‘নন্দকান্ত নন্দাঘুটি’ এক আশ্চর্য অভিযানের নাম, কোন বাঙালি অভিযাত্রী দলের যেমন প্রথম পর্বত অভিযান, একই সাথে ভারতবর্ষের প্রথম কোন সম্পূর্ণ  বেসামরিক দলের শিখর অভিযানও। কোলকাতার কয়েকজন মধ্যবিত্ত বাঙালি যুবক বেসিক পর্বতারোহণের প্রশিক্ষণ নিয়েই জীবনস্রোত, পরিবার ইত্যাদি আটপৌরে সব বাঁধা দলে উঠেছিলেন হিমালয়ের এক পর্বত শিখরে।

নন্দকান্ত নন্দাঘুটিনন্দকান্ত নন্দাঘুটি

অসামান্য বইটির ফ্ল্যাপে লেখা আছে,

“বাঙালির জীবনে নাম নন্দাঘুটি অভিযান ঐতিহাসিক ঘটনা। ১৯৬০ সালের সবচেয়ে বিস্ময়কর ও আনন্দদায়ক সংবাদ। নন্দাঘুটি বিজয় বাঙ্গালীর গর্ব। কয়েকজন মধ্যবিত্ত চাকুরীজীবী বাঙালি যুবক সেদিন স্বপ্ন দেখেছিল এবং একটি ইচ্ছাকে মনে প্রাণে লালন করেছিল-যেভাবেই হোক দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে উঠতেই হবে পর্বত শৃঙ্গে। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের আর্থিক সহায়তা, সহানুভূতি ও শুভেচ্ছা সম্বল করে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছিলেন সেই অভিযাত্রী দল। আজকের দিনে অবিশ্বাস্য সেদিনের এই অভিযান। এই গ্রন্থের ধারা আছে সেই অভিযাত্রার অনুকূল ইতিহাস। সাংবাদিক গৌর কিশোর ঘোষ এই অভিযাত্রী দলের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন উদ্যোগ পর্বের গোড়ার দিকে।

পর্বত অভিযানের কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই তিনি সানন্দে নিহিত হয়েছিলেন এই অভিযান। তবে এ অভিযানের সপ্তাহ লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বিবরণ নয়। যেটুকু তিনি দেখেছেন সেসব তো আছেই, যা তিনি দেখেননি তা সংগ্রহ করেছেন অন্যান্য সদস্যদের দিনলিপি ও চিঠিপত্র থেকে। তারপর আশ্চর্য্য কৌশলে মিশিয়ে দিয়েছেন চলন্ত অভিজ্ঞতার ইতিবৃত্তের সঙ্গে সহযাত্রীদের হৃদয়ের কথা।“

জনাকীর্ণ কলকাতার ঘুপচি গরমে  ছাপাখানারগুমোটের মাঝ থেকে শুধু দিন যাপনের গ্লানি মাখা জীবন থেকে বেরিয়ে যেতে চেয়েছিলেন কয়েকজন তরুণ, তাদের একাধিকজন পাহাড়ে চড়ার ট্রেনিং নিয়ে এসেছেন দার্জিলিং-এর হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট থেকে।  কেউ আবার কৈলাস-মানাসের পথ হয়ে হাইকিং করে আসা, কেউবা মুক্তিনাথ হয়ে এসেছেম। মোদ্দা কথা-সকলেই হিমালয় প্রেমী!

তাদের সকলেরই স্বপ্নও কলকাতার এই ম্যাড়ম্যাড়ে জনজীবন থেকে আবার হিমালয় যাওয়া, অ্যাডভেঞ্চার করার, অভিযান শুরু  করা।

কি আছে হিমালয়ে? কত লোকের কাছ থেকে কত বার এই প্রশ্ন শুনতে হয়েছে।  সুকুমারের মাঝে মাঝে বলতে ইচ্ছে হয়, “কেন হিমালয়!”

সুকুমার জানে প্রশ্নকর্তা  খুশি হবে না কারণ সে এর মর্ম বুঝবে না!বরং নিজেরা নিজেরাই তারা পরিকল্পনা করতে থাকে হিমালয় বেরিয়ে পড়ার নেশা থেকেই। এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয় তাদের অভিযানের লক্ষ্য হবে রূপকুণ্ড, হোমকুণ্ড হয়ে ২০ হাজার ৭০০ ফুট উচ্চতার পর্বতশিখর নন্দাঘুন্টি চূড়া!

কিন্তু এটি সম্বন্ধে খুব একটা তথ্য মেলে না, অথচ সেখানে একাধিক অভিযান চালিয়েছেন ব্রিটিশ সাহেবেরা।  যেখানে যায় খবর পাওয়া যায় গাড়োয়াল হিমালয়ে আছে ভারতের সবচেয়ে উঁচু পর্বত নন্দাদেবী, তার দক্ষিণ  বেশকিছু পর্বতের মধ্যে আছে নন্দকান্ত-নন্দাঘুটি।

সবার জন্যে শ্রদ্ধাসবার জন্যে শ্রদ্ধা

এর মাঝে সুকুমার জানিয়েছেন তার পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ এর জন্য দার্জিলিংয়ের মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট এর অবস্থানকালীন সময়ের অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে এভারেস্টজয়ী তেনজিং নোরগের ব্যবহার ছিল একেবারেই অনভিপ্রেত ও অত্যন্ত শীতল,  কোন মতেই সাহায্য করতে চান না আলাদা ভাবে তরুণ প্রাণদের, সেখানে তার মনে আসে এডমুন্ড হিলারির সাথে সাক্ষাতের স্মৃতি যেখানে নিউজিল্যান্ডের সেই মহৎপ্রাণ খুবই গুরুত্ব দিয়ে বলেছিলেন তরুণদের অভিযানের যাবার জন্য। তাদের অনেক উৎসাহ দিয়েছিলেন দেখা করা মাত্রই।

সে দেখেছে অধিকাংশই যারা প্রশিক্ষণ নিতে এসেছে তারা মিলিটারী অফিসার, হিমালয় তাদের আগ্রহ নেই, একমাত্র চাকুরীর পদোন্নতির জন্যই এই প্রশিক্ষণ নেওয়া। ট্রেনিং শেষে কোলকাতায় ফিরেই  ৭ জনের দল ঠিক হলো কিন্তু টাকা? এ তো আর নিছক দুই-পা ফেলা নয়,  পাহাড়ে যাওয়া,  যেখানে গুচ্ছের সব জিনিস লাগে। শুরু হলো সমস্ত জিনিস সংগ্রহের কাজ।অনেক হিসেব করে সবচেয়ে সস্তা ভাবে চলেও নিজেদের  কুলির খরচ কমিয়ে তারা হিসাব করে ছিল ১২ হাজার টাকা লাগবেই লাগবে!

অবশেষে এক পরিচিতের মাধ্যমে আনন্দবাজার পত্রিকার শ্রী অশোক কুমার সরকারের সাথে মুখোমুখি মিটিং-এ বসতে সক্ষম হলো তারা।   তাদের তারুণ্যে এবং অটুট সংকল্পে মুগ্ধ হয়ে কেবল জিজ্ঞাসা করলেন,  “কি পারবেন?”

ব্যস, ঐ এক কথাতেই ১২ না, ১৮ হাজার টাকার ব্যবস্থা করে দিলেন অভিযাত্রীদের চাহিদা মত।

অবশেষে ২৫ সেপ্টেম্বর হিমালয় বাঙালি অভিযান শুরু হল,যারা চলেছেন দুর্ধর্ষ নন্দাঘুটি পর্বতশিখর জয় করতে, তারা হলেন দলনেতা সুকুমার রায়, অন্যান্যরা বিশ্বদেব বিশ্বাস, ধ্রুরঞ্জন মজুমদার, নিমাই বসু, ফটোগ্রাফার দিলীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শেষকিরণ সুরানা।

এর মাঝেই শুক্রবার সুকুমার আর ধ্রুব দার্জিলিং গিয়েছিল সরঞ্জাম সংগ্রহ করা এবং গাইড-কুলি নিয়োগের জন্য, অত্যন্ত দুঃখজনক ভাবে  তেনজিং নোরগে সেখানে তাদের কোনো সাহায্য করলেন না, বরং কিছুটা বাঁধার সৃষ্টি করলেন নানা ভাবে।  আর বললেন ‘ যা যা লাগবে তার কিছু জিনিস আমার কাছ থেকে ভাড়া নিতে পারো। ইনস্টিটিউট থেকে যে দেবার কথা ছিল সেগুলো ব্রিগেডিয়ারে জ্ঞান সিং-এর অনুমতি ছাড়া দেওয়া যাবে না”।

এদিকে ব্রিগেডিয়ার জ্ঞান সিং সরাসরি বললেন যে, “ তোমার পাহাড়ে চড়ার অভিজ্ঞতা নেই”।

সুকুমার জানতে চাইলো, - আমাদের কেন সাহায্য করছেন না? মিলিটারির লোক নই বলে, নাকি বাঙালি বলে? আর পাহাড়ে চড়ার অভিজ্ঞতা পাহাড়ে না চড়লে কি ভাবে হতে পারে!

যাই হোক, নানা তিক্ত অভিজ্ঞতার পর কাজ বেশ খানিকটা এগোনোর পরে দেখা গেল  দলে কোন ডাক্তার নাই ফলশ্রুতিতে ডাক্তার অরুণকুমার পরকে নিতে হলো এবং সেইসাথে আনন্দবাজার পত্রিকার পক্ষ থেকে যোগ দিলেন গৌরকিশোর ঘোষ লেখক হিসেবে।

বয়সে তিনি কিছুটা প্রবীণ,  অন্যদের ওজনের প্রায় দ্বিগুণ, রক্তচাপের আধিক্যও আছে, তবুও তিনি যতদূর পারবেন দলের সাথে যাবেন।

বাঙালির যে কতগুলো বিশিষ্ট চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আছে তার প্রমাণ পাওয়া গেল এই যাত্রায় অভিযান শুরুর সময়, যাদের কোনই খবর ছিল না,  যারা সবসময় এই অভিযানের বিরুদ্ধে বলে এসেছে , তারা ভিড় করে এসেছে স্টেশনে,  তিল ধারণের জায়গা নেই, ‘এই যে  সাহেব’ বলে ফুলের মালা পড়িয়ে দিচ্ছে, সেইসাথে তাদের মালপত্র  তুলে তুলে ফেলছে কামরার ভেতর!

যাত্রার আগেযাত্রার আগে

 

এরপরে লেখকের ডায়রীতে জানা যায় অপূর্ব সব পরিকল্পনা এবং সেইসাথে পথে পথে দেখা দেয়া বিপদকে তারা কী করে মোকাবেলা করে সামনে এগোলেন। অন্যতম বড় মুশকিল হল মালামাল পরিবহন নিয়ে, বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা পার হয়েও তারা দেখলেন তাদের সমস্ত মালপত্রের ওজন অন্তত ৬০ মণ এবং কোনভাবে অন্তত ৬০ জন কুলির কমে চলবে না! আর আগের ব্রিটিশ অভিযাত্রীদের কথা থেকে জানা গেছে সেই অঞ্চলের ‘ধোটিয়াল’ মালবাহকদের কথায় কথায় বিগড়ে যাওয়ার স্বভাবের কথা! শেষ পর্যন্ত ‘শের সিং’ নামের এক কুলি সর্দারের দায়িত্বে মালবাহকদের দল গঠন হল, এবং মূল অভিযান শুরু হলো নানা নাটকীয়তার পরে।

অভিযানের ছবিঅভিযানের ছবি

অভিযান শুরুর পর থেকে লেখক গৌরকিশোর ঘোষ অপূর্ব মুন্সিয়ানায় বেশ ক'জনের দিনলিপি থেকে খুব চমৎকার ভঙ্গীতে মিশিয়েছেন  সকলের অভিজ্ঞতা। মনে রাখতে হবে হিমালয়ে ১৯৬০ সালে অনেক ক্ষেত্রেই ৭ থেকে ১২ হাজার ফুট পর্যন্ত উপরে উঠতে হলে কুড়াল দিয়ে গাছ কেটে, আগাছা পরিষ্কার করে পথ তৈরি তৈরি করতে করতে উঠতে হয়েছে।  কাটা গাছগুলো হয়েছিল তাদের জন্য পথের নিশানা কারণ এখনকার মতো জনপ্রিয় পথগুলো তখনো তৈরি হয়নি।

কিন্তু বরফ এলাকায় পৌঁছানোর পর কুলিরা বিদ্রোহের মত করে বলেছিল সেখানে আমরা যাবো না! ঐখান থেকে আমরা জান নিয়ে ফিরতে পারবো না, তাই বরফের উপর কোন অভিযানে যাব না!

একপর্যায়ে নানা রকমের চেষ্টা ব্যর্থ হবার পর, শেষে মদন আর বিশ্বজিৎ অনেকটা বিদ্রূপ করে শের সিং কে পুরুষত্বের দোহায় দিয়ে, তাদের ফেলেই যাত্রা শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ‘শহুরে বাঙালি বাবু যা করে, তা আমরা কেন পারব না’ – এই চিন্তায় বলিয়ান হয়ে মালবাহকেরাও রওনা দেন উঁচু তুষার ক্যাম্পের পথে।

কিভাবে তারা বেসক্যাম্পে পৌঁছালেন নিজেরাই পথ তৈরি করে সেই চমক পাঠকদের জন্যই তোলা থাক, আবার পথিমধ্যে দু'এক জায়গায় হিমালয়ের কিংবদন্তীর তুষার মানব  বা ইয়েতির পায়ের ছাপ দেখেছেন বলে দাবি করেন  অভিযাত্রী এবং কুলিরা,যা আরও রোমাঞ্চ যোগ করে শিখর যাত্রায়।

শেষ পর্যন্ত নানা অবস্থায় পড়ে অ্যাডভান্স বেস ক্যাম্পে এসে পৌঁছালেন দুই বাঙ্গালি,দুই শেরপা এবং তিনজন মালবাহক।

এরপরের যে বর্ণনা সে বর্ণনার সাথে সমতলের মানুষেরা খুব একটা পরিচিত না, নরম নরম  তুষার, হিমবাহের কঠিন নিষ্ঠুর দেয়াল,  যেখানে পাথরে বাতাস চক্কর খেয়ে হাড়ে এসে বিঁধে যেন।

এদিকে  খাবারে দিনের পর দিন একই খাবার খেয়ে অরুচি ধরে গেছে অভিযাত্রীদের আর খেতে ইচ্ছা করছে না ,কোন মতে দুই চামচ ভাত বা একটি চাপাটি রুটি, জলের সংস্থান হচ্ছে বরফ গলিয়ে এই সময়ে দেখা গেল কুলিদের অন্য একটি রূপ! বাবুদের সমস্যা হচ্ছে বলে তারা তাদের প্রত্যেকের আদরের খাদ্যবস্তু থেকে তাদের ভাগের আলু-গাজর দিয়ে বললেন,  ‘সাহেব, আমাদের চাপার্টিতেই কাজ হয়ে যাবে, আপনারা আলু খান!”

সাতজন সেবা তাদের উঁচু অবস্থায় খাপ খাওয়ানোর জন্য সেই ক্যাম্পেই  থাকলেন যেখান থেকে নিয়মিত দেখা যাচ্ছিল না তখন নন্দাঘুটির চূড়া দেখা যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় তিন নাম্বার শিবির স্থাপন করতে পারলেন তারা, আর মাত্র ৩ হাজার ফুট, তার পরেই আরাধ্য শৃঙ্গ!

কিন্তু সেই সময়ই প্রচন্ড হাওয়ার বেগ বৃদ্ধি পায়, শীত বেড়ে যায় অনেক বেশি।  অভিযাত্রীরা কাবু হয়ে পড়ে তীব্র হাড়কাপানো বাতাসে।  তারা সিদ্ধান্ত নেয় আগামীকালই চূড়ান্ত অভিযান, শিখরের পথে যাত্রার!

সে রাতে তারা সিদ্ধান্ত নিল  একটি তালিকা তৈরি করার, যেখানে তারাই যারা যারা অভিযানে এসেছে, সাহায্য করছে এবং সমর্থন করেছে প্রত্যেকের নাম লিখে সেটি শিখরে রেখে আসবেন,  এমনকি তেনজিং নোরগের নামও!

শেষ দিনের অভিযানে হিমশীতল পথেও এক জায়গায় থাকে নরম বরফে ঢাকা কার্নিশের মতো ভাঙ্গা অংশ দিয়ে হয়ে উঠছতে তাদের অত্যন্ত কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ‘টাসি’ নামের পর্বতারোহী প্রায় লাফ দিয়ে সেই বাঁধা অতিক্রম করে উপরে উঠে দড়ি নামে দিলে সেখানে একে একে সকলে উঠলেন!

এই জায়গাটিতে চাতাল এর মত ৩০ ফুট ব্যাস বিশিষ্ট  সমতল মতো, দুটি তাবু অনায়াসেই খাটানো যায়, পশ্চিম প্রান্ত সমতল, সেই সময় তারা বুঝলেন,

 “আরে আরতো ওঠা জায়গা নেই, আমরা এখন নন্দাঘুণ্টি চূড়াতে, ২০ হাজার ৭০০ ফুট উচ্চতায়!”

 

বাঙালীজাতির পক্ষ থেকে সুকুমার এবং দিলীপ চূড়ায় পৌঁছেছিলেন। সেই সাথে এটি ছিল প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ বেসামরিক একটি অভিযান। এই অভিযানের সাফল্য যেন ভারতবর্ষে নতুন করে পৌঁছে দিল বাঙালির সক্ষমতার বার্তা।

লেখকের কথালেখকের কথা

 ( তবে শম্ভুনাথ দাসের সম্পাদিত ‘হিমালয় ভ্রমণ ও ভাবনা’ বইতে  আরও আগে দুইজন বাঙ্গালীর সিকিম হিমালয়ে অবস্থিত প্রায় ২২ হাজার ফুট উচ্চতার ‘পান্ডিম’ শিখর অভিযানের কথা জানা যায়। সে নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সন্ধান করে লেখা ইচ্ছে থাকল।)

(১৯৬২ সালে প্রথম প্রকাশিত বইটি ২০১৬ সালে আবার প্রকাশ করেছেন আনন্দ পাবলিশার্স ), এই বইটির সন্ধান প্রথম দিয়েছিলেন ভ্রমণপিপাসু সৈয়দ আখতারুজ্জামান ভাই, যার সাথে দেশে-বিদেশে বেশ কয়েকবার ভ্রমণ ছাড়াও একাধিক ভার হিমালয়ে যাওয়া হয়েছে এক সাথে, বিশেষ করে এই বছরেই এভারেষ্ট বেস ক্যাম্প ট্রেকিং করে আসলাম আমরা এই বছরেই। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।)