চারদিকে নীল পানির রাশি, ছোট ছোট ঢেউ এসে ধাক্কা দিচ্ছে পারে। মেঘনা নদীর এই অপরূপ রূপ বিমোহিত করেছিল আমায়। কোস্টাল এরিয়া এখান থেকে সাগর খুবই কাছে। রামগতির উপজেলার আলেকজান্ডার একটি ঐতিহ্যপূর্ণ ঘন বসতি এলাকা ছিল। তবে নদী ভাংগনের ফলে চর আলেকজান্ডার প্রায় বিলুপ্তির পথে ছিল। তাই আলেকজান্ডার কে রক্ষার জন্য বাংলাদেশে সরকার এখানে বাধ নির্মাণ করে, যার বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস আর্গানাইজেশনের অধীনস্ত ১৯ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকসন ব্যাটিলিয়ন(১৯ইসিবি)। 

লক্ষীপুরের চর আলেকজান্ডারলক্ষীপুরের চর আলেকজান্ডার

 

কি ভাবে যাবেন:

সহজ ভাবে গেলে ঢাকা থেকে হিমাচল বাসে রামগতি এখান থেকে অটোতে আলেকজান্ডার বাধ। আর যদি এক্সপ্লোর করতে চান তাহলে হতে পারে যে কোন ট্র‍্যাভেলারের জন্য ড্রিমি রুট। আমরা ঢাকা থেকে বৃহস্পতিবার এম.ভি মধুমতি স্টীমারে প্রথমে এসেছিলাম বরিশাল এখান থেকে বাসে কুয়াকাটা। কুয়াকাটায় আমরা দেড় দিন থেকে শনিবার বিকাল ৫টায় আবার বরিশালের উদ্দ্যেশে রওনা দেই। রাতে বরিশাল স্টে করে রবিবার ভোর ৬টায় বরিশাল লঞ্চ ঘাট থেকে এম.ভি পারিজাত করে মজু চৌধুরীর হাটের উদ্দ্যেশে রওনা দেই। এই রুটে এসে আমরা কিরতন খোলা, মাছকাটা, ইলিশা, মেঘনা নদীর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পেরেছি। মোহনা আর পাশে বে অফ বেংগল এর সৌন্দর্য কে আরও বাড়তি আর্কষন দিয়েছে। মজু চৌধুরীর হাট থেকে লক্ষীপুর সদর। এখান এসে আমরা দুইটা পুরানো জমিদার বাড়ী(দালাল বাজার জমিদার বাড়ী, কামানখোলা জমিদার বাড়ী) দেখে আবার সদরে এসে আলেকজান্ডারের উদ্দ্যেশে রওনা দেই। লক্ষীপুর সদর এসে যে কেউ কে জিজ্ঞেস করলে আলেকজান্ডার যাবার বাস স্ট্যান্ড দেখিয়ে দিবে।