বাংলার পথে

ভূতনাথের মেলাতে (শেষ)

প্রাচীন বাংলার সেই সময়টুকু ভীষণ ভাবে উপভোগ করলাম আমরা, সেই সাথে আরেকবার নতুন করে উপলব্ধি হল যে বাংলার মানুষ এমনই, সকল ধর্মের সকল জাতের মানুষ একসাথে মিলেমিশেই থাকবে।

ভূতনাথের মেলাতে

বাসের রাস্তার পাশেই বিস্তীর্ণ মাঠ, অন্যদিকে ফসলের ভূমি, মেঠো পথে খানিকটা হাঁটতেই মেলা শুরু, তারও ঢের আগে থেকে মেলাই আগত মানুষের লাইন

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে - শেষ

অনেক অনেক ফুলের ছড়াছড়ি, তার মাঝে একটা দেখে আরণ্যকের লাইন গুলো মাথায় এল- বেগুনি রঙের জংলী ফুলগুলিই আমার কানে শুনাইয়া দিল বসন্তের আগমনবাণী

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে - ২

পিচ ঢালা রাস্তা, গাঁও-গেরামেও পৌঁছে গেছে, সেটা দিয়েই দেখা হল এক জীবন্ত ইতিহাসের সাথে। তার দর্শনে নেমে পড়লাম, অতি চমৎকার ছমছমে গুঁড়ির অধিকারী এক তেঁতুল গাছ, তার বয়স নাকি ৬০০ বছরের মত,

মেঘনা ডাকাতিয়া'র মোহনায়

পড়ন্ত বিকেলে বিশাল পদ্মার বুকে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখলে মনে হবে আপনি যেন কোনো সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে। পেছনে প্রাচীন হাট, পুরান বাজার রেখে ডাকাতিয়া নদীর ঘাটে দাঁড়িয়ে সামনে তাকিয়ে যখন দেখবেন দূর থেকে বড় বড়নৌকা এবং লঞ্চ ভেসে আসছে তখন মনে হতেও পারে চাঁদ সওদাগর যেন সওদা করতে আসছে এই প্রাচীন জনপদে।

পাহাড়ি বাংলায়

বিশ্ব চরাচর ডুবে গেছে নির্জনতার মাঝে, জানালা দিয়ে রূপোলী সাঙ্গু নদী দেখা যায়, কাছে গেলে তাঁর কুলু কুলু অস্তিত্বও টের পেতে পারি, পারি তাঁর শরীর ভর্তি স্নিগ্ধতার পরশ পেতে

সত্যিকারের বরেন্দ্রভূমিতে -১

নাচোল অঞ্চলের গোসাইপুরে প্রায় একশ বিঘা জমির উপরে তোজাম ভাইয়ের বাবা একটা পরিবেশবান্ধব রিসোর্ট করছেন, কাজ এখনও চলবে বেশ কিছু দিন, যদিও পিকনিক পার্টির আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে, সেটা দেখার সাথে সাথে গ্রামবাংলা উপভোগের সুযোগ আসে ষোলআনায়। তাই-ই আজকের ভ্রমণ সেইদিকে।

পিছন ফিরে দেখা - টাঙ্গুয়ার হাওর

মানুষের রসনা তৃপ্ত করতে করতে এদের অস্তিত্ব ধ্বংস প্রায়,বাংলার এইসব নির্জন বিরান প্রান্তরেই আজ তাদের আস্তানা।

হিমছড়ি’র ভয়ংকর - শেষ

যতই উপরে উঠবেন প্রকৃতির সৌন্দর্য ততই আপনার সামনে প্রস্ফুটিত হবে। পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা বসার জায়গাগুলো অসাধারণ। এর ভিতরে বসে চারপাশের দৃশ্য দেখতে দারুণ লাগে।

হিমছড়ি’র ভয়ংকর

আমার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের সবথেকে সুন্দর রাস্তা হচ্ছে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক। একপাশে সমুদ্র এবং অন্যপাশে পাহাড় বেষ্টিত এই রাস্তায় ভ্রমণের অনুভূতি একদমই স্বর্গীয়

ঈসা খাঁ’র স্মৃতি বিজড়িত জঙ্গলবাড়িতে -২

দুর্গটি সংস্কার করে তিনি এর তিন দিকে পরিখা খনন করে নরসুন্দা নদীর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে জঙ্গলবাড়িকে একটি গোলাকার দ্বীপের মত করে গড়ে তোলেন

ঈসা খাঁ’র স্মৃতি বিজড়িত জঙ্গলবাড়িতে -১

ঈসা খানের জীবদ্দশায় মুঘল সম্রাট আকবর পূর্ব বাংলার ভাটি অঞ্চলে তাঁর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারেন নি। এ সময়ে ঈসা খান ভাটির বিশাল অংশে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে সে অঞ্চলকে একটি স্বাধীন রাজ্যে পরিণত করেন

ভাষাসৈনিক ডা. সাঈদ হায়দারের স্মৃতিচারণায় ১৯৫২র ফেব্রুয়ারী

বর্তমান শহীদ মিনারের নকশা নিয়ে হায়দার দাদু খুব একটা সন্তুষ্ট নন, কারণ মূল নকশার অনেক কিছুই এখনো অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।

স্বর্ণদ্বীপে অভিযান

পূর্ণিমার চাঁদটারে এতো সুন্দর লাগছে কেনো বুঝলাম না...চন্দ্রগ্রস্ত বলে একটা ব্যাপার আছে...আমরা তখন খুব সম্ভবত এটাতে আক্রান্ত ছিলাম...সবকিছু কেমন নেশা নেশা টাইপ! 

আলোচিত পোস্ট


ঢাকার মগারা...!(তাজমহল ভ্রমণ)

ঢাকার মগারা...!(তাজমহল ভ্রমণ)

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৭

মরক্কোতে ভুরিভোজ

মরক্কোতে ভুরিভোজ

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৭

আজকের ছবি-২৩-১১-১৭

আজকের ছবি-২৩-১১-১৭

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৭