যে নদী মিশে আছে রবি ঠাকুরের কবিতায়, লালনের আধ্যাত্মিকতায়, সে নদীর নাম গড়াই। গড়াইয়ের পাড়ে আসলে মনটা ভেংগে যায়। পলি পড়ে নদী প্রায় মৃতপ্রায়।

 নদী প্রায় মৃতপ্রায় নদী প্রায় মৃতপ্রায়

শুধু কল্পনায় ভেসে উঠে রবি ঠাকুরের গড়াই নদী। তার প্রিয় বজরা পদ্মা করে ভেসে বেড়াচ্ছেন নদীর জলে। বাবার নির্দেশে দীর্ঘ ১০টি বছর এই বংগদেশে জমিদারি করে কাটিয়েছেন রবি ঠাকুর। জমিদারির কাজে এই দেশের নদী খাল বিল চষে বেড়াতেন বিশ্ব কবি। আজ শিলাইদহ, কাল সাজাদপুর, পরশু পতিসর এভাবে করে তার দিন কেটে যাচ্ছিলো বেশ। পদ্মা, গড়াই এই দুই নদীর নাম কবির কবিতায় অনেকবার এসেছে।

গড়াই নদীগড়াই নদী

গড়াই নদীকে কবি লিখতেন গৌরী নামে। আবার কখনো কখনো গোড়াই নামেও লিখেছেন তাঁর কবিতায়। আবার এই নদীর পাড় ঘিরে গড়ে উঠা ভাড়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সাধক পুরুষ লালন সাই'জি। কুষ্টিয়া শহরের মধ্যেই আছে রেইনউইক বাধ। আর এর পাশ দিয়ে বয়ে চলছে অদ্ভূত সুন্দর মায়াবী গড়াই নদী। একটা মৃতপ্রায় নদীর সামনে এসে যে এত ভাল লাগতে পারে, গড়াইয়ের পাড়ে না আসলে তা বোঝা দায়। মনের ভিতর অন্য রকম ভাল লাগার জায়গা দখল করে আছে গড়াই নদী। 

অদ্ভূত সুন্দর মায়াবী গড়াই নদীঅদ্ভূত সুন্দর মায়াবী গড়াই নদী

কি ভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াগামী যে কোন বাসে মজমপুর গেট নামবেন। এখান থেকে পায়ে হেটে বা অটোতে রেইনউইক যজ্ঞেশ্বর। এখান থেকে অনুমতি নিয়ে চলে যান গড়াই নদীর পাড়ে।