বাংলার পথে

সেন্ট মার্টিন এর পশ্চিম বিচঃ সমুদ্রতটে চন্দ্রাহত

পশ্চিম দিক জুড়ে রয়েছে প্রায় ১০-১৫ কিলোমিটার প্রবাল প্রাচীর। দ্বীপের শেষ মাথায় সরু লেজের মত আর একটি অবিচ্ছিন্ন দ্বীপ রয়েছে যার নাম ছেঁড়াদ্বীপ।

বান্দরবানের সেরা পাঁচ রিসোর্ট

গুনে, মানে, রূপে ও সেবায় সর্বশ্রেষ্ঠ ৫ রিসোর্ট নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন। এই রিসোর্ট গুলো বাংলাদেশের রিসোর্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা পাল্টে দেয়ার ক্ষমতা রাখে! 

একদিনে ঘুরে আসুন অপূর্ব মিঠামইন হাওর 

যতোদূর চোখ যায় কেবল পানি আর পানি, দূরে দ্বীপের মতো দাঁড়িয়ে থাকা গ্রামের বাড়ি গুলো, তারপর আবার অথই পানি। মাথার উপর দিয়ে চলে যায় বকের দল, কোথাও পানি উপরে দাঁড়িয়ে থাকা গাছ জানান দেয় তার অস্তিত্ব। অপূর্ব মনভোলানা দৃশ্য! মুহুর্তেই মন ভালো হতে বাধ্য।  অপূর্ব এই হাওরটি মিঠামইন হাওর। 

উয়ারী-বটেশ্বরঃ বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন জনপদের সন্ধানে

বাংলাদেশের ইতিহাসের শেকড় প্রোথিত রয়েছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকা নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরে। উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলে ২০০৬ সালে প্রাপ্ত পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন অনুযায়ী বাংলাদেশ অঞ্চলে জনবসতি গড়ে উঠেছিলো প্রায় ৪ হাজার বছর আগে। ঐতিহাসিকদের ধারণা এবং সম্প্রতি উয়ারি-বটেশ্বরে আবিষ্কৃত প্রত্ন নিদর্শন থেকে জানা যায়, এ অঞ্চলে মানব বসতি শুরু হয়েছিল নব্য প্রস্তর যুগের সূচনা কালে।

বাংলাদেশের সুন্দরতম দশ ছোট শহর

দক্ষিণ এশিয়ার ছোট্ট ও সুন্দর একটি দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকার সৌন্দর্যের পাশাপাশি মুগ্ধতা ছড়ায় ছোট ছোট শহরগুলো। ছবির মতো সুন্দর এই দেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন ১০ টি শহর নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

একদিনে ঘুরে আসুন বিখ্যাত প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি

সাড়ে ১৩ একরের এই বাড়িতে কেবল পুকুরই আছে ১৩টি এবং ভবনের সংখ্যা ১০টি। বাংলাদেশে আর কোন জমিদার বাড়িতে এতো অধিক সংখ্যক পুকুর ও ভবনের দেখা মিলেনা! চাইলে গোসল ও সাঁতরে নিতে পারেন পুকুরে। 

চড়কপূজা: বিলুপ্তপ্রায় এক ঐতিহ্য

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত চড়কপূজা বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।চড়কপূজা উপলক্ষে বসে মেলা পাওয়া যায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হরেক রকমের পন্য।

ঢাকার আশেপাশে ডে ট্রিপঃ বিখ্যাত তিন জমিদার বাড়ি

এ জমিদার বাড়িতেই কাজি নজরুল ইসলাম প্রমীলা দেবীর প্রেমে পড়েছিলেন। লিখেছিলেন, "তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয় / সেকি মোর অপরাধ"

দুইদিনের রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণের আদ্যপ্যান্ত (শেষ পর্ব)

সোনামসজিদ স্থল বন্দর থেকে মহানন্দা নদীর পাড় ঘেঁষে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে বিজিবির ঘাটির পরেই দখল দরওয়াজা। দখল দরওয়াজা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার হেঁটে আমবাগানের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়ে একটি দিঘী পার হয়ে দক্ষিণ পশ্চিমে ঘোষপুর মৌজায় দারাসবাড়ি মসজিদ

দুইদিনের রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণের আদ্যপ্যান্ত (২য় পর্ব)

সেই সময় রাজশাহী বা মহাকালগড় অঞ্চলে নরবলী দেওয়ার প্রচলন ছিলো। জনগণ এই প্রথার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদী চেতনা লালন করতো। সর্বোপরি প্রশাসনিক ব্যাবস্থা ছিলো একদম দুর্বল। শাহ মখদুম শাসকের এই দুর্বলতা কে উপলব্ধি করে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

দুইদিনের রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভ্রমণের আদ্যপ্যান্ত

রাজবাড়ির মোট আয়তন ১২০ একর। ছোট-বড় ৮টি ভবন আছে। ২টি গভীর পুকুর ও ৫টি ছোট পুকুর আছে। রাজবাড়ি বেষ্টন করে আছে দুই স্তরের বেড়চৌকি। পুরো এলাকা ২টি অংশে বিভক্ত – ছোট তরফ ও বড় তরফ। রাজবাড়ির উল্লেখযোগ্য মন্দিরগুলো হল শ্যামসুন্দর মন্দির, আনন্দময়ী কালিবাড়ি মন্দির, তারকেশ্বর শিব মন্দির। ঘুরে ঘুরে দেখতে পারেন সব।

লালনের দেশে ও অন্যান্য (ঝিনাইদহ পর্ব)

প্রায় ৫০০ বছর আগে ফরিদপুরের তেলিহাট্টি পরগনার অধীন ভবরাসুর গ্রামে বসবাস করতেন ভট্টনারায়ণ। তারই উত্তরসুরি বিষ্ণুদাস হাজরা ঝিনাইদহের নলডাঙ্গার রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।

লালনের দেশে ও অন্যান্য

মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ায় দুই দিনের এই ভ্রমণে আমাদের মোট খরচ হয়েছিলো ২৫০০ টাকার মতো!

উত্তরবঙ্গে তিন দিনঃ দিনাজপুর ,ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় (শেষ পর্ব)

পৃথু রাজা এই দিঘীটি খনন করেন। কথিত আছে পৃথু রাজা পরিবার-পরিজন ও ধনরত্ম সহ ‘কীচক’ নামক এক নিম্ন শ্রেণীর দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়ে তাদের সংস্পর্শে ধর্ম নাশের ভয়ে উক্ত দিঘীতে আত্মহনন করেন। প্রতি বছর বাংলা নববর্ষে এই দিঘির পাড়ে মেলা বসে।

উত্তরবঙ্গে তিন দিনঃ দিনাজপুর ,ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়

১৭৫০ খ্রিস্টাব্দে প্রচণ্ড এক খরা দেখা দিলে পানির অভাবে মৃতপ্রায় হয়ে পড়ে হাজার হাজার প্রজা। এসময় দয়ালু রাজা প্রাণনাথ স্বপ্নাদেশ পেয়ে একটি পুকুর খনন করেন। মাত্র ১৫ দিনে এর খনন কাজ সম্পন্ন হয়।কিন্তু সেই পুকুর থেকে পানি না ওঠায় একসময় রাজা স্বপ্নে দৈববাণী পেলেন যে, তাঁর একমাত্র ছেলে রামকে দীঘিতে বলি দিলে পানি উঠবে।

আলোচিত পোস্ট