অধ্যাপক হূমায়ুন আজাদ এভাবে বর্ণনা করেছিলেন বিক্রমপুরের শেষ জমিদার যদুনাথ রায়ের বাড়ী কে। এই জমিদার বাড়ীর পাশেই আড়িয়াল বিল। আর এই বিলের ধারের প্রাসাদে থাকতেন যদুনাথ রায়। দেশ ভাগের পর ভাগ্যকূলের বেশির ভাগ জমিদার দেশত্যাগ করলেও রয়ে গেলেন যদুনাথ রায়। এই মাটির প্রতি তার অন্য রকম টান ছিল। ১৯৬৫ সালের ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের পর সরকার থেকে চাপ আসে তার দেশ ত্যাগের ব্যাপারে। কথিত আছে দেশত্যাগের পুর্বে তিনি এ দেশের মাটি অংগে মেখে কেদেছিলেন। কলকাতা যাবার পর বেশি দিন বাচে নাই এই জমিদার। সময় নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন এই বিলের ধারের প্রসাদে। স্থানীয় মানুষদের কাছে এটি বাবু বাড়ী নামে পরিচিত। এই কমপ্লেক্সে জমিদার বাড়ী ছাড়াও আছে একটি বড় দিঘী আর দূর্গা মন্দির ও লক্ষী নারায়ন মন্দির। বর্তমানে এই কমপ্লেক্সে তৈরি করা হয়েছে বিক্রমপুর জাদুঘর। এই জমিদার বাড়ীর ২-৩ কি.মি দূরেই আছে জগদীস চন্দ্র বসুর বসত ভিটা। এ ছাড়া খুব কাছেই আছে মাওয়া রিসোর্ট। এই ছাড়া ঘুরে আসতে পারেন পাশের শ্যাম সিদ্ধির গ্রামেও। দেখে আসতে পারেন আড়িয়াল বিল আর শ্যাম সিদ্ধির মঠ। নবাবগঞ্জ দিয়ে আসলে দেখে আসতে পারেন ভাগ্যকূলের অন্য জমিদার বাড়ী গুলো। কোকিলপ্যারী জমিদার বাড়ী, তেলিবাড়ী, উকিল বাড়ী এই সবই ভাগ্যকূল জমিদারদের ছিল।

কি ভাবে যাবেন : পোস্তাগোলা থেকে সেবা পরিবহনের বাসে বালাসুর বাস স্ট্যান্ড। এখান থেকে রিক্সা বা অটোতে এতিমখানা রোড ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী।