিজ্যিক এজেন্সী এবং পরে জমিদারী লাভ করেন।

পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী পাকুটিয়া, টাংগাইল।

দিন গিয়ে দিনে ফিরে আসুন আর নিয়ে আসুন এক মুঠো ঐতিহ্য। সাথে দেখে আসুন বালিয়াটি আর পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী। এক টিকেটে দুটি ছবি।

আলোচিত পোস্ট


অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

শনিবার, আগস্ট ১১, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৩
অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ১

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ১

মঙ্গলবার, জুলাই ৩১, ২০১৮

বিচিত্র যত গুল্ম (পর্ব-২)