বাংলার পথে

একদিনে ফেনী ভ্রমণের আদ্যপান্ত (চতুর্থ পর্ব)

সেনেরখিলের জমিদার উপেন্দ্র সেনগুপ্ত চৌধুরী ও মহেন্দ্র সেনগুপ্ত চৌধুরীর দুই পর্যায়ে এই বাড়ি নির্মাণ করেন।। এই বাড়িতেই স্মৃতি জড়িয়ে আছে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মহানায়ক মাষ্টারদা সুর্যসেন ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের অসংখ্য স্মৃতি।

একদিনে ফেনী ভ্রমণের আদ্যপ্রান্ত (তৃতীয় পর্ব)

এ এলাকায় এক সময় হিন্দু জলদস্যুদের বিচরণ ছিল। ১৬৭০ সালে নোয়াখালী অঞ্চলে মোগল সাম্রাজ্যভুক্ত হওয়ার পর বারো ভূঞা নামে একদল মোঘল সদস্য এ নোয়াখালীতে আসেন। এদের মধ্যে একজন সেনাপতি দাগনভূঞা চৌধুরী এ জেলার শাসনকর্তা নিযুক্ত হন। সেই থেকে এ জায়গার নাম হয় দাগনভূঞা।

পতেঙ্গা সৈকতের ইতিবৃত্ত

সাগরের বুকে অস্তমিত সূর্যের ম্রিয়মান আলোর রূপ দেখতে, বিশুদ্ধ বাতাসে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে কার না ভালো লাগে। সাগরের উত্তাল হাওয়া সাময়িকভাবে হলেও বুকের ভিতর জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসের কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।

একদিনে ফেনী ভ্রমণের আদ্যপ্রান্ত (দ্বিতীয় পর্ব)

দিঘির একপাড়ে ভারত, অন্যপাশে বাংলাদেশের শেষ সীমানা! তারপর নো ম্যানস ল্যান্ড। নো ম্যানস ল্যান্ডেই পড়েছে শমসের গাজীর দিঘি। যদিও দিঘিতে নামতে আপত্তি নেই। 

একদিনে ফেনী ভ্রমণের আদ্যপ্রান্ত (প্রথম পর্ব)

বাংলার বিখ্যাত সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা বিজয় সেনের অমর কীর্তি ফেনীর বিজয় সিংহ দীঘি । এ দিঘির অবস্থান ফেনী শহরের প্রায় ২ কিলোমিটার পশ্চিমে ফেনী সার্কিট হাউজের পাড়ে।

ইছামতী ও পদ্মা তীরের অপূর্ব ছয় স্থাপত্য কীর্তি

এই ভ্রমণে আমরা যা দেখেছি- কোকিল প্যারি জমিদার বাড়ি, উকিল বাড়ি, জজ বাড়ি, আন্ধার কোঠা, শ্রীলোকনাথ সাহার বাড়ি, ইছামতি নদী, হাসনাবাদ গির্জা, পদ্মা নদী।

মধুমাসে লিচুর রাজধানী দিনাজপুরে ভ্রমণ

বিরল ও সদর উপজেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ির ভিটা, উঠান, আঙ্গিনাতেও লিচুর গাছ লাগিয়ে থাকে লিচু চাষিরা। দরদাম করে গাছ থেকে নিজ হাতে পেরে লিচু খেতে পারবেন এখানে।

একদিনে নোয়াখালীঃ অপূর্ব বজরা শাহী মসজিদ ও গান্ধী আশ্রম ভ্রমণ

মোঘল স্থাপত্যের এক অপূর্ব নিদর্শনের সাক্ষী ঐতিহাসিক বজরা শাহী মসজিদ।  মোগল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের আমলে ১১৫৩ হিজরী সাল মোতাবেক ১১৩৯ বাংলা এবং ১৭৩২ সালে জমিদার আমানউল্যাহ বজরা শাহী মসজিদ নির্মাণ করেন। 

লখিন্দর ও বেহুলা : এক কালজয়ী উপখ্যান ( বেহুলা পর্ব)

সে যুগ থেকে আজ পর্যন্ত লোক মুখে মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে লখিন্দর বেহুলার প্রেম কাহিনী। এই লোক কাহিনী এত জনপ্রিয় ছিল তার উপর নির্ভর করে ১৯৬৯ সালে জহির রায়হান নির্মাণ করেন বাংলা চলচিত্র "বেহুলা"।

লখিন্দর ও বেহুলা : এক কালজয়ী উপাখ্যান (চাঁদ সওদাগর পর্ব)

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার পিছের ইতিহাস/মিথ না জেনে দেখতে যাওয়া আর আপনার ঘরের পিছে সুন্দর একটা বাড়ী দেখতে যাওয়া একই কথা। মিথ কিন্তু ইতিহাসের অংশ নয়। তবে এই মিথ গুলো আপনার ভ্রমণ কে করে তুলে আরও আনন্দময়।

বাংলাদেশের সেরা দশ রিসোর্ট

ভ্রমণের জন্য শহুরে যান্ত্রিক জীবনের ফাঁকে দেশে বসেই পেতে পারেন বিলাসবহুল ভ্রমণের মজা। বিশ্বের সেরা সব সুবিধা নিয়ে আমাদের দেশের এই রিসোর্টগুলো আছে আপনারই অপেক্ষায়। 

ঝর্ণার স্বর্গরাজ্য মিরসরাই এর দশ ট্রেইল

মিরসরাই সীতাকুন্ড অঞ্চলকে বলা হয় বাংলাদেশের ঝর্নার স্বর্গ। এই রুটে কেবল ট্রেইলই আছে ১০টি, ঝর্ণার সংখ্যা তো অগণিত!  যে ট্রেইলেই যাবেন সহজে বলে দিলাম কি কি আছে এবং যাওয়ার রুট। 

সেন্ট মার্টিন এর পশ্চিম বিচঃ সমুদ্রতটে চন্দ্রাহত

পশ্চিম দিক জুড়ে রয়েছে প্রায় ১০-১৫ কিলোমিটার প্রবাল প্রাচীর। দ্বীপের শেষ মাথায় সরু লেজের মত আর একটি অবিচ্ছিন্ন দ্বীপ রয়েছে যার নাম ছেঁড়াদ্বীপ।

বান্দরবানের সেরা পাঁচ রিসোর্ট

গুনে, মানে, রূপে ও সেবায় সর্বশ্রেষ্ঠ ৫ রিসোর্ট নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন। এই রিসোর্ট গুলো বাংলাদেশের রিসোর্ট সম্পর্কে আপনার ধারণা পাল্টে দেয়ার ক্ষমতা রাখে! 

একদিনে ঘুরে আসুন অপূর্ব মিঠামইন হাওর 

যতোদূর চোখ যায় কেবল পানি আর পানি, দূরে দ্বীপের মতো দাঁড়িয়ে থাকা গ্রামের বাড়ি গুলো, তারপর আবার অথই পানি। মাথার উপর দিয়ে চলে যায় বকের দল, কোথাও পানি উপরে দাঁড়িয়ে থাকা গাছ জানান দেয় তার অস্তিত্ব। অপূর্ব মনভোলানা দৃশ্য! মুহুর্তেই মন ভালো হতে বাধ্য।  অপূর্ব এই হাওরটি মিঠামইন হাওর। 

আলোচিত পোস্ট