ঢাকার কাছাকাছি সমৃদ্ধ জমিদারী ইতিহাস দেখতে চান সোজা চলে যান মানিকগন্জের সাটুরিয়া। সেখানে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে গোবিন্দ রাম সাহার গোড়াপত্তনকৃত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি।

বালিয়াটি প্রাসাদ স্থানীয়ভাবে যা বালিয়াটি জমিদারবাড়ি নামেই পরিচিত। বালিয়াটির জমিদাররা উনিশ শতকের প্রথমার্ধ থেকে আরম্ভ করে বিশ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক বছর বহুকীর্তি রেখে গেছেন যা জেলার পুরাকীর্তিকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছে। পুরাকীর্তির ইতিহাসে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি এক অনন্য সৃষ্টি। খ্রিস্টীয় উনিশ শতকের দিকে এই বাড়ি নির্মিত হয়। একটি নিম্নবিত্ত সাহা পরিবার থেকেই বালিয়াটি জমিদার বংশের উদ্ভব।

বালিয়াটির জমিদারদের পূর্বপুরুষ গোবিন্দ রায় সাহা ছিলেন একজন ধনাঢ্য লবণ ব্যবসায়ী। এই বাড়ির উত্তর-পশ্চিম অংশে লবণের একটা বড় গোলাবাড়ি ছিল। এই কারণে এই বাড়ির নাম রাখা হয়েছিল গোলাবাড়ি। সেকালে গোলাবাড়ির চত্বরে বারুনির মেলা বসত এবং এর পশ্চিম দিকে তাল পুকুরের ধারে আয়োজন করা হতো রথ উৎসব। এখানে বসত রথের মেলা। পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে বর্তমানে এই স্থানে রথের মেলা হয় না। এই রথ উৎসব এখনো হয় বালিয়াটি গ্রামের পুরান বাজারের কালী মন্দিরের পাশে। তাঁর বংশের উত্তরাধিকারদের কেউ একজন জমিদারি লাভ করেন। এরাই পরে এই বাড়ি নির্মাণ করেন।

যেভাবে :

গাবতলী থেকে সাটুরিয়ার বাসে।সেখানে থেকে অটোতে জমিদার বাড়ি।।