ঈদের ছুটিতে কেউ যাবেন গ্রামের বাড়িতে। কেউবা দেশের বাড়ি। অনেকেই থেকে যাবেন ঢাকায়। যারা ঢাকায় থাকবেন তারা পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন

কাছেপিঠেই। ঘাবড়াবার কিছু নেই, দিনে গিয়ে দিনেই ফেরত আসতে পারবেন। আর সেখানে গেলেই পাবেন নির্মল বাতাস, সবুজ প্রকৃতির একটু ছোঁয়া। চমৎকার সময়ের জন্য বেছে নিতে পারেন নিচের যে কোনো একটা গন্তব্যকে।

 বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জমিদারবাড়িগুলোর একটি। ঢাকা জেলা সদর থেকে পয়ত্রিশ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত।মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। জমিদার বাড়ির পুরোটাই মনোরম পরিবেশে ঘেরা।

যেভাবে যাবেন

ঢাকার গাবতলী থেকে মানিকগঞ্জ বা সরাসরি সাটুরিয়া যাওয়ার বাস পাওয়া যাবে। জন প্রতি ভাড়া পড়বে ৬০-৭০ টাকা। সাটুরিয়া পৌঁছে সেখান থেকে রিকশা বা লোকাল সিএনজিতে করে জমিদার বাড়ি যাওয়া যাবে। জন প্রতি ভাড়া ১০ টাকা। বালিয়াটি জমিদার বাড়ি রোববার পূর্ণদিবস আর সোমবার অর্ধদিবস বন্ধ থাকে। অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও বন্ধ থাকে।

জমিদার বাড়িতে প্রবেশের জন্য টিকেটের মূল্য জন প্রতি ১০টাকা।

মহেরা জমিদার বাড়ি, টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে ঘুরার মতন অনেক জায়গা আছে যা আপনি এক দিনে ঘুরে শেষ করতে পারবেন না। তবে তার মধ্যে মহেরা জমিদার বাড়ি সবচেয়ে সুন্দর। এটি তিনটি স্থাপনা নিয়ে তৈরি। বাড়ির ভেতরের দিকে বিশাল খাঁচায় বিভিন্ন রকম পাখি পালা হয়।

তিনটি স্থাপনার প্রতিটাতে অসাধারণ কারুকার্য করা। এসব কারুকার্য দেখলেই মন ভরে যাবে।

যেভাবে যাবেন

টাঙ্গাইলের জমিদার বাড়ি দেখতে হলে খুব সকালে বাসা থেকে বের হতে হবে। কারণ যেতে প্রায় ৩-৪ ঘণ্টা লাগবে। মহাখালী থেকে ‘ঝটিকা সার্ভিস’ নামে বাস ছারে। এছাড়া টাঙ্গাইল জাওয়ার আরো বেশ কিছু ভাল বাস আছে। মহেরা জমিদার বাড়ির বর্তমান নাম মহেরা পুলিশ ট্রেইনিং সেন্টার। ওখানে যেতে হলে নামতে হবে ‘নাটিয়া পাড়া’ বাস স্ট্যান্ড এ। সময় লাগবে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মত। নেমে একটা অটো রিকশা নিয়ে যেতে হবে। রিক্সায় করে সরাসরি মহেরা জমিদার বাড়িতে যাওয়া যাবে। ভাড়া ২০-৩০ টাকা। জমিদার বাড়ি ঢুকতে টিকেট কিনতে হবে,জন প্রতি ২০টাকা।

ঈদের ছুটিতে ঢাকার অদূরে বেড়াতে যাবেন?