বাংলার পথে

সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র সোনার চর

সমুদ্রের গাড় নীল জলরাশি আর সবুজ প্রকৃতির এমন মিলন হয়তো আর কোথাও পাওয়া যাবে না। বাহির থেকে আসা বেশিরভাগ পর্যটকই এ জেলার পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় ঘুরে চলে যান। কিন্তু সোনার চর, রূপার চর, তুফানিয়ার চর, জাহাজমার চর ও চরহেয়ারসহ সমুদ্র ফুড়ে জেগে ওঠা সবুজ বনাঞ্চলের সন্ধান জানেন না অনেকেই

তিতাস একটি নদীর নাম

"তিতাস একটি নদীর নাম। কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতের চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না

এইসব দিনরাত্রি.... টাঙ্গুয়ার হাওর, টাইমলাইন ৩-৭-১৫....

 নৌকা বাতাসে দুলছে, প্রচন্ড বাতাস, খুব শান্তি শান্তি ফিলিংস তার মধ্যে আমাদের খিচুরী চলে এসছে উইদ ডাল এন্ড ডিম ভাজা, আহ পৃথিবীর সব সুখ তখন আমাদের!!.

এবারের ভ্রমণ বাংলার পথেঃ  সেন্টমার্টিন ।।(ভিডিও)

আল্লাহ্‌র সৃষ্টি এই দুনিয়া দেখতে অনেক দেশেই ঘুরে বেড়ানোর চেষ্টা করি কিন্তু নিজের দেশের সৌন্দর্য্য উপভোগের ফিলিংস যে কতই আনন্দের তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

চণ্ডীমুড়াঃ শালবন বিহারের চেয়েও প্রাচীন যেই মন্দির

কার্তিক মাসের কালীপূজার সময় দেওয়ানি উৎসব, পৌষ-মাঘ মাসে গীতা সম্মেলন এবং ফালগুন-চৈত্র মাসে বাসন্তী মহাঅষ্টমী। আশ্রমের লোকজনসহ আগত ভক্তবৃন্দের বিশ্বাস মা চণ্ডী দেবীর কৃপা থেকে কেউ খালি হাতে ফেরে না।

ঢাকার আশেপাশে চমৎকার একটি ডে ট্যুর।

জজবাড়ী যেটি শতবছর আগের রাজবাড়ী। সেই রাজবাড়ীর পাশ দিয়ে সরু রাস্তা দিয়ে ঢুকে পড়লাম নদীর পাড়ের দিক। সেখানে যেতেই দেখতে পেলাম বেশ কিছু বড় বড় পুরাণ জমিদার বাড়ী আর চারিদিকে বড় বড় গাছের মাঝে বিশাল মাঠ

ভূতনাথের মেলাতে (শেষ)

প্রাচীন বাংলার সেই সময়টুকু ভীষণ ভাবে উপভোগ করলাম আমরা, সেই সাথে আরেকবার নতুন করে উপলব্ধি হল যে বাংলার মানুষ এমনই, সকল ধর্মের সকল জাতের মানুষ একসাথে মিলেমিশেই থাকবে।

ভূতনাথের মেলাতে

বাসের রাস্তার পাশেই বিস্তীর্ণ মাঠ, অন্যদিকে ফসলের ভূমি, মেঠো পথে খানিকটা হাঁটতেই মেলা শুরু, তারও ঢের আগে থেকে মেলাই আগত মানুষের লাইন

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে - শেষ

অনেক অনেক ফুলের ছড়াছড়ি, তার মাঝে একটা দেখে আরণ্যকের লাইন গুলো মাথায় এল- বেগুনি রঙের জংলী ফুলগুলিই আমার কানে শুনাইয়া দিল বসন্তের আগমনবাণী

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে - ২

পিচ ঢালা রাস্তা, গাঁও-গেরামেও পৌঁছে গেছে, সেটা দিয়েই দেখা হল এক জীবন্ত ইতিহাসের সাথে। তার দর্শনে নেমে পড়লাম, অতি চমৎকার ছমছমে গুঁড়ির অধিকারী এক তেঁতুল গাছ, তার বয়স নাকি ৬০০ বছরের মত,

মেঘনা ডাকাতিয়া'র মোহনায়

পড়ন্ত বিকেলে বিশাল পদ্মার বুকে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখলে মনে হবে আপনি যেন কোনো সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে। পেছনে প্রাচীন হাট, পুরান বাজার রেখে ডাকাতিয়া নদীর ঘাটে দাঁড়িয়ে সামনে তাকিয়ে যখন দেখবেন দূর থেকে বড় বড়নৌকা এবং লঞ্চ ভেসে আসছে তখন মনে হতেও পারে চাঁদ সওদাগর যেন সওদা করতে আসছে এই প্রাচীন জনপদে।

পাহাড়ি বাংলায়

বিশ্ব চরাচর ডুবে গেছে নির্জনতার মাঝে, জানালা দিয়ে রূপোলী সাঙ্গু নদী দেখা যায়, কাছে গেলে তাঁর কুলু কুলু অস্তিত্বও টের পেতে পারি, পারি তাঁর শরীর ভর্তি স্নিগ্ধতার পরশ পেতে

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে -১

নাচোল অঞ্চলের গোসাইপুরে প্রায় একশ বিঘা জমির উপরে তোজাম ভাইয়ের বাবা একটা পরিবেশবান্ধব রিসোর্ট করছেন, কাজ এখনও চলবে বেশ কিছু দিন, যদিও পিকনিক পার্টির আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে, সেটা দেখার সাথে সাথে গ্রামবাংলা উপভোগের সুযোগ আসে ষোলআনায়। তাই-ই আজকের ভ্রমণ সেইদিকে।

পিছন ফিরে দেখা - টাঙ্গুয়ার হাওর

মানুষের রসনা তৃপ্ত করতে করতে এদের অস্তিত্ব ধ্বংস প্রায়,বাংলার এইসব নির্জন বিরান প্রান্তরেই আজ তাদের আস্তানা।

হিমছড়ি’র ভয়ংকর - শেষ

যতই উপরে উঠবেন প্রকৃতির সৌন্দর্য ততই আপনার সামনে প্রস্ফুটিত হবে। পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা বসার জায়গাগুলো অসাধারণ। এর ভিতরে বসে চারপাশের দৃশ্য দেখতে দারুণ লাগে।

আলোচিত পোস্ট


শতবর্ষ আগের ময়মনসিংহের পশু-পাখি

শতবর্ষ আগের ময়মনসিংহের পশু-পাখি

শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৮

গজনীর অবকাশ কেন্দ্র

গজনীর অবকাশ কেন্দ্র

শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৮

আজকের ছবি-১৭-০২-১৮

আজকের ছবি-১৭-০২-১৮

শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৮

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু জলপ্রপাত (পর্ব-২)

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু জলপ্রপাত (পর্ব-২)

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৮

বেসক্যাম্প চকরিয়া! (শেষ পর্ব)

বেসক্যাম্প চকরিয়া! (শেষ পর্ব)

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৮