প্রকৃতি

পাখি দেখতে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া

মে ২০১৬ তে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমন পিপাসু অনুভাইকে সঙ্গে নিয়ে রওনা করলাম টেকনাফের উদ্দ্যেশে।

সাদা স্বপ্নের খোঁজে

গাছ থেকে নেমে পিছু নিই পাখিটার। বড্ড চঞ্চল পাখি। আমার কৌতুহল মেটাতে তার বয়েই গেছে। আমিও ছাড়বার পাত্র নই।

কাজীপাড়া, মারেয়া ও সিংড়ার পাখি

হঠাৎ করেই ‘পান-বিড়ি-সিগেরেট’ ডাক কানে ভেসে আসলো। না, এটা আসলে কোন হকারের আওয়াজ নয়। একটি পাখির ডাক।

মিঠু-পাখির ছাও

‘এসব পাখি আমি ধরিনি। গ্রামের ছেলেরা পুরোনো নারকেল ও কড়ই গাছের ফোঁকর থেকে ছানাগুলো ধরে এনে আমার কাছে বিক্রি করেছে।’

প্রথমবার বুনো হাঁসের ছোঁয়া

ছুটে চললাম সব ফেলে শুধু এই নেশায় যে ওদের পর্শ করব।

যে পাখি তার ছানাকে নিজের পালক খাওয়ায় !

মানব শিশু যেমন আইসক্রিম দেখলে খুশীতে ডগমগ হয়ে হাত বাড়িয়ে দেয়, বড় খোঁপাডুবুরির বাচ্চারাও তেমনই আনন্দ নিয়েই আপনা পিতা-মাতার পালক গলাধকরণ করেই যাচ্ছে !

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী প্রাণী !

পেরেগ্রিন শাহিন সহজেই ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার ( ১১২ মাইল) পাড়ি দিতে পারে। যদিও এর ঘণ্টায় ৩২২ কিলোমিটার ( ২০০ মাইল) বেগে চলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

নিজের খাবারে তা দেয় যে পাখি!

উত্তরের বনের হিসাব পৃথিবীর আর সব বনের চেয়ে আলাদা, এখানের গাছ- ভুপ্রকৃতি যেমন আলাদা, তেমনই পশু-পাখিও অদ্ভুততর সব নিয়মে মানিয়ে নিয়েছে টিকে থাকার লড়াইয়ে।

সবচেয়ে বেশী গোপনীয়তা বজায় রেখে পরকীয়া করে কোন পাখি?

প্রথম স্ত্রী পাকরাচুটকি যেমন পরের মেয়েটি সম্পর্কে কিছুই জানতে পারে না, তেমন প্রেমিকা পাকরাচুটকিটিরও তার পুরুষপুঙ্গবের পরকীয়াময় সংসার জীবন সম্পর্কে কোন ধারণাই থাকে না !

রাজশাহীর পাখি

নদীর চর এবং তার উপরের বনাঞ্চলে রকমারি পাখিতো রয়েছেই, শহরেও আছে হরেক রকম পাখি।

লাদাখের পাখির রাজ্যে

আহা সে কী আনন্দ! মিনিট দশেক সময় ধরে দূর থেকে এই মহাবিপন্ন মহাদূর্লভ পাখিদের দেখে আমরা আবার লে শহরের পথে গাড়ি চালাতে থাকি।

পাখির রাজ্য পূর্বাচল

আমার দেখা পাখিগুলির মধ্যে আছে পাতি ফটিকজল, হুদহুদ, কালামাথা বেনেবউ, তিলা ঘুঘু, লাল রাজঘুঘু, খুড়–লে প্যাঁচা, হলদেগাল টিটি, খয়রা হাড়িচাচা, ধানি তুলিকা, হলদেপা হরিয়াল, সবুজঠোঁট মালকোয়া, মেটেপিঠ, তামাপিঠ ও বর্মি লাটোরা, ইউরেশীয় ঘাড়ব্যথা, পাতি কেস্ট্রেল, বাংলা নীলকান্ত, ছোট নথজিরিয়া ইত্যাদি।

শকুনের ম্যানেজার

তুমি মনে হয় কখনও শকুন দেখনি, বাংলার প্রকৃতিতে ঝকঝকে রোদের আকাশে তো নয়ই! শকুন হারিয়ে যাচ্ছে বলে অ্যানথ্রাক্সের মতো মারাত্মক পশুরোগ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে।

পাখিরা বেঁচে থাক, পৃথিবীটা জুড়ে থাক নির্ভয়ে

কারা আবার কিনবে! কিছু মানুষ রুপি জানোয়ার, যারা সৌন্দর্যের গলা টিপে মেরে ফেলতে ভালবাসে। এই জঘন্য জায়গায় আমার নিজের দেখা ৪টি ঘটনা বলছি যাতে সবাই বুঝতে পারে এখানের নির্দয় মানুষের কথা। 

আলোচিত পোস্ট


অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৬
অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৫
অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

শনিবার, আগস্ট ১১, ২০১৮