প্রকৃতি

নিমপ্যাঁচা ও তাঁর ছানা

বাংলাদেশে যে ৩ ধরনের নিমপ্যাঁচা আছে, তাঁর মধ্যে যেটিকে নিয়েই জীবনানন্দ লিখেছিলেন সেই কণ্ঠী নিমপ্যাঁচা (Collared Scops Owl) দর্শন দিল তাঁর ছানাপোনা সহ।

বড় কান পেঁচা আর সুন্দরতম হাঁসের খোঁজে

অবশেষে দেখা মিলল প্রার্থিত হাঁসটির, কিন্তু তার এমন দর্শন কেন! খুবই আকর্ষক দেখতে সে, কোনই সন্দেহ নেই

বিশ্বের দুর্লভতম বেড়ালের মুখোমুখি

দেড়শ বছর আগেও আমুর নদী অববাহিকা, চীনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং দুই কোরিয়া জুড়ে দেখা মিলত আমুর চিতাবাঘের, আর আজকে মুক্ত অবস্থায় থাকা এই অপূর্ব প্রাণীটির সংখ্যা ৩০-টিরও কম! ভাবা যায়!

দেখা হয় না চক্ষু মেলিয়া- শহরে বুনো পাখির স্নানাগার

দুই ডানা উচিয়ে লেজ নামিয়ে ঝুপঝুপ ডুব দিয়ে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করে চলল সে একইভাবে, তার সাথে যোগ দিল এক মেয়ে উদয়ী দোয়েল, আমাদের জাতীয় পাখি!

ভোঁদড়ের খোঁজে একটি বিকেল ও সাঁঝের মেছোবাঘ

এত কাছ থেকে বুনো ভোঁদড় বা উদবিড়াল দেখার সৌভাগ্য আমাদের দলের কারোরই হয় নি

সোঁদরবনের রহস্যময়ী

সুন্দরবনের গহীনে বাস করে বাঘের চেয়েও রহস্যময় এক প্রাণী, তারই খোঁজে আমাদের যাত্রা শুরু

পর্যবেক্ষণ থেকে সংরক্ষণঃ কুষ্টিয়া বার্ড ক্লাব

শহুরে ব্যস্ততম জীবনযাত্রার ফাঁকে প্রকৃতি ও পাখি দেখে শখের থলিতে বাড়তি আনন্দ যোগ করতে এসে সেদিন আমাদের অনেকটাই হতাশ ও ব্যর্থ হতে হয়েছিল।

পাখি দেখতে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া

মে ২০১৬ তে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমন পিপাসু অনুভাইকে সঙ্গে নিয়ে রওনা করলাম টেকনাফের উদ্দ্যেশে।

সাদা স্বপ্নের খোঁজে

গাছ থেকে নেমে পিছু নিই পাখিটার। বড্ড চঞ্চল পাখি। আমার কৌতুহল মেটাতে তার বয়েই গেছে। আমিও ছাড়বার পাত্র নই।

কাজীপাড়া, মারেয়া ও সিংড়ার পাখি

হঠাৎ করেই ‘পান-বিড়ি-সিগেরেট’ ডাক কানে ভেসে আসলো। না, এটা আসলে কোন হকারের আওয়াজ নয়। একটি পাখির ডাক।

মিঠু-পাখির ছাও

‘এসব পাখি আমি ধরিনি। গ্রামের ছেলেরা পুরোনো নারকেল ও কড়ই গাছের ফোঁকর থেকে ছানাগুলো ধরে এনে আমার কাছে বিক্রি করেছে।’

প্রথমবার বুনো হাঁসের ছোঁয়া

ছুটে চললাম সব ফেলে শুধু এই নেশায় যে ওদের পর্শ করব।

যে পাখি তার ছানাকে নিজের পালক খাওয়ায় !

মানব শিশু যেমন আইসক্রিম দেখলে খুশীতে ডগমগ হয়ে হাত বাড়িয়ে দেয়, বড় খোঁপাডুবুরির বাচ্চারাও তেমনই আনন্দ নিয়েই আপনা পিতা-মাতার পালক গলাধকরণ করেই যাচ্ছে !

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী প্রাণী !

পেরেগ্রিন শাহিন সহজেই ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার ( ১১২ মাইল) পাড়ি দিতে পারে। যদিও এর ঘণ্টায় ৩২২ কিলোমিটার ( ২০০ মাইল) বেগে চলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

নিজের খাবারে তা দেয় যে পাখি!

উত্তরের বনের হিসাব পৃথিবীর আর সব বনের চেয়ে আলাদা, এখানের গাছ- ভুপ্রকৃতি যেমন আলাদা, তেমনই পশু-পাখিও অদ্ভুততর সব নিয়মে মানিয়ে নিয়েছে টিকে থাকার লড়াইয়ে।

আলোচিত পোস্ট


শতবর্ষ আগের ময়মনসিংহের পশু-পাখি

শতবর্ষ আগের ময়মনসিংহের পশু-পাখি

শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৮

গজনীর অবকাশ কেন্দ্র

গজনীর অবকাশ কেন্দ্র

শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৮

আজকের ছবি-১৭-০২-১৮

আজকের ছবি-১৭-০২-১৮

শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০১৮

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু জলপ্রপাত (পর্ব-২)

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু জলপ্রপাত (পর্ব-২)

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৮

বেসক্যাম্প চকরিয়া! (শেষ পর্ব)

বেসক্যাম্প চকরিয়া! (শেষ পর্ব)

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৮