বাংলার পথে

মুগ্ধতার লেক মাধবপুর

অসংখ্য পাহাড়সারির মধ্যে স্ফটিকস্বচ্ছ নীল জল দৃষ্টির পরিধি নিয়ে গেল অনেক দূর। শান্তস্নিগ্ধ দুপুরে পাখপাখালির কিচিরমিচির নীরবতার মধ্যে সুরের আল্পনা এঁকে দিচ্ছিল।

উদ্দেশ্যহীন যাত্রা।।  পর্ব -১

এখানে মানকালির কুন্ড,জিয়ৎ কুন্ড,পরশুরাম প্রাসাদ,গোবিন্দ ভিটা,মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর পায়ে হেটে হেটে দেখতে পারলেই এসব জায়গার ইতিহাস অন্তরে গেথে নিয়ে ফিরে আসা যাবে। 

ছতরপুরের শাপলাবিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে আখাউড়া উপজেলায় ছতরপুরে রয়েছে ‘শাপলাবিল’।

কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকত...

কুতুবদিয়ার সমুদ্র সৈকত উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ। বেশিরভাগ এলাকাই বেশ নির্জন। পর্যটকের আনাগোনা নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে শুধু আছে জেলেদের কর্মব্যস্ততা।

বোথড়েঁর চড়ক মেলা

চড়ক হলো চৈত্র সংক্রান্তি প্রধান উৎসব। পিঠে বড়শি বিঁধে চড়কিতে ঘুরে সন্ন্যাসীরা বছরকে বিদায় জানান অশুভকে দূরে ঠেলে। গ্রামীণ জনপদে চড়কের সরব উপস্থিতি এখনো হরদম দেখা যায়। আজ আমি অপানাদের শুনাবো তেমনই এক চড়ক মাঠের কথা।

ঘুরে আসুন মিনি কক্সবাজার খ্যাত মৈনট ঘাট থেকে!

যতদূর চোখ যায় দেখবেন পদ্মার অপরূপ জলরাশির সৌন্দর্য, কিছুক্ষণের জন্য হলেও মনে হবে আপনি সমুদ্র সৈকতে আছেন একারনে যায়গাটা মিনি কক্সবাজার নামে খ্যাত

চর আলেকজান্ডার বাধ

চারদিকে নীল পানির রাশি, ছোট ছোট ঢেউ এসে ধাক্কা দিচ্ছে পারে। মেঘনা নদীর এই অপরূপ রূপ বিমোহিত করেছিল

দিনব্যাপী আড়িয়াল বিলে ঘুরাঘুরি

আড়িয়াল বিল নামটার প্রতি কেন যেন একটা টান কাজ করতো। ইচ্ছে ছিল বিলের মধ্যে গিয়ে নৌকার ইন্জিন বন্ধ করে পাখিদের ডাক শুনবো আর বাতাসে গা জুড়াবো।

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র

মীর মশাররফ হোসেন উনিশ মতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক। তাঁর প্রথম জীবনীকার ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় তাঁকে বাংলা সাহিত্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংগে তুলনা করেছেন।

নিঝুম দ্বীপের, নিঝুম অরণ্যে

‘নিঝুম দ্বীপ’ আপনাকে এনে দেবে পূর্ণতা। যেখানে পাশে ও সঙ্গে থাকবে সীমাহীন জলরাশি, উড়ে যাওয়া গাংচিল, চিরসবুজ গ্রামের যাপিত জীবন, জেলেদের জলের আবাস।

ট্রিপ 2 টাঙ্গাইল(আতিয়া মসজিদ)

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রিত১০ (দশ) টাকা মূল্যমানের নোটের একপার্শ্বে আতিয়া মসজিদের ছবি রয়েছে।

আকাশ জোনাকির নীড়ে

টাঙ্গুয়ার নীলে, নিরালায়, নিভৃত্যে, নয়নকাড়া সৌন্দর্যে ডুবে যেতে সফল হয়েছি। যদি সুযোগ আসে আবারও, মন্দ ললাটকে পরাজিত করে, ছুটে যাবো ভীষণ নীলে স্বপ্নভরা দুচোখ মেলে তাকাতে, অজস্র আকাশ জোনাকিদের নীড়ে হারাতে

কোরাল ভিউ রিসোর্ট, সেন্ট মারটিন।।

সামনে একটি সবুজ লন আছে যা পার হলেই সমুদ্র। সন্ধ্যার পর মিউজিক সিস্টেম আছে সাথে আরও আছে ফানুশ উড়ানোর ব্যবস্থা। নিরিবিলিতে পরিবার নিয়ে বেড়ানেোর জন্য পারফেক্ট প্লেস।।

ফাতরার বন

সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় এই বন।

আলোচিত পোস্ট


বিশ্বের কিছু অদ্ভুত জাদুঘর

বিশ্বের কিছু অদ্ভুত জাদুঘর

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮

কাজিরাঙ্গার অপার্থিব ভোর

কাজিরাঙ্গার অপার্থিব ভোর

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮

নান্দনিক মাটির ঘর

নান্দনিক মাটির ঘর

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮

মেরুজ্যোতির আলোয় স্নান

মেরুজ্যোতির আলোয় স্নান

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮

মুসৌরির ধবল দিনরাত্রি

মুসৌরির ধবল দিনরাত্রি

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮

বাল্টিকের দেশগুলো (পূর্ব ইউরোপ)

বাল্টিকের দেশগুলো (পূর্ব ইউরোপ)

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮

আজকের ছবি-১৯-০২-১৮

আজকের ছবি-১৯-০২-১৮

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০১৮