প্রকৃতি

যে ১১টি পাখির নামের সাথে বাংলাদেশ জড়িত - ৩য় পর্ব

সচরাচর এরা মৃদু স্বরে পুনঃপুনঃ ডাকে চিট চিট এবং গলা ছেড়ে কোমল কণ্ঠে গায় – সি সি সিসিক সিসিক সিক সিক। ছেলেপাখি গান গায়, মাথা নত করে এবং এর হলুদ ঠোঁট এবং চাঁদি দেখায়।

যে ১১টি পাখির নামের সাথে বাংলাদেশ জড়িত - ২য় পর্ব

দৃঢ় ভাবে ডানা নেড়ে উড়ে চলে এবং মাছারাঙ্গার মতই শূন্যে মুহূর্তের জন্য স্থির ভেসে থাকতে পারে, প্রায়ই গভীর সাগরে উড়ে যায়, জলে ঝাপ দেবার আগে সচরাচর ডাকে- ক্রীক- ক্রীক এবং ভয় পেলে উচ্চ শব্দে কিচমিচ করে ডাকে।

বিশ্বের রোমান্টিকতম হ্রদ, লেক ব্লেড

দিগন্তে তুষার ছাওয়া আল্পস, চারিদিকে পান্নাসবুজ বন, নীলার মত স্বচ্ছ নীলাভ সেই হ্রদের জল, যার মাঝখানে আছে রূপকথার এক দ্বীপ! সেই দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক দ্বীপ।

আফ্রিকার বুনো প্রান্তরে

যতই ঘাস খাওয়া গোবেচারা মনে হোক, এমন এক পাল ওয়াইল্ডবিস্ট তেড়ে এলে আমাদের পলকা গাড়ী বাদামের খোসার মত কুড়মুড়িয়ে গুড়িয়ে যাবে পথের লাল ধুলোয়।

পরিত্যক্ত সোয়ালো ছানার উড়ে যাওয়া

Common Swallow, Swallowর বাংলা আবাবিল হলেও এই পাখিটি বাংলাদেশে পাওয়া যায় না বিধায় এই লেখাতে সোয়ালো বলেই উল্লেখ করলাম

যে ১১টি পাখির নামের সাথে বাংলাদেশ জড়িত - ১ম পর্ব

যে ১১টি পাখির নামের সাথে বাংলাদেশ জড়িত

কোন পাখির শ্রবণশক্তি সবচেয়ে শক্তিশালী ?

তাদের সবচেয়ে বড় শারীরিক সক্ষমতা আসলে অতি নিখুঁত শ্রবণশক্তি! উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় আমাদের চিরচেনা লক্ষী পেঁচার ( Tyto alba) কথা, তারা ঘুটঘুটে আঁধারেও দৃষ্টিশক্তির বিন্দুমাত্র সাহায্য না নিয়ে শতভাগ সাফল্য নিয়ে অতি দ্রুতগামী শিকার ধরতে সক্ষম।

দেশান্তরী প্রজাপতির ডানায় সারসের দেশে

হাইওয়ে ধরে যাবার পথে একবাসাতে তিনটি ধলা মাণিকজোড়ের ছানা দেখে কৌতূহল ভরে দাঁড়ানো হল, ভাগ্যিস দাঁড়িয়েছিলাম!

বন আর নদী

যতটুকু চোখ যায় দেখি শুধু বৃক্ষ। প্রাচীণ। নবীন। দীর্ঘকায়। পৃথুল। হলুদ পথটা হারিয়ে গেছে কোথায় যেন,তার জায়গায় দেখি এবার শুয়ে আছে নৃত্যরতা রমনীর মত দেখতে একটা নদী। এ নদীর নাম সাসান্দ্রা

সুনামগঞ্জে প্রশ্নবিদ্ধ শালিক

ধলাতলা-শালিক মেঘালয় ও আসামে দেখা যায়। সুনামগঞ্জ শহরে এর আবির্ভাব অবিশ্বাস্য কিছু নয়

মেঠো পথের লাজুক গুরগুরি ও আকাশের ঈগল

কী অপূর্ব একটা পাখি! দেখা মেলে না বলে তার পালকের চোখ ধাঁধানো সন্নিবেশন নজরে আসে না কখনো, আপন পরিবেশে একেবারে মাতিয়ে রাখল নানা অঙ্গিভঙ্গি করে! তবে খুবই লাজুক

ছদ্মবেশি রাতচরার খোঁজে

গ্রামের লোক একে বলে আতস পাখি। রাতে ওদের চোখ দিয়ে নাকি আগুন বেরোয়। এই ধারণা থেকে জন্মেছে ভয় ধরানো কত গল্প, কত কাল্পনিক কাহিনি!

কুয়াকাটার যতো পাখি

নতুন পাখি আবিস্কারের খবর শুনে অনেক পাখি পর্যবেক্ষকের মতো আমিও ঘরে বসে থাকতে পারিনি। সব জেলায়তো আর যাওয়া সম্ভব নয় ! আর অর্থেরও প্রয়োজন, তাই সাগরকন্যা কুয়াকাটাকেই বেছেনিলাম।

পাহাড় পাখি পাবলাখালি

ভয়ঙ্কর সুন্দর, অজগরের মতো লম্বা আর উঁচু-নিচু পাহাড়ি রাস্তা পেরিয়ে পৌঁছলাম সাজেক পাহাড়ে। দুঃসাহসিক অভিযানের স্বাদ পেতে আমারা কজন চান্দের গাড়ির ছাদে উঠে বসলাম।

নদী ও জীবনের সন্ধানে

কাপ্তাইয়ের পরবর্তী ভোরটি যে আমাদের জন্য এত বড় সারপ্রাইজ নিয়ে বসেছিল তা কখনও ভাবিনি! একদল লাল-বনমুরগি আর বিরল কালা-মথুরা আপন মনে ভুরিভোজন করছে! খুব কাছ থেকে অসাধারণ এই মুহূর্তটি

আলোচিত পোস্ট


ভ্রমণে যখন নারী একা

ভ্রমণে যখন নারী একা

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

আজকের ছবি-২৪-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৪-০৯-১৭

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আকাশ জোনাকির নীড়ে

আকাশ জোনাকির নীড়ে

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭