বাংলার পথে

নিঝুম দ্বীপের সারাবেলা

দিনের আলো নিভে আসার সাথে সাথে রাস্তা থেকে একটু দূরে হরিণ এর আনাগোনা বাড়তে থাকে। আমরা যখন দূর থেকে লাইট এর আলো ফেলি শত শত হরিণ এর চোখ জ্বলে ওঠে। ওরা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। তাদের চাইতে দ্বিগুন অবাক আমরা হয়ে যাই । মৃদু বাতাসে অন্ধকারে লাইট দিয়ে হরিণ দেখার যে অনুভূতি, তা বোঝানোর মত না।

একদিনে ঘুরে দেখুন রাঙামাটি

মাত্র ৬০০-৭০০ টাকা বাজেটে একদিনে ঘুরে দেখতে পারেন রাঙামাটির সব দর্শনীয় স্থান।

নাগরিক বৈশাখ: ঢাকায় বর্ষবরণ উৎসব

দেখে নিন এই বৈশাখে ঢাকার কোথায় কোথায় ঘুরতে পারেন

অর্জুনার বটতলায় গ্রামবাংলার বৈশাখী মেলা

থাকবে মংগল শোভাযাত্রা, বেহুলার ভাসান, লাঠি বাড়ি খেলা, ফানুস উড়ানো, গ্রামীণ খেলাধুলা।

ঘষেটি বেগমের মোতিঝিল

তিনি তার স্ত্রী মেহেরুননেসা’র (ঘষেটি বেগম) বসবাসের জন্য অপূর্ব সুন্দর একটি ত্রিতল প্রাসাদ নির্মাণ করেন। অশ্বক্ষুরাকৃতি ঝিল দিয়ে প্রাসাদটি ঘেরা ছিল। নাম ছিল “সাংহী দালান”। সেই ঝিলে মোতির চাষ করা হতো।

কলু পরিবারঃ ঘানি ভাঙ্গা তেলের উপাখ্যান

জেমস ওয়াইজ তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেনঃ ১৮৭২ সনে বঙ্গদেশে তেলি তিলি ও কলুদের মিলিয়ে তৈল উৎপাদনকারী জাতের সংখ্যা হবে ৫৭২৬৫৯ জন। আর শুধু ঢাকা শহরে তেলি পাঁচ জন কলু ৫৫৫ জন ও তিলি ১৩১৫০ জন।

পানিতে টইটুম্বুর হালতি বিল

নাটোরের চলনবিলের মধ্যেস্থ কয়েকটি ছোট ছোট বিল আছে।এগুলো হচ্ছে, হালতিবিল, বড়বিল, খলিশা গাড়ী বিল, ধনাইর বিল, ছয় আনি বিল, বাইডার বিল, সাধুগাড়ী বিল, মহিষা হালট। আর ও ১৮টা খাল আছে যাহা চলনবিলের অংশ।

একদিনে চাঁদপুরের ঐতিহ্য দর্শন

এই প্ল্যানে আপনি যা দেখবেন- রূপসা জমিদার বাড়ি, শোল্লা রাজবাড়ি, লোহাগড়া মঠ, বড়কূল জমিদার বাড়ি, বলাখাল জমিদার বাড়ি।  সঙ্গে শহরের তিন নদীর মোহনা ও হাজীগঞ্জ বড় জামে মসজিদ ও লঞ্চ ভ্রমণ ফ্রি।

পদব্রজে ঢাকা- 'ঢাকা ওয়াক'

প্রাক্তন সিনেমার কথা মনে আছে? ওইযে ট্যুর গাইড প্রসেনজিত একদল নারী পুরুষ নিয়ে কোলকাতার অলিগলিতে হেটেহেটে কোলকাতা চেনায়, কোলকাতার ঐতিহ্য শোনায়? তা কলকাতার মত অত পুরনো না হলেও ঢাকার ঐতিহ্য ও কিছু কম নয়, আর হেটে হেটে দেখার জায়গাও ঢাকায় কম নয়।

দারস বাড়ী মসজিদ

বাংলাদেশের উত্তরের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ ও ভারত-বাংলাদেশ চেকপোস্টের মাঝামাঝি দারস বাড়ী মসজিদের অবস্থান।

হাটিকুমরুল নবরত্ন মন্দির

হাটিকুমরুলের নবরত্ন মন্দির দেশের সর্ববৃহৎ নবরত্ন মন্দির। এই মন্দিরে কোন শিলালিপি পাওয়া যায় নেই। তবে ধরা হয় অনুমানিক ১৭ শতকে নবাব মুর্শিদকুলির আমলে মন্দিরটি তৈরি হয়। দেখতে অনেকটা দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দিরের মত।

কম খরচে ঘুরে আসুন পদ্মা-মেঘনার মোহনায়

চর তো না যেন সমুদ্র সৈকত, যারা কক্সবাজার বা কুয়াকাটা যাননি তারা এটাকে সমুদ্র সৈকত ভেবে ভুল করতেই পারেন।

দিবর দীঘি এবং তার রহস্যে মোড়া স্তম্ভ

স্তম্ভটির নিম্নদেশ খুবই দক্ষতার সাথে বিজ্ঞানসম্মত ভাবে তৈরি এবং স্থাপন করা হয়েছিল বলে এত শতাব্দী পরেও তা বিন্দুমাত্র হেলেনি এবং বরাবরের মত ঋজু অবস্থায়ই জলাশয়ের মাঝে দন্ডায়মান। ।

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান চিনিকলে বেড়িয়ে আসতে পারেন

৮০ বছর আগে ১৯৩৮ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি ব্রিটিশ নাগরিক কেরু ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেন। সেইসময় এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে একটি চিনি কারখানা, একটি ডিষ্টিলারী ইউনিট এবং একটি ঔষুধ কারখানার যাত্রা শুরু হয়।

আলোচিত পোস্ট


অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৬
অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৫
অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

শনিবার, আগস্ট ১১, ২০১৮