দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে জমিদার বাড়ী। আগের দিনের মানুষরা আধুনিক যুগের মানুষ থেকেও যে সৌখিন ছিল তাদের তৈরি স্থাপনা দেখলে বুঝা যায়। প্রতিটি স্থাপনায় ফুটে উঠেছে রুচিশীলতার পরিচয়। অন্যদেশে যা সংরক্ষণ করা হয় আমাদের দেশে তাই মাটির সাথে মিশিয়ে ফেলা হত। এমনই এক জীর্ণ দশার জমিদার বাড়ী দেখতে গিয়েছিলাম লক্ষীপুর। বাড়ীর নাম কামানখোলা। নামেই আর্কষণ। এর পাশেই আছে দালাল বাজার জমিদার বাড়ী। জেলা ভিত্তিক যারা ঘুরতে পছন্দ করে লক্ষীপুর হতে পারে নতুন ডেস্টিনেশন।   

এই জমিদার বাড়ীগুলা ছাড়াও ঘুরতে পারেন জ্বীনের মসজিদ, তিতাখান মসজিদ সহ চর আলেকজান্ডার।

"দালাল বাজারের কাছেই কামান খোলা জমিদার বাড়ী। জমিদার রাজেন্দ্র নাথ দাস পুত্র ক্ষেত্রনাথ দাস ও পৌত্র যদুনাথ দাস এবং যদুনাথ দাসের পৌষ্যপুত্র হরেন্দ্র নারায়ন দাস চৌধুরী পর্যায়ক্রমে জমিদারী করেন। রায়পুর উপজেলায় তাদের জমিদারী ছিল। দালাল বাজারের জমিদারদের সাথে শখ্যতা থাকায় এ জমিদারের বাড়ীর নিকটবর্তী কামান খোলায় ভূ-সম্পত্তি ক্রয় করে জমিদারী আবাস গড়ে তোলেন। বাড়ীর সদর দরজায় খালের পাড়ের জল টংগী, লাঠিয়াল ও রক্ষী বাহিনীর আবাস, সামনে দ্বিতল লম্বা বিরাটাকারের পুজা মন্ডপ। সুরক্ষিত প্রবেশদ্বার পেরিয়ে ভেতর বাড়ীতে অপূর্ব সৌন্দর্যের রাজ প্রাসাদ। বাড়ীর অভ্যন্তরে ভূগর্ভস্থ নৃত্য ও সালিশী কক্ষ তথা ‘আঁধার মানিক’ নামে খ্যাতে কক্ষ নিয়ে নানা মুখরোচক কাহিনী রয়েছে। হাতিমারা গেছে কিন্তু সে হাতির হাড় আছে। আছে লক্ষ্মী নারায়ন দেব বিগ্রহ।" [ সূত্র : http://www.lakshmipur.gov.bd]

কিভাবে যাওয়া যায়:
লক্ষ্মীপুর বাস ষ্টেন্ড থেকে সি এন জি যোগে যাওয়া যায়। রায়পুর বাস ষ্টেন্ড থেকে সি এন জি যোগে যাওয়া যায়।