প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে আগ্রহী মানুষের জন্য মহাস্থানগড় এক হিডেন ট্রেজার। ভ্রমণের এই সেক্টরটা কে আমার সব সময় একটু বেশি রিচ মনে হয়। কারন এখানে ভ্রমণের সাথে সাথে করতে হয় প্রচুর পড়াশোনা। প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা দেখতে যাবার আগে তাই এর পিছনের ইতিহাস এর স্ট্রাকচার নিয়ে ভাল মত পড়ে যাওয়া উচিত। না হয় বাড়ীর পাশে ধানক্ষেত প্রত্বতাত্ত্বিক স্থাপনা একই মনে হবে।

সীমানা প্রাচীরসীমানা প্রাচীর

মহাস্থানগড়ের এই সীমানা প্রাচীর দিয়ে হাটার সময় আমার মনে হয়েছিল এই গুলা যেন আসলেই আমাদের জন্য নয়। আমাদের বিনোদনের অভাব তাই এখানে এসে বিনোদন খুজে বেড়াই। আমরা যে এক প্রাচীন সভ্যতার দাড়ে এসে দাঁড়িয়ে আছি সেইটা ভিতর থেকে কয়জন অনুভব করি।

এক প্রাচীন সভ্যতাএক প্রাচীন সভ্যতা

এক প্রাচীন সভ্যতাএক প্রাচীন সভ্যতা

মৌর্য, গুপ্ত , পাল ও সেন রাজাদের রাজধানী মহাস্থানগড় আজও স্বমহিমায় তার অস্তিত্বের জানান দিছে। শুধু পিপাসুদের মনে সে পূর্ণরুপে ধরা দেয় বাকিদের কাছে রয়ে যায় শুধু বিনোদন হিসাবে। 

কুয়াকুয়া

ধ্যানী বৌদ্ধধ্যানী বৌদ্ধ

কি ভাবে যাবেন :

ঢাকা থেকে বগুড়া বাসে। এরপর বাস/অটোতে করে মহাস্থানগড়।