বাংলার পথে

পদ্মা নদীর মাছ শিকারি

পদ্মা নদী কোন মিনি কক্সবাজার না। এর রূপ প্রতি ঋতুতে পরিবর্তন হয়। বাংলাদেশের সব জায়গা থেকেই পদ্মা দেখাতে বিচিত্র ও সুন্দর। তাই হা-হুতাশ না করে সময় বুঝে পদ্মা দেখতে যান।

রেনউইক যজ্ঞেশ্বর কোং

নামটার মধ্যেই একটা আভিজাত্য আছে। এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সুগার মিলের জন্য তৈরি যন্ত্রপাতির পার্টস তৈরি করে। একেবারে গড়াই নদীর তীরে এর অবস্থান।

বিলের ধারে প্যারিস নগর

দেশ ভাগের পর ভাগ্যকূলের বেশির ভাগ জমিদার দেশত্যাগ করলেও রয়ে গেলেন যদুনাথ রায়। এই মাটির প্রতি তার অন্য রকম টান ছিল। ১৯৬৫ সালের ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের পর সরকার থেকে চাপ আসে তার দেশ ত্যাগের ব্যাপারে।

হারিয়ে যাওয়া রুপলাল হাউজ

ফরাশগঞ্জ আসলে আহসান মঞ্জিলের কথা বললে সবাই এক আংগুলে দেখিয়ে দিবে। কিন্তু যদি বলেন রুপলাল হাউজটা কোথায় সে আংগুল দিয়ে মাথা চুলকাবে। হা বলছি সেই রুপলাল হাউজের সেই রুপলাল দাশ, রঘুনাথ দাশ বাবুদের কথা।

নদীর নাম সোমেশ্বরী

এত সচ্ছ নদীর পানি, এত তার রুপ, এত তারা মায়া সোমেশ্বরী নদীতে না ঘুরলে বুঝবেন না। সামনে দেখা যায় মেঘালয়া।

ইন্দ্রাকপুর কেল্লা, কাচারি, মুন্সিগঞ্জ সদর

এটি মূলত নদীপথে জলদস্যুদের প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহার করা হত। জনশ্রুতি আছে এই দূর্গ থেকে ঢাকার লালবাগ কেল্লার সুড়ঙ্গ পথে গোপন রাস্তা ছিল।

বর্ডার হাট মেলা, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার এক পা ভারতে আর এক পা বাংলাদেশে। যখন খুশি ভারত বাংলাদেশ যেতে পারছেন পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই। হ্যা এটা সম্ভব করেছে কসবা বর্ডার হাট মেলা।

গ্রামগঞ্জের খেলাধুলা

ছেলেমেয়েরা এখন ভার্চুয়াল ভিডিও গেমের নেশায় বুঁদ। তাছাড়া জনসংখ্যার বৃদ্ধির বাড়তি চাপে বিলীন হয়ে যাচ্ছে গ্রামগঞ্জের খেলার মাঠ, পতিত জমি। অথচ কী আনন্দেই না কেটেছে আমাদের শৈশব।

তিন দিনে সিলেট-সুনামগঞ্জ

শিমুলবাগানের সুশৃঙ্খল গাছের সারি আপনাকে বুঝিয়ে দিবে মানবজীবনে শৃঙ্খলতা কি! জাদুকাটার স্বচ্ছ নীলাভ জলরাশির মৃদু স্রোত, কোয়ারি লেকের স্বচ্ছ সবুজ স্থবির পানি মনোমুগ্ধকরই বটে।

টাংগুয়ার হাওরের নীল জলরাশি

টাংগুয়ার হাওড়ের অপরূপ মায়ায় হারিয়ে যাই জীবনানন্দ দাশের কবিতায়। সত্যিই এই বাংলার এত রূপ। তাই কবির মত বার বার ফিরে আসিতে ইচ্ছে করে এই বাংলার বুকে।

গজনীর অবকাশ কেন্দ্র

ঝিনাইগাতির সমৃদ্ধ এবং আকর্ষণীয় এলাকাটি হচ্ছে গজনী। জীবনধারার বৈচিত্র্য এবং প্রকৃতির ঐশ্বর্যের অফুরান এই এলাকাটিকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তাইতো চলার গতি যেদিকেই থাকুক না কেন, পিছু ছাড়ে না।

বেসক্যাম্প চকরিয়া! (শেষ পর্ব)

লামা থেকে মানিকপুর ট্রলারে করে যাওয়া যায়। এটা সবচেয়ে মজার এবং দারুণ রোমাঞ্চপূর্ণ যাত্রা। সময় লাগবে ১-১.৩০ ঘন্টা। আজীবন মনে থাকবে এই জার্নি।

বেসক্যাম্প চকরিয়া!

চকরিয়া এমন একটি জায়গা যেখান থেকে আপনি কম পক্ষে হলেও দেড় ডজন স্থান স্বল্প সময়ে ঘুরতে পারবেন। আমি খুব সংক্ষেপে লিখবো এই জায়গা গুলো সম্পর্কে।

একদিনে চাঁদপুর

আপনাকে যেতে হবে চাঁদপুরের সবচেয়ে সুন্দর যায়গা তিন নদীর মোহনা পার হয়ে নদীর চরে। চরটা একদম সমুদ্র সৈকতের মতই, সৈকতে ভ্রমণের অনুভূতিই পাওয়া যায়। আর নৌকা ভ্রমণটা মনে রাখবার মত, ভাল লাগা নিশ্চিত।

আলোচিত পোস্ট


বিচিত্র যত গুল্ম (পর্ব-২)
কেরালা-এক ভিন্ন ভারতের গল্প