অনুভ্রমণ ডেস্ক

অনুভ্রমণ ডেস্ক

অনুভ্রমণ ডেস্ক

মধ্যরাতের আক্রোপোলিস, এথেন্সের স্কুইড ভাজা এবং রেবেকা

সুমসাম চারিদিক, অপার্থিব মনে হল পার্থননকে দূর থেকে, সেখানে কৃত্রিম আলো ফেলা হয়েছে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য।

শাশুড়ি কেন ড্রাগন ?

নিদারুণ যুদ্ধ হল, যা কেউ কোনদিন দেখে নি শুনেও নি, জয়-পরাজয়ের পাল্লা একবার মানুষের দিকে হেলে তো পরমুহূর্তেই ড্রাগনের দিকে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে আদমসন্তানের তরবারির এক কোপে বজ্জাত ড্রাগনের মুণ্ডুপাত ঘটল

জাগরেবের বোবান রেস্তোরাঁ

রুচিশীল পরিবেশ, উৎকট করে কিছু সাজানো নেই, যেমন নেই বোবান বা ক্রোয়েশিয়ান ফুটবল দলের নানা স্মারকও

মেরু ভালুকের দেশে - ৩

এ যেন আরেক সাহারা, দিক কাল পাত্র শূন্য, চারিদিকেই অথৈ নির্জনতা, হয়তবা এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে দূষণমুক্ত অঞ্চল। আর কত বর্ণের যে বরফ!

মেরু ভালুকের দেশে - ২

পৃথিবীর উত্তরতম জনবসতি, আমাদের সামনে একেবারে রূক্ষ অবারিত শূন্য বিস্তৃত পাথূরে ঊষর সীমাহীন প্রান্তর, সেদিক পানে দৃষ্টি পড়তেই কেমন যেন এক শ্রদ্ধা আর ভয় মেশানো অনুভূতি

ভূতনাথের মেলাতে (শেষ)

প্রাচীন বাংলার সেই সময়টুকু ভীষণ ভাবে উপভোগ করলাম আমরা, সেই সাথে আরেকবার নতুন করে উপলব্ধি হল যে বাংলার মানুষ এমনই, সকল ধর্মের সকল জাতের মানুষ একসাথে মিলেমিশেই থাকবে।

মেরু ভালুকের দেশে - ১

তীব্র শীতকালে পান্না সবুজ ঝলমলে মেরুজ্যোতির আলোয় বই পড়া যায় সহজেই, ক্ষুদে শহরের বাহির হতে চাইলেই ভালুকের ভয়ে সাথে নিতে হয় ভারী বন্দুক,

ভূতনাথের মেলাতে

বাসের রাস্তার পাশেই বিস্তীর্ণ মাঠ, অন্যদিকে ফসলের ভূমি, মেঠো পথে খানিকটা হাঁটতেই মেলা শুরু, তারও ঢের আগে থেকে মেলাই আগত মানুষের লাইন

মধ্যযুগের এক বিকেলে - শেষ

মেলা দেখতে আগত শিশুদের দেখে সবচেয়ে ভালো লাগল, দু চোখ ভর্তি নিখাদ বিস্ময় নিয়ে গিলছে তারা মধ্যযুগীয় বিশ্ব।

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে - শেষ

অনেক অনেক ফুলের ছড়াছড়ি, তার মাঝে একটা দেখে আরণ্যকের লাইন গুলো মাথায় এল- বেগুনি রঙের জংলী ফুলগুলিই আমার কানে শুনাইয়া দিল বসন্তের আগমনবাণী

মধ্যযুগের এক বিকেলে - ১

সবটাই সাজানো খেলা যদিও, এসেছি ফিনল্যান্ডের হামেনলিন্না শহরে, সেখানে অতল নীল হ্রদের পাড়ে প্রতি গ্রীষ্মে কয়েক দিনের জন্য বসে এই মধ্যযুগীয় মেলা, সারা ইউরোপ থেকে আসে যোগদানকারীরা- কেউ কামার, কেউ কুমোর, কেউ যোদ্ধা, কেউ মদের যোগানদার

একটি নাইটিংগেল, সবুজ বাগিচা এবং কবি কিটসের বাড়ী

বাড়ীর সামনে যখন পৌছালাম ততক্ষণে বরুণ দেব খানিকটা কৃপা করেছেন, মেঘের ফাঁকে চুইয়ে চুইয়ে আসা শুরু করেছে সূর্যরশ্মি, শ্যামলী নিসর্গ তখন উদ্ভাসিত আপন সবুজ আলোয়, লতা-পাতা-ঘাস-গাছ ঘেরা সফেদ ভবনটি।

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে - ২

পিচ ঢালা রাস্তা, গাঁও-গেরামেও পৌঁছে গেছে, সেটা দিয়েই দেখা হল এক জীবন্ত ইতিহাসের সাথে। তার দর্শনে নেমে পড়লাম, অতি চমৎকার ছমছমে গুঁড়ির অধিকারী এক তেঁতুল গাছ, তার বয়স নাকি ৬০০ বছরের মত,

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে -১

নাচোল অঞ্চলের গোসাইপুরে প্রায় একশ বিঘা জমির উপরে তোজাম ভাইয়ের বাবা একটা পরিবেশবান্ধব রিসোর্ট করছেন, কাজ এখনও চলবে বেশ কিছু দিন, যদিও পিকনিক পার্টির আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে, সেটা দেখার সাথে সাথে গ্রামবাংলা উপভোগের সুযোগ আসে ষোলআনায়। তাই-ই আজকের ভ্রমণ সেইদিকে।

আলোচিত পোস্ট


ভ্রমণে যখন নারী একা

ভ্রমণে যখন নারী একা

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

আজকের ছবি-২৪-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৪-০৯-১৭

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আকাশ জোনাকির নীড়ে

আকাশ জোনাকির নীড়ে

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭