আবদুল গাফফার রনি

আবদুল গাফফার রনি
লেখক, প্রকৃতিপ্রেমী

বিজ্ঞান ও পরিবেশ ভাল লাগে, ভালবাসি। 

গ্রামগঞ্জের খেলাধুলা

ছেলেমেয়েরা এখন ভার্চুয়াল ভিডিও গেমের নেশায় বুঁদ। তাছাড়া জনসংখ্যার বৃদ্ধির বাড়তি চাপে বিলীন হয়ে যাচ্ছে গ্রামগঞ্জের খেলার মাঠ, পতিত জমি। অথচ কী আনন্দেই না কেটেছে আমাদের শৈশব।

হুকোমুখো কানকোয়া

অদ্ভুত পাখি। কখনও উড়তে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। সারাদিন শুকনো পাতার ওপর ঘুরে ঘুরে পোকা খুঁজে বেড়ায়।

হলদে পাখির বাসা

তাছাড়া পুরুষপাখিগুলো সঙ্গিনীকে ডাকার সময় এলাকা ভাগ করে নেয়। পারতপক্ষে একজনের এলাকায় আরেকজন পা দেয়। যদিবা দেয় যুদ্ধের জন্য আটঘাট বেঁধেই দেয়।

বনলতার দেশে

ঝকঝকে রোদে হেসে উঠল নাটোরের জলজ মাঠ। সবুজের উজ্জ্বলতা বাড়ল। আকাশে নীল-সাদার এক অপূর্ব সম্মিলন। 

বৈঁচি : কুড়ি বছর পর দেখা বুনোফল

ঝোপের ভেতর একটা বৈঁচি গাছ দেখে এগিয়ে গেলাম পায়ে পায়ে। সত্যিই কুড়ি বছর পর পেলাম পরম আরাধ্য সেই ফল!

পাখিদের সুখদুখের কথা

বইয়ের শুরুতেই লেখক বলছেন, ‘আমাদের মতো পাখির মনেও অনেক আনন্দ। আবার কিছু দুঃখও আছে পাখির মনে। মানুষের হাতে পাখি কষ্ট পায়। অনেক সময় না জেনেই মানুষ পাখির ক্ষতি করে।

বুক রিভিউ : পর্বতের নেশায় অদম্য প্রাণ

বন্ধুরা, বলছিলাম অকাল প্রয়াত পর্বতারোহী সজল খালেদের কথা। এড ভিশ্চার্যের এই বিখ্যাত বইটির অনুবাদ শেষ করেই তিনি পাহাড়ের বুকে নিজের জীবনকে সপে দিয়েছেন।

শামখোলের আস্তানায়

শামুকভাঙার দলটি নাকি আস্তানা গেঁড়েছে ইছামতীর তীরে। আমাদের এলাকায় শামখোলকে মানুষ শামুকভাঙা বলে। ছোটবেলায় দূর আকাশে উড়ন্ত শামুকভাঙা দেখেছি বহুবার। গ্রামের বিলে নাকি শামুকভাঙা থাকে।

একটি মদনটাক উদ্ধার অভিযানের গল্প

বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র চারশো থেকে পাঁচশোটি মদনটাক টিকে আছে।

হঠাৎ দেখা কমলা-দামা

দামাদের আচরণ যেন ঠিক স্বাভাবিক নয়, কেমন যেন ভয় ভয় ব্যাপার আছে। চলনে-বলনে অতি সতর্কতা। কেন? সেটা ভাবছি, তখনই হাজির যমদূত।

একজোড়া কাকের গল্প

টুনটুনি, বুলবুলিদের বাসা তৈরির শৈল্পিক কারুকাজ দেখেছি স্বচোক্ষে। আবার শালিক কিংবা চড়–ই পাখিদের অগোছালো বাসাও দেখেছি। কিন্তু কাকের মতো এমন ছন্নছাড়া বাসা আর দেখিনি

শিয়ালের রাহাজানি

শিয়ালকে কিছুদূর তাড়িয়ে দিয়ে আসে। ফিরে দেখে আরেকটা শিয়ালা তার ছানা নিয়ে পালাচ্ছে। ‌‌‌‘শুকরের গো’ বলে কথা! প্রাণপণে সে তখন এই শিয়ালটাকে ধাওয়া করে। ততক্ষণে আগে ধাওয়া খাওয়া শিয়ালটা ফিরে এসে আরেকটা ছানা নিয়ে পালায়। 

পাটের ফুল

ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীরে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। মন ভালো করে দিল কলাইয়েরে ফুল। খেয়ালই ছিল না, হেমন্ত এসে গেছে। কলাই ফুলের সৌন্দর্য্ ঝটকায় ফিরিয়ে নিয়ে গেল স্মৃতমেদুর ছেলেবেলিায়

বই রিভিউঃ তারেক অণুর পৃথিবীর পথে পথে

তারেক অণুর ‘পৃথিবীর পথে পথে’ নিছক ভ্রমণ কাহিনী নয়। ভ্রমণের সাথে আবেগ, মানবতা, ইতিহাস, শিল্পকলা, সাহিত্য একাকার হয়ে বাংলা ভ্রমণ সাহিত্যের অন্যতম সম্পদ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার অপেক্ষায়।

ছদ্মবেশি রাতচরার খোঁজে

গ্রামের লোক একে বলে আতস পাখি। রাতে ওদের চোখ দিয়ে নাকি আগুন বেরোয়। এই ধারণা থেকে জন্মেছে ভয় ধরানো কত গল্প, কত কাল্পনিক কাহিনি!

আলোচিত পোস্ট


বিচিত্র যত গুল্ম (পর্ব-২)
কেরালা-এক ভিন্ন ভারতের গল্প