বাংলার পথে

আতিয়া মসজিদ , দেলদুয়ার , টাংগাইল

টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলায়, এই মসজিদটির প্রধান কক্ষের উপরে একটি গম্বুজ এবং বারান্দার উপর ছোট তিনটি গম্বুজ রয়েছে।

হাম হামের পথে

সবুজ প্রকৃতির মায়াবি রূপের কারণে শ্রীমঙ্গলের রয়েছে আলাদা পরিচিতি। এই বর্ষায় যেন রুপের ছড়া নিয়ে বসে আছে শ্রীমংগল। চারদিকে সবুজ আর সবুজ।

ঘরের পাশে আরশি নগর

যখন ছোট ছিলাম পদ্মার বিশালতা দেখতাম এখন দেখি পদ্মার বুকে চর পড়ার খেলা। চর অঞ্চল গুলো দেখতে সুন্দর হলেও এই গুলা যে নদী কে গ্রাস করে ফেলছে দিন দিন। আর এখানেই যেন বাস বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত কিছু মানুষের।

প্রিয় ভ্রমণসঙ্গী ও পুরানো ঢাকা (দুই-তৃতীয়াংশ)

১৮১৮ সালে জন্ম নেয়া আমিরউদ্দিন ঢাকার একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি ছিলেন। শেষ জীবনে জমিদারী কিনলেও প্রথমে তিনি ইংরেজ সরকারের দারোগা ছিলেন এবং অর্থ উপার্জন করেছিলেন প্রচুর। সুদৃশ্য এক মসজিদ স্থাপন করেছিলেন তিনি বাবুবাজারে।

ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়ী

ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ, তিনি একাধারে সাহিত্যিক, গবেষক, ভাষাবিদ ও ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক হিসেবে সমাধিক পরিচিত ছিলেন।

হাকালুকি হাওর

জল আকাশ প্রকৃতির এক অদ্ভূত সেতু বন্ধন এই হাকালুকি হাওর। যেখান মানব এসে থেমে যায় প্রকৃতির সুধা পান করিতে। 

ক্বীন ব্রীজঃ সিলেটে শহরের প্রবেশদ্বার

১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর বোমার আঘাতে ব্রীজটির ব্যাপক ক্ষতি সাধন হলেও স্বাধীনতার পর ব্রীজটি কাঠ ও বেইলী পার্টস দিয়ে মেরামত করা হয়।

ছবিতে গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত

ঢাকা থেকে যে কোন চট্টগ্রামগামী বাসে উঠে সীতাকুন্ড নামতে হবে। সীতাকুন্ড বাজার থেকে সিনজি তে করে পশ্চিমে ৩ কিমি দূরে, ৩০০ টাকা ভাড়া পড়বে রিজার্ভ করলে। মুরাদপুর সি বিচ বললেই হবে

মহেড়া জমিদার বাড়ি ও তাঁর গল্প

টাঙ্গাইলের বেশ কয়েকটি জমিদার বাড়ির মধ্যে মহেড়া জমিদার বাড়ি অন্যতম।

বাংলাদেশের শেষ বাড়ী

এই বাড়ীর কাছে গিয়ে নিবিড় ভাবে উপভোগ করতে পারবেন মেঘালয়ের পাহাড়গুলো আর জৈন্তা ঝর্না।

ঢাকা-কুয়াকাটা-ঢাকা ট্যুর!

পুরো ট্যুরটাই অসাধারন ছিলো!

বরিশাল এর লঞ্চে পূর্নিমার আলোতে জোৎস্না দেখা !!!

চারিদিকে পানি আর পানি এই পূর্নিমার আলো তে জীবন ধারনের জন্য জেলে গুলো মাছ ধরছিল , তখন মনে হচ্ছিল আমার কাছে এই পূর্নিমা শুধূ আনন্দের আর ওদের জন্য এর সৌন্দর্য সম্পূর্ন অর্থহীন

প্রিয় ভ্রমণসঙ্গী ও পুরানো ঢাকা (এক-তৃতীয়াংশ)

ওই বছরই মহারানী ভিক্টোরিয়া ভারতের শাসনভার নিজের হাতে তুলে নেয়। তার এই শাসন ভার গ্রহনের ঘোষনাপত্র ঢাকাবাসীর জন্য আন্টাঘর ময়দান থেকে পাঠ করে শোনানো হয়। আর তার সম্মানার্থে জায়গাটার নাম বদলে রাখা হয় “ভিক্টোরিয়া পার্ক”। 

মহামায়ার টানে

সামনে দুটি পাহাড় দুদিক দিয়ে এসে মিলিত হয়েছে। বোট সেদিকে যাচ্ছে দেখে ভাবলাম, এখানেই মনে হয় নামতে হবে। তবে কাছে যাওয়ার পর দেখলাম দুই পাহাড়ের মধ্যে করিডরের মতো পথ আছে

বাংলার প্রথম মহিলা নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর বাড়িতে

রক্ষণশীল সমাজের অন্তঃপুরবাসিনী এই নারী নিজের চেষ্টায় জ্ঞান অর্জন করেছিলেন তেমনি নিজেকে বিদ্বৎ সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। শিক্ষা, সমাজ-কল্যাণ ও সেবায় তিনি যে উদাহরণ রেখে গেছেন তার তুলনা হয় না

আলোচিত পোস্ট


ভ্রমণে যখন নারী একা

ভ্রমণে যখন নারী একা

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

আজকের ছবি-২৪-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৪-০৯-১৭

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আকাশ জোনাকির নীড়ে

আকাশ জোনাকির নীড়ে

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭