বাংলার পথে

মুন্সিগন্জ:-বাবা আদমের মসজিদ...

বাবা আদম মসজিদ বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ, যা পঞ্চদশ শতাব্দীতে নির্মিত

পাতরাইল মসজিদ

প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী আউলিয়া খান জামে মসজিদ যা ১৩৯৩ হতে ১৪১০ খ্রিঃ মধ্যে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ নির্মাণ করেন বলে ধারণা করা হয়।

মহেড়া জমিদার বাড়ি

পুরান বাড়ি আমরা ঘুরতে যাই কিন্তু এর পিছনের ইতিহাস নিয়ে আমরা কত জন ঘাটাঘাটি করি। মহেড়ার জমিদাররা ছিল শাহা বংশের। বংশীয় ভাবে বনেদী ব্যবসায়ী

রাণী ময়নামতির প্রাসাদ

একটি বৌদ্দ মন্দিরের ৪টি নির্মাণ যুগের স্থাপত্য কাঠামো উন্মোচিত হয়। খননের সময় এখান থেকে বেশ কিছু পোড়ামাটির ফলক ও অলংকৃত ইট আবিষ্কৃত হয়েছে।

তিন নদীর মিলনমেলায়

শীতের সকালের কাঁচা সোনা রোদ গায়ে মেখে আমাদের বাহন ছুটে চলেছে খরস্রোতা পাহাড়ি নদীর দেশ জকিগঞ্জের উদ্দেশে। এক পাশে সমতল ভূমিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো সুপারি বাগান, অন্য পাশে স্রোতস্বিনী সুরমা

ষাইট্টার ৫০০ বছরের পুরানো বট গাছ...

বটগাছটি রহস্যেঘেরা। কয়েক বছর আগে গ্রামের কানু মিয়া নামে এক ব্যক্তি এ গাছের ডাল কাটার পর অসুস্থ হয়ে মারা যান। অনেকে বলছেন রাতের আঁধারে গাছটির ডালপালায় কয়েকশ শিশু নাচগান করে

মুহুরী প্রজেক্টের মুগ্ধতায়

মুহুরী প্রজেক্ট দেখতে অনেকটা লেকের মতোই। এখানে পর্যটকদের জন্য বাহারি সব নৌকায় নৌবিহারের সুযোগ রয়েছে। পর্যটকদের অনেককেই নৌকায় করে ঘুরে বেড়াতে দেখলাম।

বন পাহাড়ের বুবারথল

পথের ধারে দেখা মেলে নানা জাতের বুনো ফুলের। হঠাৎ টকটকে লাল এক জাতের ফুলে চোখ আটকে যায়। লতাপাতার ঘন বুনোট ভেদ করে ফুলটি চোখে পড়েছে। সৌরভ জানাল এটা অশোক ফুল।

পানাম নগর

পানাম নগরের আশে পাশে আরো কিছু স্থাপনা আছে যেমন- ছোট সর্দার বাড়ি, ঈশা খাঁর তোরণ, নীলকুঠি, বণিক বসতি, ঠাকুর বাড়ি, পানাম নগর সেতু ইত্যাদি। এখানে আরো আছে চমৎকার একটি লোকশিল্প যাদুঘর।

মাত্র ৩০০ টাকাতেই ঘুরে আসতে পারেন মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি।

এই জমিদার বাড়ীতে রয়েছে কাছারিঘর, অতিথিশালা, নাচঘর, পুজা মণ্ডপ, বৈঠকখানা, ভাঁড়ার সহ বিভিন্নভাগে ভাগ করা অংশ।

বাংলার প্রথম রাজধানী সোনারগাঁ

ঢাকার খুব কাছে পুরাণ ঐতিহ্য ভরপুর একটি স্থান যেখানে গেলে ক্ষনিকের জন্য হলেও প্রশান্তি মিলবে। 

বাংলাদেশের সবচেয়ে নান্দনিক এক মসজিদ

সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে মসজিদের পিছনের সাইডটা। অসাধারণ এক পরিবেশ। হেলি প্যাডের ও ব্যবস্থা আছে।

বিরুপাক্ষ,চন্দ্রনাথ পাহাড়

অনন্য সুন্দর চন্দ্রনাথ পাহাড়েই অবস্থিত চন্দ্রনাথ মন্দির যাহা সনাতন ধর্মালম্বীদের পবিত্র তীর্থ স্থান

ভিমরুলীর ভাসমান পেয়ারা বাজার...

সবচেয়ে আকর্ষনীয় যে জিনিষটি অনেক দিন মনে থাকবে তা হল ফ্লোটিং মার্কেট বা ভাসমান বাজার! পানিপ্রধান অঞ্চল বলে স্বভাবতই এখানকার জীবনযাত্রায় নৌকার ভুমিকা খুব বেশী

গোমতী নদীর পাড়ে!

এটি আঁকাবাঁকা প্রবাহপথে কুমিল্লা শহরের উত্তর প্রান্ত এবং ময়নামতির পূর্ব প্রান্ত অতিক্রম করে দাউদকান্দিতে মেঘনা নদীতে মোট ৯৫ কিমি সর্পিল পথ পাড়ি দিয়ে মিলিত হয়েছে।

আলোচিত পোস্ট