বই

জসীম উদদীনের ভ্রমণকাহিনী ‘চলে মুসাফির’

পল্লী কবি জসীম উদদীন ১৯৫০ সালে মার্কিন দেশে গেছিলেন সরকারি সহায়তায়, পথিমধ্যে থেমেছিলেন বাহরাইন, লন্ডনে এবং আইসল্যান্ডে অল্প সময়ের জন্য, আবার আমেরিকার থেকে ফিরে গিয়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেই সময়ের অধিবাসীদের গল্প লিখেছিলেন সরল ভাষায় ‘চলে মুসাফির’ বইতে।

সুনীলের ‘রাশিয়া ভ্রমণ’

সোভিয়েত ইউনিয়ন সময়ের একেবারে শেষদিকে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সরকারি আমন্ত্রণে গিয়েছিলেন সেই অঞ্চলে, বিশাল সেদেশে তিনি ছিল খুবই অল্প সময় এবং মাত্র ৪ জায়গায় তার যাওয়া হয়েছিল সেই স্মৃতি থেকে লিখেছিলেন সাকুল্যে ১৮০ পাতার ছোট্ট একটি বই ‘রাশিয়া ভ্রমণ’

নন্দকান্ত নন্দাঘুটি- বাঙালির প্রথম পর্বতারোহণ

এরপরের যে বর্ণনা সে বর্ণনার সাথে সমতলের মানুষেরা খুব একটা পরিচিত না, নরম নরম  তুষার, হিমবাহের কঠিন নিষ্ঠুর দেয়াল,  যেখানে পাথরে বাতাস চক্কর খেয়ে হাড়ে এসে বিঁধে যেন।

দ্য হুইসপারিং ল্যান্ড

দীর্ঘ আট মাস ল্যাতিন আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম দেশে আর্জেন্টিনায় ছিলেন, চষে বেড়িয়েছিলেন আমাদের গ্রহের শেষ বুনো প্রান্তর প্যাটাগোনিয়া, মিশেছিলেন স্থানীয়দের সাথে, পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন সেই ঊষর প্রান্তরের অধিবাসী, বিরল বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণিজগতের সদস্যদের সাথে, সেই চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা নিয়ে দ্য হুইসপারিং ল্যান্ড নামের এক অসাধারণ বই আমাদের জন্য লিখে গিয়েছেন ডারেল

বাঙ্গালী ভূ-পর্যটক রামনাথের জীবনীগ্রন্থ

“দেশ দেখা যার একমাত্র কাজ, তার আবার হারিয়ে যাওয়া কী?”

বই রিভিউঃ তারেক অণুর পৃথিবীর পথে পথে

তারেক অণুর ‘পৃথিবীর পথে পথে’ নিছক ভ্রমণ কাহিনী নয়। ভ্রমণের সাথে আবেগ, মানবতা, ইতিহাস, শিল্পকলা, সাহিত্য একাকার হয়ে বাংলা ভ্রমণ সাহিত্যের অন্যতম সম্পদ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার অপেক্ষায়।

বই রিভিউঃ একেবারে চূড়ায়, মাথার খুব কাছে আকাশ 

একই দড়িতে আরোহণ করে আমাদের আগে আরো তিনটি দল সামিট করেছে। তাই দড়িটি পুরোনো হয়ে গেছে। আইস পিটনগুলোও নড়বড়ে হয়ে গেছে। সেই দড়িতে আমরা সাতজন ঝুলে আছি। কী এক মৃত্যুময় আনন্দে মৃত্যুর ভয়কে উপেক্ষা করে উপরের দিকে জুমারিং করছি।

বই রিভিউঃ আমি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখিনি

লেখকের দার্জিলিং ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য ছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন করা। ৮০০০ ফুট উচ্চতার টাইগার হিলে দাঁড়িয়ে তিনি কি পেরেছিলেন দেখতে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে? নাকি সূর্যোদয় দেখেই তৃপ্ত হয়েছিলেন? টাইগার হিলের বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যাবে “আমি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখিনি” পর্বটিতে।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (শেষ কিস্তি)

সৃষ্টির অপার সৌন্দর্য্য এই পর্বত। এর রূপ দেখে তৃপ্তি পাওয়া মনুষ্যজীবনে সম্ভব না। মেঘে ভেসে আলিঙ্গন করে স্বপ্নবাজ মানুষগুলো শ্বেত-শুভ্র পুতপবিত্র পর্বতকে। হে পর্বত, তোমাকে জয় করতে নয় ক্ষমা চাইতে বারবার ছুটে আসবো চূড়ায়। 

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (১৩তম কিস্তি)

দুই শেরপা আমাদের আগেই নেমে গেছে। তাদের কাছে বিজয় ও আমাদের নামার খবর পেয়ে বিথী ও রিনি আনন্দে আত্মহারা। তারা আমাদের জন্য গরম পানি নিয়ে এগিয়ে এসেছে। পথেই সবাই আনন্দে লাফালাফি করলাম। 

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (১২তম কিস্তি)

জীবনের প্রথম কোনো পর্বতের চূড়ায় পা রাখার আনন্দের  সুখ পেলাম। মনের অজান্তেই চোখের কোণে পানি স্বপ্ন জয়ের বহিঃপ্রকাশ করলো। বাকশূণ্য হয়ে শুধু চারপাশ দেখছি। সকল কষ্ট মূহুর্তেই ভুলে গেলাম

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (১১তম কিস্তি)

কী এক মৃত্যুময় আনন্দে মৃত্যুর ভয়কে উপেক্ষা করে উপরের দিকে জুমারিং করছি। জুমারিং করার সময় দড়ি নিচের দিকে ঝুলে। তখন ভয়ে গা শিউরে উঠে। এই বুঝি দড়ি ছিঁড়ে নিচে পরে যাচ্ছি।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (১০ম কিস্তি)

মেঘ এসে চারপাশ হোয়াইট আউট করে দিলো। ঠান্ডা বাতাসও যেন পাল্লা দিয়ে ছুটে চলছে। কয়েক’শ ফুট দূরের কিছু দেখা যাচ্ছে না। রাস্তার খুব পিচ্ছিল। পা রাখাই যাচ্ছে না। তবু আস্তে আস্তে নিচে নামছি আমরা। প্রতি মূহূর্তে দুর্ঘটনার আশংকা। 

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৯ম কিস্তি)

আস্তে আস্তে উপরে উঠছি। ছোট বড় পাথরের বোল্ডারের পাশ ঘেঁসে, উপর দিয়ে। বড় একটি পাথরের খাঁজে উঠে এলাম।  ১৫৫৩০ ফুট উচ্চতায়।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (৮ম কিস্তি)

বরফ গলা  নদী বয়ে চলছে আপন গতিতে। স্বচ্ছ পানির কলকল শব্দ মিশে যাচ্ছে মেঘেদের সাথে। আমরা সেই নদী পাড় হলাম পাথরের উপরে লাফিয়ে লাফিয়ে। নদীর পাশ দিয়ে সমতল ভূমির উপর দিয়ে হেঁটে চলছি।

আলোচিত পোস্ট


আজকের ছবি-২১-১১-১৭

আজকের ছবি-২১-১১-১৭

মঙ্গলবার, নভেম্বর ২১, ২০১৭