# মহেড়া জমিদার বাড়ী...
# দেলদুয়ার জমিদার বাড়ী...
# করটিয়া জমিদার বাড়ী...
# পাকুল্লা জমিদার বাড়ী...

মহেড়া জমিদার বাড়ী:-

দৃষ্টিনন্দন এই জমিদার বাড়ীর রয়েছে এক কলঙ্কিত স্মৃতি। ১৯৭১ সালের ১৪ই মে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদার বাড়ীতে হামলা করে এবং জমিদার বাড়ীর কূলবধূ যোগমায়া রায় চৌধুরীসহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে চৌধুরী লজের মন্দিরের পেছনে একত্রে দাঁড় করিয়ে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। তন্মধ্যে স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক পন্ডিত বিমল কুমার সরকার, মনিন্দ্র কুমার চক্রবর্তী, অতুল চন্দ্র সাহা এবং নোয়াই বণিক ছিলেন। ইতিহাস কলঙ্কিত সেই রক্তের দাগ এখনো লেগে আছে মহেড়া জমিদার বাড়ীতে। যে দেশের জন্য, যে দেশের মানুষের জন্য মহেড়া জমিদার পরিবার নিজেদের শত প্রাচুর্য ভুলে এলাকার উন্নয়নে সর্বক্ষণ ব্যস্ত থাকতেন, সেই এলাকার রাজাকার আল-বদরদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় পাকিস্থানী বাহিনীর এই চরম হত্যযজ্ঞে জমিদার পরিবার শুধু হতাশ হননি, শত বছরের সাজানো জমিদার বাড়ী আর কোটি টাকার সম্পদ ফেলে চরম ঘৃণা আর ক্ষোভ নিয়ে লৌহজং নদীর নৌপথে নৌকা যোগে চলে যান বাংলাদেশ ছেড়ে। অতঃপর স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বায়েজীদ সাহেবের নেতৃত্বে এক প্লাটুন মুক্তিবাহিনী জমিদার বাড়ীতে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করে।

মহেড়া জমিদার বাড়ীমহেড়া জমিদার বাড়ী

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে পরিত্যাক্ত জমিদার বাড়ীটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এ মহতী কাজটি করেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আব্দুল মান্নান। পুলিশের প্রশিক্ষণকে আধুনিক এবং যুগোপোযোগী করার লক্ষ্যে ১৯৯০ সালে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলকে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে উন্নীত করা হয়। আর পুলিশের ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন হওয়ায় ট্রেনিং পরিচালনার জন্য জমিদার বাড়ীটির যথাযথ রক্ষনাবেক্ষণসহ নতুন নতুন স্থাপনা তৈরী করার কারনে পুরানো স্থাপত্য কলার অপরুপ এই জমিদার বাড়ীটির সৌন্দর্য্য শুধু অক্ষত থাকেনি বরং তার কলেবর আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৮৯০ দশকের পূর্বে জমিদার বাড়ীটির পত্তন ঘটে। কালীচরণ সাহা ও আনন্দ সাহা নামে দুই ভাই কলকাতায় লবণ ও ডালের ব্যবসা করে প্রচুর টাকা পয়সা রোজগার করে চলে আসেন মহেড়া গ্রামে। মহেড়া গ্রামে তারা ১ হাজার ১৭৪ শতাংশ জমির ওপর এ সুবিশাল বাড়িটি নির্মাণ করেন। বাড়ি নির্মাণ করার পর তারা মহেড়া গ্রামের গরির মানুষের কাছে টাকা দাদন খাটাতে থাকেন এবং এলাকার প্রভুত উন্নতি করেন। পরে ব্রিটিশ সরকার জমিদার প্রথা চালু করলে কালীচরণ সাহা ও আনন্দ সাহার ছেলেরা করটিয়ার ২৪ পরগনার জমিদারদের কাছে থেকে একটি অংশ বিপুল অর্থের বিনিময়ে কিনে নেয়। শুরু হয় জমিদারি। কালীচরণ সাহা ও আনন্দ মোহন সাহার উত্তরাধিকারী রাজেন্দ্র রায় চৌধুরী পর্যায়ক্রমে জমিদারি পরিচালনা করেন। এই শাসকরা এলাকায় বিদ্যালয়, রাস্তাঘাট, পানির ব্যবস্থাসহ অনেক জনকল্যাণমূলক কাজও করেন। এখানে আছে বড় বড় ৩টি ভবন আর কাছারি বাড়ী । এই ভবন গুলো এবং কাছারি বাড়ীর নাম মহারাজ লজ, আনন্দ লজ, চৌধুরী লজ এবং কালীচরণ লজ। আরও আছে আত্মীয় স্বজন কর্মচারীদের থাকার বাড়ী এবং প্রার্থনার জন্য মন্দির। বাড়িতে প্রবেশের জন্য রয়েছে ২টি সুরম্য গেট। বাড়ীর সামনেই আছে বিশাল এক দীঘি নাম বিশাখা সাগর। ভবন গুলোর পিছনে আছে পাসরা পুকুর এবং রানী পুকুর নামে দুইটা পুকুর। ভবন গুলোর সামনে সুন্দর ফুলের বাগান। ভবন গুলো আর বিশাখা সাগর এর মাঝখানে রাস্তার পাশে কয়েকটা উচু গোল কারুকার্যময় স্তম্ভ। কালীচরণ লজ-এর সামনে বেশ বড় একটা খোলা যায়গা বা মাঠ।

জমিদার বাড়ীর পূর্বপুরুষেরা হলেন- বিদু সাহা, বুদ্ধু সাহা, হরেন্দ্র সাহা ও কালীচরণ সাহা। জনশ্রুতি আছে, জমিদার তরফের সবচেয়ে পরিচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন মহারাজ ভবনের গিরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী। তিনি ব্রিটিশ আমলে সম্মানিক বিচারক ছিলেন এবং একাধারে নীতিবান ও প্রজাবৎসল ছিলেন। তিনি পশু (বাঘ, হরিণ, ঘোড়া) ও পাখি (ময়ূর, টিয়া, ময়না) সহ বিভিন্ন প্রজাতির পশু-পাখি লালন-পালন করতেন। কাছারী বাড়ীতে বাঘের খাঁচা ছিল। বাঘটিকে আদর করে ফুলেশ্বরী বলে ডাকতেন। তাদের খাবার দাবারের খোঁজ খবর নিজে রাখতেন। একদিন হঠাৎ করে বাঘটি খাঁচা থেকে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী পাট ক্ষেতে গিয়ে লুকায়। ঘনিষ্ট বন্ধু মাখন লাল চক্রবর্ত্তী ও দেহরক্ষি মদন লালকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সেখানে যান এবং ফুলেশ্বরী বলে ডাকতে শুরু করলে বাঘটি এসে হাজির হয়। তারপর বাঘটিকে এনে খাঁচায় পুরে রাখেন।

মহেড়া জমিদারগণের ছিল বিশাল বিশাল স্থাপনা। নগর ছাওয়ালী ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিল তাদের বানিজ্যিক কর্মকান্ডের বিস্তার। জমিদারদের সুবিশাল কর্মকান্ডের অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য গড়ে উঠেছিল নায়েব ভবন, কাছারি ভবন প্রভৃতি স্থাপনা। তিন কক্ষ বিশিষ্ট নায়েব ভবন চমৎকার নির্মাণ শৈলীতে গড়া। তিন কক্ষ বিশিষ্ট কাছারি ভবনের স্থাপত্য শৈলীও প্রাণ জুড়ায়। অপর গোমস্তা ভবনও সুপ্রাচীন স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত। জমিদার কুলের নায়েব গোমস্তা প্রভৃতি দাপ্তরিক ব্যক্তিবর্গ এসকল ভবনে বসে দাপ্তরিক কর্ম সম্পাদন করতেন। মহেড়া জমিদার বাড়ীটি মূলতঃ চার টি ভবনে বেষ্টিত। যথা- মহারাজ লজ, আনন্দ লজ, চৌধুরী লজ এবং রাণী ভবন(কালীচরণ লজ) নামে পরিচিত।

জমিদার তরফের সন্তানেরা শুধুমাত্র বিশাল বিত্ত বৈভবের মালিক ছিলেন না। তাদের ছিল সুবিশাল চিত্ত। এলাকার মানুষের সামগ্রিক কল্যাণের কথা চিন্তা করে তারা বিদ্যালয়, মন্দিরসহ নানাবিধ প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন। ১৮৯০ সালে মহেড়া আনন্দ উচ্চ বিদ্যালয়টি জমিদার বাড়ীর আনন্দ কুমার রায় চৌধুরীর নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। গোপিনাথ জিওর বিগ্রহ মন্দির জমিদারদের প্রতিষ্ঠিত। উক্ত মন্দিরের সামান্য উত্তরে আদিনিবাস ছিল। জমিদার ভবনের উত্তর পার্শ্বে তাদের প্রতিষ্ঠিত শ্রী শ্রী শ্মঁশাণ কালী মন্দির। জমিদার ভবনের দক্ষিণ পাশে বিশাখা সাগর অবস্থিত। এখান থেকে একসময় এলাকার জনগণ সুপেয় পানি সংগ্রহ করত। জমিদার বাড়ীর পিছনে পাসরা পুকুর এবং রানী পুকুর নামে বিশাল দুইটি দিঘি আছে যা ছিল জমিদারদের নিজস্ব ব্যবহারের জন্য। পানির অভাব মেটানোর জন্য গ্রামে গ্রামে অনেক কূপ খনন করে দেন জমিদারগণ। মহেড়া থেকে এক কিলোমিটার দূরে ছাওয়ালী বাজারে এক সুবিশাল শ্রী শ্রী শ্মঁশাণ কালী মায়ের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

বিশাখা সাগর সংলগ্ন দক্ষিণ পার্শ্বে বিশাল আম্র কানন। ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগসহ দেশী বিভিন্ন প্রজাতির আম্র বৃক্ষ শোভা পাচ্ছে। আম্র কানন ব্যতীত বর্তমান পিটিসি’র প্রায় ৪৪ একর জমিতে সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানা বৈচিত্র্যময় ফলের সমারোহ। এর মধ্যে আম, কাঁঠাল, নারিকেল, ছবেদা, জলপাই, হরিতক ইত্যাদি ফল ও ঔষধি গাছ অন্যতম। সুবিশাল ফলজ বৃক্ষের সমারোহ ফুলে-ফলে, পত্র-পল্লবে মাতিয়ে রাখে এ প্রাঙ্গণ সারাটি বছর। নানা প্রজাতির ফুলের সমরোহ এবং সুগন্ধে দর্শকদের আকুল করে সারা বছর। শীতকালে এখানে হাজারো চেনা অচেনা ফুলে ফুলে প্রজাপতির মেলা বসে রোজ। এছাড়া অপরুপ স্থাপত্য আধুনিক শহীদ মিনার আপনাকে সামান্য সময়ের জন্য হলেও স্থম্ভিত করে দিবে।

করটিয়া জমিদার বাড়ী:-

করটিয়া জমিদার বাড়ীকরটিয়া জমিদার বাড়ী

বাংলাদেশে যে কয়টি জমিদার বাড়ি সমৃদ্ধ এবং ইতিহাসের সাথে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে তাদের মধ্যে করটিয়া জমিদার বাড়ি অন্যতম। টাঙ্গাইল জেলায় বেশ কয়েকটি জমিদার বাড়ি রয়েছে। কিন্তু সবগুলোকে ছাপিয়ে ইতিহাস আর ঐতিহ্যে করটিয়া জমিদার বাড়ি আলাদা স্থান করে নিয়েছে।

টাঙ্গাইল শহর হতে ১০ কি.মি. দূরে পুটিয়ার তীর ঘেঁষে আতিয়ারচাঁদ খ্যাত জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর জমিদার বাড়ি। প্রাকৃতিক এবং নিরিবিলি পরিবেশের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ০.৫ কিলোমিটার প্রস্থ বিশিষ্ট প্রাচীরঘেরা যেখানে রয়েছে লোহার ঘর, রোকেয়া মহল, রাণীর পুকুরঘাট, ছোট তরফ দাউদ মহল এবং বাড়িসংলগ্ন মোগল স্থাপত্যের আদলে গড়া মসজিদ একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। মোগল ও চৈনিক স্থাপত্যের মিশেলে নির্মিত জমিদার বাড়িটি প্রথম দর্শনেই আপনার মন কেড়ে নেবে। সীমানা প্রাচীরের ভেতরে অবস্থিত মোগল স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন রোকেয়া মহল, যা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মর্যাদা পাওয়ার দাবি রাখে।

দেলদুয়ার জমিদার বাড়ী:-

দেলদুয়ার জমিদার বাড়ীদেলদুয়ার জমিদার বাড়ী

দেলদুয়ার জমিদার বাড়ির নাম নর্থ হাউস। জমিদার বাড়ির সীমানার পূর্বদিকে বিশাল কড়ই গাছ। গাছের নিচে আজও সেই আদি বসার ব্যবস্থা। লোহার গার্ডেন চেয়ার, গোল টেবিল, একপাশে কৃত্রিম পানির ফোয়ারা। বাড়ির সামনের দিকে কবরস্থানের ধারণা সম্ভবত, পরবর্তীতে যুক্ত হয়েছে, কেমন যেন হঠাৎ করে মূল বাড়ির কিছুটা অংশ জুড়ে আছে বলে মনে হয়।

প্রাচীরটিও খুব বেশি পুরাতন নয়। বাড়ির মেইন্টেনেন্স এখনো আছে। সামনের বাগান সে স্বাক্ষরই দেয়। পেছনে বেশ যায়গা নিয়ে আম বাগান। বাগানের মাঝে টালির দোচালা শেড। শেডের ফ্লোর ও পিলারের কারুকাজ দেখে মনে হয় বেশ সখ করে বানান হয়েছিল। একসময় বাড়ির মহিলা সদস্যদের আড্ডাস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হলে বলে মনে হয়। এখন সম্ভবত, সন্ধ্যাকালীন পার্টীতে এই শেডটি ব্যবহৃত হয়।

মসজিদ... দেলদুয়ার জমিদার বাড়ীমসজিদ... দেলদুয়ার জমিদার বাড়ী

ঔপনিবেশিক স্থ্যাপত্য শৈলীতে নির্মিত দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি এখনও বেশ ভালো অবস্থায় আছে। জমিদার বাড়ির পূর্ব-দক্ষিন কোনে দারুণ নান্দনিক মসজিদ। এক সময়ে মূল রাস্তা থেকে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত নিজস্ব রাস্তা ছিল, সে রাস্তা এখন হাটে যাওয়ার জন্য সকলের জন্য উন্মুক্ত। রাস্তার দু’পাশে আজও প্রবেশ তোরণ সাক্ষী হিসেবে অটুট আছে।

দেলদুয়ার জমিদার বংশ :-

দেলদুয়ারের জমিদাররা জনদরদী ও দানবীর হিসেবে পরিচিত। জমিদাররা নামের শেষে গজনভি পদবী ব্যবহার করেন। এ বংশের পূর্বপুরুষরা আফগানিস্তানের গজনি থেকে এসেছিলেন দেখে নামের শেষে এ পদ অলংকার। ফতেহদাদ খান গজনভি লোহানি থেকে এ জমিদার বংশের পত্তন হয়েছে। এই জমিদার বংশের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি দ্বয় হচ্ছে স্যার আবদুল করিম গজনভি ও স্যার আবদুল হালিম গজনভি। এ ভাত্রিদ্বয় আবদুল হাকিম খান গজনভি এবং করিমুন নেসা খানম চৌধুরানীর সন্তান। করিমুন নেসা খানম চৌধুরানী ছিলেন বেগম রোকেয়ার বোন।

পাকুল্লা জমিদার বাড়ীপাকুল্লা জমিদার বাড়ী

স্যার আবদুল করিম গজনভি (১৮৭২-১৯৩৯ইং):
পড়াশুনা করেছেন ইংল্যান্ডের ডেভনশায়ারের এক্সমাউথের সেন্ট পিটার্স স্কুল, লন্ডনের মেসার্স রেন এন্ড গার্নেজ ইনস্টিটিউশন, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং জার্মানির জেনা বিশ্ববিদ্যালয়ে। আবদুল করিম গজনভি ১৮৯৪ সালে পিতার জমিদারি এস্টেট পরিচালনার কাজ শুরু করেন। তিনি দুইবার মন্ত্রি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন (১৯২৪ ও ১৯২৭ সাল)। তিনি ১৯২৮ সালে নাইট ও ১৯৩৩ সালে নবাব বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত হন।

যেভাবে যাবেন:-
ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলগামী বাসে উঠে পাকুল্লা বাস স্ট্যান্ডে নামতে হবে।পাকুল্লা বাস স্ট্যান্ডের ঠিক পেছনেই পাকুল্লা জমিদার বাড়ী।তারপর পাকুল্লা বাস স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি করে দেলদুয়ার জমিদার বাড়ী।তারপর দেলদুয়ার থেকে অটোতে করে আতিয়া মসজিদ দেখে সরাসরি করটিয়া জমিদার বাড়ী।তারপর করটিয়া জমিদার বাড়ী থেকে মহাসড়কে এসে বাস ধরে পুলিশ রোড নামতে হবে।সেখান থেকে জনপ্রতি ২০/- করে মহেড়া জমিদার বাড়ী/পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার।ঝামেলা ছাড়া যেতে চাইলে পাকুল্লা বাস স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি রিজার্ভ করলে ৪টি জমিদার বাড়ী-আতিয়া মসজিদ-পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার সব মিলিয়ে ৭০০-৮০০ টাকায় সিএনজি পেয়ে যাবেন।