শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
বার আউলিয়ার দেশ বাংলাদেশ। এই দেশে ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছে অনেক সুফী সাধক। তার মধ্যে অন্যতম পীর শাহ নিয়ামত উল্লাহ ওয়ালী। দিল্লির করনৌল প্রদেশের অধিবাসী শাহ নিয়ামত উল্লাহ ছিলেন একজন সাধক পুরুষ। কথিত আছে তিনি ছিলেন প্রচন্ড ভ্রমণপাগল মানুষ। ভ্রমণ করতে করতে একসময় তিনি এসে উপস্থিত হন গৌড় এলাকায়। দেখা হয় তার সাথে বাংলার সুবেদার শাহ সুজার সাথে। শাহ সুজা তার গুণে মুগ্ধ হয়ে তার স্থায়ী বসবাসের জন্য গড়ে দেন তাহাখানা। তাহাখানার উত্তর পাশেই আছে একটি তিন গম্বুজ মসজিদ। আর মসজিদের উত্তর দিকে রয়েছে এই সাধক পুরুষের সমাধি। সাধক পুরুষ হলেও উনি একধারে একজন কবিও ছিলেন। কাব্যের ছলে রেখে গেছেন অনেক ভবিষৎবাণী। ১৯৭০-১৭১ এর দিকে রুহুল আমীন খান বাংলা ভাষায় শাহ নিয়ামত উল্লাহ এর ৫৪ প্যারার একটি কবিতা অনুবাদিত করেন। তার কিছু অংশ বিশেষ নিচে তুলে ধরলাম।

"তাদের হারায়ে ভিন দেশী হবে শাসন দণ্ডধারী

জাকিয়া বসিবে, নিজ নামে তারা মুদ্রা করিবে জারি

ভোগে ও বিলাসে আমোদে-প্রমোদে মত্ত থাকিবে তারা

হারিয়ে ফেলিবে স্বকীয় মহিমা তুর্কী স্বভাব ধারা"

সময় পেলে ঘুরে আসতে পারেন এই সাধক পুরুষের সমাধিস্থল আর আশে পাশের স্থাপনা। ছোট সোনা মসজিদ, দারস বাড়ী মাদ্রাসা ছাড়াও আছে বেশ কয়েকটা প্রাচীন মসজিদ।

কি ভাবে যাবেন: 

ঢাকা থেকে কানসাটের বাসে কানসাট বাজার নামবেন। এখান থেকে অটোতে ছোট সোনা মসজিদ। এরপর সব গুলো স্থাপনা ঘোরার জন্য একটি ভ্যান ভাড়া করবেন।