খরগোশের এই গর্তটি প্রথম নজরে স্বাভাবিক মনে হবে, কিন্তু এটি প্রকৃতপক্ষে ক্যান্টন গুহার একটি প্রবেশপথ, ৭০০ বছরের পুরানো একটি ভূগর্ভস্থ গোপন আস্তানা। ইংল্যান্ডের শ্রপশায়ারে অবস্থিত এই প্রাচীন স্থানটি নাইটস টেম্পলার দের ঘাটি ছিল। ধর্মযুদ্ধের সময় ভীত ক্যাথলিক মিলিটারি সেখানে শক্তি এবং সম্পদ মজুত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন তাদের এই গোপন আস্তানা তে।

পরবর্তীতে একটি নিরাপদ স্থানের খোজে এই গুহা ধর্মযাজক, পৌত্তলিক এবং গোপনীয় ধর্মীয় দল দ্বারা ব্যবহৃত হয়। যাইহোক, ২০১২ সালে জমির মালিক দর্শকদের প্রচণ্ড ভিড় এর কারণে ক্লান্ত এবং বিরক্ত হয়ে এটি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু বার্মিংহামের ফটোগ্রাফার মাইকেল স্কট এই গুহার ভিতরে যেতে সক্ষম হন এবং তিনি ছবি তোলেন ও এই পৌরাণিক স্থানের তথ্য নথিভুক্ত করেন।

আমরা মাইকেল স্কটের তোলা গুহার আকর্ষণীয় কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। উপভোগ করুন!

খরগোশের এই গর্ত ৭০০ বছরের পুরানো গুহাকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসলো।

 

ইংল্যান্ডের শ্রপশায়ারে অবস্থিত এই প্রাচীন স্থানটি নাইটস টেম্পলারের আস্তানা ছিল।

 

এটি ধর্মযুদ্ধের সময় ক্যাথলিক মিলিটারির শক্তি এবং সম্পদের গোপন আস্তানা ছিল।

 

 

পরবর্তীতে গুহাটি ধর্মযাজক, পৌত্তলিক এবং গোপনীয় ধর্মীয় দল দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছিল, যারা একটি নিরাপত্তার জায়গা খুঁজছিলেন।

 

এমনকি গোপন ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো তাদের নিদর্শন তৈরি করেছিলেন।

 

 

বার্মিংহামের ফটোগ্রাফার মাইকেল স্কট সাম্প্রতিককালে গুহার ভিতরে যেতে সক্ষম হন এবং অলৌকিক স্থানের চমৎকার ছবি ধারণ করেছেন।

 

মাইকেল বলেন, ‘আপনি যদি না জানেন যে, এটি সেখানে ছিল তাহলে আপনি সরাসরি অতীতের মধ্য দিয়ে হাঁটবেন’।

 

 

এটি সম্ভবত এক মিটারের ভূগর্ভস্থ

 

এটির ভিতরে চমৎকার পরিবেশ বিদ্যমান, মনে হবে যেন একটি ভূগর্ভস্থ মন্দির।

 

বোরড পান্ডা থেকে অনুদিত।