এই যান্ত্রিক দানব কে যতবার দেখি মন ভরে যায়। ব্রিটিশ সরকার দাম্ভিকতার সাথে বলেছিল ১০০ বছরেও এই সেতুর কিছু হবে না। সে হিসাবে ১৯১২ সালে নির্মিত এই সেতুর ওয়ারেন্টি গ্যারান্টি অনেক আগেই শেষ। এরপর ও চলে যাচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে সেতু। হার্ডিঞ্জ ব্রীজের পাশেই রয়েছে লালন শাহ সেতু। আর পাশেই আছে প্রমত্ত পদ্মা। যদিও চর পড়ে ছোট হয়ে গেছে নদী তবুও দু'পাড়ের সবুজ ঘেরা মনোরম পরিবেশে একটি ক্লান্ত বিকাল খুব একটা খারাপ কাটবে না। এপারে কুস্টিয়ার ভেড়ামারা ওপারে পাবনার ঈশ্বরদী।

কি ভাবে যাবেন : কুস্টিয়াগামী যে কোন বাসে উঠে লালন শাহ সেতুর কাছে নেমে যাবেন। এরপর পায়ে হেটে চলে যেতে পারেন সেতুর খুব কাছে।