প্রকৃতি

বিলুপ্ত (?) গোলাপিমাথা-হাঁসের খোঁজে

গোলাপিমাথা-হাঁস বিশ্বে মহাবিপদাপন্ন প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। যদিও গত কয়েক বছরে বেশ কিছু রির্পোট পাওয়া গেছে তবুও বেশিরভাগ মানুষই বিশ্বাস করেন, পাখিটি শুধু বিরল বা লাজুক নয়, বিলুপ্তও বটে।

বিল ভাতিয়ার মদনটাক

যেকোন পাবলিক ট্রান্সপোর্টেই আনুমানিক পৌনে দুই ঘন্টা থেকে দুই ঘন্টা লাগেই, সাঁপের মতোন আঁকাবাকা রাস্তা।

লেবুখালি চরের চটক

পুরুষ পাখিগুলোকে চিনতে পারলাম তাদের গলায় বাহারী রঙিন দাগ দেখে। মেয়ে পাখির তুলনায় ওদের মনে হল বেশ সচেতন। ছবি তোলার ব্যাপারে খুব উৎসাহী নয়

শিয়ালের রাহাজানি

শিয়ালকে কিছুদূর তাড়িয়ে দিয়ে আসে। ফিরে দেখে আরেকটা শিয়ালা তার ছানা নিয়ে পালাচ্ছে। ‌‌‌‘শুকরের গো’ বলে কথা! প্রাণপণে সে তখন এই শিয়ালটাকে ধাওয়া করে। ততক্ষণে আগে ধাওয়া খাওয়া শিয়ালটা ফিরে এসে আরেকটা ছানা নিয়ে পালায়। 

পাটের ফুল

ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীরে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। মন ভালো করে দিল কলাইয়েরে ফুল। খেয়ালই ছিল না, হেমন্ত এসে গেছে। কলাই ফুলের সৌন্দর্য্ ঝটকায় ফিরিয়ে নিয়ে গেল স্মৃতমেদুর ছেলেবেলিায়

একজোড়া পালাসি-কুরাঈগল ও তাদের ছানা

পায়ে রশি বাঁধা দেখে বুঝতে মোটেই অসুবিধে হয়নি একে হত্যা করা হয়েছে। হয়তো কৌতুহলী কোন কিশোরের দলের খেলার দুরন্তপনায় প্রান গেছে ঈগল ছানার

সোনাদিয়ায় পরিযায়ী পাখিমেলা ও একটি বিরল পাখি

সোনাদিয়ার বেলেকেরদিয়া চরে যাওয়ার পথে একটি দ্রুতগামী পাখী উড়ে যেতে দেখে বোট থেকেই ফয়সাল চীৎকার করে বলতে লাগলো স্কুয়া, স্কুয়া পাখী!!

পৃথিবীর হাতিরা

আমাদের গ্রহে এককালে নানা জাতের হাতি থাকলেও এখন টিকে আছে মাত্র ২ জাতের- আফ্রিকান হাতি এবং এশিয় হাতি

বগা লেকে মাছ ধরার দৃশ্য

বগা লেক সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে কারো মতে ১২১৩ ফুট উপরে বা কারো মতে ২৫০০ ফুট উপরে পাহাড়ে অবস্থিত এক রহস্যময় লেক। 

চলার পথের সঙ্গী : মারমোত্তা আল্পিনো (Alpine Marmot) (পর্ব)

প্রজনন ক্রিয়ার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শরীরে চর্বির আস্তর জমানো। গর্তের প্রকোষ্ঠতে যে তিন থেকে সাতটি বাচ্চার জন্ম হয় তাঁদেরও মাস দেড়েক মাতৃস্তন্য পানের পর বড়দের সাথেই খাদ্য অন্বেষণে নেমে পড়তে হয়।

পৃথিবীর সবচেয়ে সুখের গল্প

এটাই ধারণ করে রেখেছিল এক অমূল্য জীবন, সেখান থেকে বেরিয়েছে তুলতুলে পাখির ছানা, যে হয়ত নীল আকাশে উড়ছে বাঁধনহারা প্রাণ হয়ে

চলার পথের সঙ্গী : মারমোত্তা আল্পিনো (Alpine Marmot) (পর্ব ২)

এক সাতসকালে অনাহূত অতিথি হিসেবে আমাকে দেখতে পেয়ে হুইসেলের পর হুইসেল মেরে পুরো পাড়াই মাতিয়ে তুলেছিল প্রহরীর দায়িত্বে থাকা এক বেরসিক মারমোত্তা। সে এক বিরল অভিজ্ঞতা!!

চলার পথের সঙ্গী : মারমোত্তা আল্পিনো (Alpine Marmot) (পর্ব ১)

তৃণভোজী এই স্তন্যপায়ী প্রাণী সুদীর্ঘ শীতকালটা এভাবেই কাটিয়ে দিবে নাক ডেকে আর স্বপ্ন দেখে। বরফে আচ্ছাদিত ভ্যালিতে সবুজ ঘাসের দেখা যতদিন মিলবে না ততদিন জেগে থেকেই বা করবেটা কি?

রেমা-কালেঙ্গা অরণ্যে

যারা ট্র্যাকিং পছন্দ করেন তাঁদের জন্য একটা মানচিত্র দেওয়া আছে। রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়াশ্রমে আছে আধা ঘণ্টা, এক ঘণ্টা ও তিন ঘণ্টার তিনটি ট্রেইল

টাঙ্গুয়াতে বার্ড রিঙ্গিং

বিশ্বের বিপদসংকুল পাখি পলমি কুরা ঈগল বাসা-বাচ্চাসহ দেখলাম গজারিয়া, মদনপুর ও গোলাবাড়ীতে। এরা প্রতি শীতেই পরিযায়ী হয়ে আমাদের দেশে আসে একটুখানী  আশ্রয়, খাদ্য ও বংশবৃদ্ধির আশায়। 

আলোচিত পোস্ট


অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৬
অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৫
অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

অ্যান আমেরিকান ড্রিম- ৪

শনিবার, আগস্ট ১১, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৩
অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ১

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ১

মঙ্গলবার, জুলাই ৩১, ২০১৮