একে মিনি কক্সবাজার বলা হয়। বলার পিছনে কারনও খুব একটা কম না। কক্সবাজারে যারা গেছেন সবাই জানেন পথে যেতে যেতে হঠাৎ করেই সমুদ্র তার বিশালতা নিয়ে সামনে চলে আসে এবং রাস্তা ওখানেই শেষ। এরপর যতদূর দেখা যায় পানি ছাড়া কিছু না তা। মৈনট ঘাটের ব্যাপারটাও ঠিক এমন। ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে চলে আসা রাস্তাটা হুট করেই পদ্মার পাড়ে শেষ হয়ে গেছে। আর এরপর? পদ্মার পানি ছাড়া কোনদিকে আর কিছু নেই। একেরপর এক নৌকা, ট্রলার, লঞ্চ চলে যাচ্ছে ওই দূরের নদী পথে। একই সাথে বঙ্গোপসাগরের মত ঢেউ আছড়ে পড়ে কূলে। 

মৈনট ঘাটের সৌন্দর্যমৈনট ঘাটের সৌন্দর্য

মৈনট ঘাটের সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে বিকেলে, ঠিক যখন দুপুর পড়ে আসে। সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকলে দেখে যাওয়া যায় সূর্যাস্ত। নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে নদীর পারে বসে থাকুন যতক্ষণ ইচ্ছা। 

চলে যাচ্ছে ওই দূরের নদী পথেচলে যাচ্ছে ওই দূরের নদী পথে

যেভাবে যাবেনঃ

নদীর পারে বসে থাকুন যতক্ষণ ইচ্ছা।নদীর পারে বসে থাকুন যতক্ষণ ইচ্ছা।

গুলিস্তান থেকে যমুনা বাসে সরাসরি যাওয়া যায়। ভাড়া ৯০ টাকা। অথবা ভেঙ্গে যেতে চাইলে এন মল্লিক এ করে নবাবগঞ্জের মাঝিরকান্দায় নেমে এরপর অটোতে করে দোহারের বাশতলা, এরপর আরেক লোকাল অটোতে করে কার্তিকপুর বাজার, এরপর সেখান থেকে আরেক অটোতে মৈনট ঘাট। ভাড়া যথাক্রমে ৭০ টাকা, ১৫ টাকা, ১৫ টাকা, ১০ টাকা।