বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের চমৎকার কিছু মসজিদের গল্প। 

আতিয়া মসজিদ, দেলদুয়ার, টাংগাইল

টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলায়, এই মসজিদটির প্রধান কক্ষের উপরে একটি গম্বুজ এবং বারান্দার উপর ছোট তিনটি গম্বুজ রয়েছে। সাঈদ খান পন্নি ১৬০৯ সালে মসজিদ টি নির্মাণ করেন, প্রায় ২২৮ বছর পর মসজিদ টি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠলে পরে তা আবার পুনরায় সংস্কার করেন রউশন খাতুন চৌধুরী ১৮৩৭ সালে, আরও একবার সংস্কার করা হয় ১৯০৯ সালে

আতিয়া মসজিদআতিয়া মসজিদ

যেভাবে যাবেন: 

টাংগাইল শহর থেকে সি এন জি অথবা ব্যাটারি চালিত অটো করে যেতে পারবেন।

ছোট সোনা মসজিদ

ছোট সোনা মসজিদ বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ। প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড় নগরীর উপকণ্ঠে পিরোজপুর গ্রামে এ স্থাপনাটি নির্মিত হয়েছিল, যা বর্তমানে বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার অধীনে পড়েছে। সুলতান আলা-উদ-দীন শাহ এর শাসনামলে (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দে) ওয়ালি মোহাম্মদ নামে এক ব্যক্তি এই মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন।

ছোট সোনা মসজিদছোট সোনা মসজিদ

মসজিদের মাঝের দরজার উপর প্রাপ্ত এক শিলালিপি থেকে এ তথ্য জানা যায়। তবে লিপির তারিখের অংশটুকু ভেঙে যাওয়ায় নির্মাণকাল জানা যায় নি। এটি কোতোয়ালী দরজা থেকে মাত্র ৩ কি.মি. দক্ষিণে। মসজিদটি মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন। এটি হোসেন-শাহ স্থাপত্য রীতিতে তৈরি।

বাবা আদম মসজিদ

বাবা আদম মসজিদ বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ, যা পঞ্চদশ শতাব্দীতে নির্মিত। এ মসজিদে নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করা হয়। মসজিদের চত্বরে জনাব বাবা আদমের [রহ.] মাজার অবস্থিত।১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলাদেশ সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগ এ স্থাপনার তত্ত্বাবধান করছে।

বাবা আদম মসজিদবাবা আদম মসজিদ

যেভাবে যাবেন:-
ঢাকা-মুন্সিগন্জ-দরগাবাড়ি...

পাতরাইল মসজিদ

প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী আউলিয়া খান জামে মসজিদ যা ১৩৯৩ হতে ১৪১০ খ্রিঃ মধ্যে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ নির্মাণ করেন বলে ধারণা করা হয়। এ ঐতিহাসিক মসজিদের দক্ষিণ পাশ্বেই চির নিন্দ্রায় শাহিত আছেন মহান আউলিয়া মজলিস আউলিয়া খান। মসজিদের আঙ্গিনায় আছেন মস্তান দরবেশ নাজিমদ্দিন দেওয়ানের মাজার। আউলিয়া খানের মাজারের দক্ষিণ পাশে আছেন ফকির ছলিমদ্দিন দেওয়ানের মাজার। জনশ্রুতি আছে যে, অত্র এলাকায় প্রজাদের পানীয় জলের সমস্যা নিরসনকল্পে ও ইবাদতের জন্য মসজিদের পার্শ্বেই ৩২.১৫ একর জমির উপর একটি দীঘি খনন করেন। বর্তমানে এটি ভাঙ্গা উপজেলাধীন পাতরাইল দীঘিরপাড় আউলিয়া মসজিদ নামে সুপরিচিত।

পাতরাইল মসজিদপাতরাইল মসজিদ

কি ভাবে যাবেন :

গুলিস্তান/পোস্তাগোলা/বাবুবাজার ব্রীজ থেকে মাওয়াগামী বাসে মাওয়া এরপর লঞ্চ/স্পীড বোটে কাওরাকান্দি। কাওরাকান্দি থেকে ভাংগার বাসে পুলিয়া বাজার নেমে যেতে হবে। এখান থেকে অটোতে পাতরাইল মসজিদ।গুলিস্তান/পোস্তাগোলা/বাবুবাজার ব্রীজ থেকে মাওয়াগামী বাসে মাওয়া এরপর লঞ্চ/স্পীড বোটে কাওরাকান্দি। কাওরাকান্দি থেকে ভাংগার বাসে পুলিয়া বাজার নেমে যেতে হবে। এখান থেকে অটোতে পাতরাইল মসজিদ।

গুঠিয়া মসজিদ

শ্রমিক থেকে শুরু করে আর্কিটেক্ট সব কিছুই সৌদি আরব থেকে এনে করা হয়েছে। প্রায় ১৬ একর জায়গার উপর মসজিদটি করা হয়েছে। আপনি এর ভিতরে যখন প্রবেশ করবেন তখন বুঝবেন এর ভিতরে কতটা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন বজায় রাখা হয়। এক কথায় দারুণ। পুরো এরিয়াটি চলাচলের জন্য ঢালাইয়ের পাকা রাস্তা করা হয়েছে।
মহিলাদের আলাদা নামাজের ঘর- ওযু করার ব্যবস্থা, পুরুষদের আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

গুঠিয়া মসজিদগুঠিয়া মসজিদ

কিভাবে যাবেন:
ঢাকা/ যে কোন জায়গা টু বরিশাল তারপর নথুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ড নামবেন। এর পর একটা মাহিন্দ্র ভাড়া করে নিলে ১৭০/২০০ টাকায় আপনাকে পৌঁছে দিবে গুঠিয়া মসজিদ। অথবা বাসে করে যেতে পারেন সেক্ষেত্রে ভাড়া নিবে ২৫ টাকা মাত্র।