বই

বিশ্ব বাঘ দিবসে বাঘের বই

পরবর্তীতে স্বয়ং দালাই লামা যে কোন ধরনের বুনো প্রাণীর চামড়া বা অঙ্গ সংগ্রহের বিরুদ্ধে সরাসরি ভাষণ দিলে হাজার হাজার তিব্বতি তাদের শখের বাঘের, তুষার চিতার, চিতাবাঘের চামড়া পুড়িয়ে ফেলে। আশা করা যায় অন্তত তিব্বতের অধিবাসীদের চাহিদা কমার কারণে বাঘের মৃত্যুর হার কিছুটা হ্রাস পাবে।

শতবর্ষ আগের ময়মনসিংহের পশু-পাখি

মধুপুরের জঙ্গলে বানর সবখানেই দেখা যায়। গারো পাহাড়ের পাদদেশে উল্লুকের ডাক শোনা যায় বটে, কিন্তু তাদের দেখা পাওয়া কঠিন। 

আনলির, আমার তুর্কি পরিবার

এই ব্যাপারে আমার ব্যক্তিগত নীতি হচ্ছে- পথ চলতে থাকো, যার সাথে বন্ধুত্ব হয় হবে, রাজাকার তোষণকারি ছাড়া কাউকে শত্রু বানানোর দরকার নেই।

যদ্যপি আমার গুরু

আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ তাঁর, সেই সাথে জীবনপাত্র উছলে পড়া কৌতূহল। জগতের যে কোন খুটি-নাটি নিয়ে চমকপ্রদ অজানা সব তথ্য দিয়ে বাকরুদ্ধ করে দেন তিনি আমাদের, এবং সেই জ্ঞানের কথা বলার সময় তাঁর কণ্ঠে অহংবোধ বা সবজান্তার মুন্সিয়ানার ছোঁয়াটুকু থাকে না, থাকে কেবল জানার আনন্দ।

পাখিদের সুখদুখের কথা

বইয়ের শুরুতেই লেখক বলছেন, ‘আমাদের মতো পাখির মনেও অনেক আনন্দ। আবার কিছু দুঃখও আছে পাখির মনে। মানুষের হাতে পাখি কষ্ট পায়। অনেক সময় না জেনেই মানুষ পাখির ক্ষতি করে।

বুক রিভিউ : পর্বতের নেশায় অদম্য প্রাণ

বন্ধুরা, বলছিলাম অকাল প্রয়াত পর্বতারোহী সজল খালেদের কথা। এড ভিশ্চার্যের এই বিখ্যাত বইটির অনুবাদ শেষ করেই তিনি পাহাড়ের বুকে নিজের জীবনকে সপে দিয়েছেন।

জসীম উদদীনের ভ্রমণকাহিনী ‘চলে মুসাফির’

পল্লী কবি জসীম উদদীন ১৯৫০ সালে মার্কিন দেশে গেছিলেন সরকারি সহায়তায়, পথিমধ্যে থেমেছিলেন বাহরাইন, লন্ডনে এবং আইসল্যান্ডে অল্প সময়ের জন্য, আবার আমেরিকার থেকে ফিরে গিয়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেই সময়ের অধিবাসীদের গল্প লিখেছিলেন সরল ভাষায় ‘চলে মুসাফির’ বইতে।

সুনীলের ‘রাশিয়া ভ্রমণ’

সোভিয়েত ইউনিয়ন সময়ের একেবারে শেষদিকে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সরকারি আমন্ত্রণে গিয়েছিলেন সেই অঞ্চলে, বিশাল সেদেশে তিনি ছিল খুবই অল্প সময় এবং মাত্র ৪ জায়গায় তার যাওয়া হয়েছিল সেই স্মৃতি থেকে লিখেছিলেন সাকুল্যে ১৮০ পাতার ছোট্ট একটি বই ‘রাশিয়া ভ্রমণ’

নন্দকান্ত নন্দাঘুটি- বাঙালির প্রথম পর্বতারোহণ

এরপরের যে বর্ণনা সে বর্ণনার সাথে সমতলের মানুষেরা খুব একটা পরিচিত না, নরম নরম  তুষার, হিমবাহের কঠিন নিষ্ঠুর দেয়াল,  যেখানে পাথরে বাতাস চক্কর খেয়ে হাড়ে এসে বিঁধে যেন।

দ্য হুইসপারিং ল্যান্ড

দীর্ঘ আট মাস ল্যাতিন আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম দেশে আর্জেন্টিনায় ছিলেন, চষে বেড়িয়েছিলেন আমাদের গ্রহের শেষ বুনো প্রান্তর প্যাটাগোনিয়া, মিশেছিলেন স্থানীয়দের সাথে, পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন সেই ঊষর প্রান্তরের অধিবাসী, বিরল বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণিজগতের সদস্যদের সাথে, সেই চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা নিয়ে দ্য হুইসপারিং ল্যান্ড নামের এক অসাধারণ বই আমাদের জন্য লিখে গিয়েছেন ডারেল

বাঙ্গালী ভূ-পর্যটক রামনাথের জীবনীগ্রন্থ

“দেশ দেখা যার একমাত্র কাজ, তার আবার হারিয়ে যাওয়া কী?”

বই রিভিউঃ তারেক অণুর পৃথিবীর পথে পথে

তারেক অণুর ‘পৃথিবীর পথে পথে’ নিছক ভ্রমণ কাহিনী নয়। ভ্রমণের সাথে আবেগ, মানবতা, ইতিহাস, শিল্পকলা, সাহিত্য একাকার হয়ে বাংলা ভ্রমণ সাহিত্যের অন্যতম সম্পদ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার অপেক্ষায়।

বই রিভিউঃ একেবারে চূড়ায়, মাথার খুব কাছে আকাশ 

একই দড়িতে আরোহণ করে আমাদের আগে আরো তিনটি দল সামিট করেছে। তাই দড়িটি পুরোনো হয়ে গেছে। আইস পিটনগুলোও নড়বড়ে হয়ে গেছে। সেই দড়িতে আমরা সাতজন ঝুলে আছি। কী এক মৃত্যুময় আনন্দে মৃত্যুর ভয়কে উপেক্ষা করে উপরের দিকে জুমারিং করছি।

বই রিভিউঃ আমি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখিনি

লেখকের দার্জিলিং ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য ছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন করা। ৮০০০ ফুট উচ্চতার টাইগার হিলে দাঁড়িয়ে তিনি কি পেরেছিলেন দেখতে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে? নাকি সূর্যোদয় দেখেই তৃপ্ত হয়েছিলেন? টাইগার হিলের বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যাবে “আমি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখিনি” পর্বটিতে।

মাউন্ট কেয়াজো-রি শিখরে বাংলাদেশ (শেষ কিস্তি)

সৃষ্টির অপার সৌন্দর্য্য এই পর্বত। এর রূপ দেখে তৃপ্তি পাওয়া মনুষ্যজীবনে সম্ভব না। মেঘে ভেসে আলিঙ্গন করে স্বপ্নবাজ মানুষগুলো শ্বেত-শুভ্র পুতপবিত্র পর্বতকে। হে পর্বত, তোমাকে জয় করতে নয় ক্ষমা চাইতে বারবার ছুটে আসবো চূড়ায়। 

আলোচিত পোস্ট


আজকের ছবি-২৩-০৪-১৮

আজকের ছবি-২৩-০৪-১৮

সোমবার, এপ্রিল ২৩, ২০১৮