প্রকৃতি

সেইন্ট মার্টিনের জানা অজানা

এখানে এসে আমরা সাধারণত সমুদ্র বিলাসের সামনের বীচ এবং ছেড়া দ্বীপ ঘুরেই চলে যাই । কিন্তু এছাড়াও সেইন্ট মার্টিনে রয়েছে অনেক অনেক সুন্দর এবং ব্যতিক্রমী দৃশ্য...

হুকোমুখো কানকোয়া

অদ্ভুত পাখি। কখনও উড়তে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। সারাদিন শুকনো পাতার ওপর ঘুরে ঘুরে পোকা খুঁজে বেড়ায়।

হলদে পাখির বাসা

তাছাড়া পুরুষপাখিগুলো সঙ্গিনীকে ডাকার সময় এলাকা ভাগ করে নেয়। পারতপক্ষে একজনের এলাকায় আরেকজন পা দেয়। যদিবা দেয় যুদ্ধের জন্য আটঘাট বেঁধেই দেয়।

বৈঁচি : কুড়ি বছর পর দেখা বুনোফল

ঝোপের ভেতর একটা বৈঁচি গাছ দেখে এগিয়ে গেলাম পায়ে পায়ে। সত্যিই কুড়ি বছর পর পেলাম পরম আরাধ্য সেই ফল!

বিগত ২০০ বছরে রাজশাহীর বন্যপ্রাণীর ইতিহাস

শীতকালে নদী এবং ভিতরের জলাঞ্চলে নানা জাতের পরিযায়ী পাখিরা আসত। চলন বিল, নওগাঁর ৬ মাইল দক্ষিনের দুবলহাটি বিল এবং মধুয়ানগর রেলষ্টেশনের কাছে অবস্থিত হালতি বিলে বুনোহাঁসের মেলা বসে।

শামখোলের আস্তানায়

শামুকভাঙার দলটি নাকি আস্তানা গেঁড়েছে ইছামতীর তীরে। আমাদের এলাকায় শামখোলকে মানুষ শামুকভাঙা বলে। ছোটবেলায় দূর আকাশে উড়ন্ত শামুকভাঙা দেখেছি বহুবার। গ্রামের বিলে নাকি শামুকভাঙা থাকে।

মাত্র ০১ দিনেই উপভোগ করুন সুন্দরবনের প্রকৃত রূপ সৌন্দর্য

ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত বাংলাদেশের একমাত্র স্থান এবং পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন, আমাদের অহংকার, আমাদের সুন্দরবন

মানুষ ছাড়া বন বাঁচে কিন্তু বন ছাড়া মানুষ বাঁচে না

যেভাবেই হোক শ্রীনগর সরকারি কলেজ এখন পাখির লীলাভূমি। সারাদিনই থাকে পাখির আনাগোনা। আর সন্ধ্যার কিছু আগে থেকে আড়িয়ল বিল থেকে নীড়ে ফিরতে থাকে অসংখ্য পাখি।

রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য

রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য একটি শুকনো ও চিরহরিৎ সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং সুন্দরবনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য ও প্রাকৃতিক বনভূমি।

অর্কিড ও জারবারা রাজ্যে স্বপ্নের বিকেল

ফুল ভালোবাসে না এমন কারো জন্ম পৃথিবীতে হয়েছে বলে আমার জানা নেই, আর সেটা যদি হয় অর্কিড ফুল যা মাসব্যাপি থাকে জীবন্ত ও প্রাণবন্ত। পাশে ছিল বর্ণিল জারবারা।

ওগো লজ্জাবতী, আমি শিশির হব......!

কখনো কি দেখেছি অবহেলিত, দলিত-মথিত লজ্জাবতীকে? ওর গায়ে বা পাতায় ঝরে পড়া শিশিরের ছোঁয়াকে? দেখেছি ওকে লাজে মরি মরি অপরূপ রূপে?

প্রিয় বাতাসি

যে পাখি নাকি ঘণ্টায় ১৭১ কিলোমিটার বেগে উড়ে বেড়িয়ে উড্ডয়ন ক্ষমতা অনুসারে পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুততম পাখির তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে তাকে ‘পাতি’ বাতাসি নামে ডাকা হয় এটা ভাবতেই মনটা খারাপ হয়ে যায়।

একটি মদনটাক উদ্ধার অভিযানের গল্প

বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র চারশো থেকে পাঁচশোটি মদনটাক টিকে আছে।

শিকারী প্রাণীদের ছেলেবেলা।

ছোটবেলার সময়টা সবার জন্য জীবনের সেরা সময়, পুরোটা জুড়ে ছিলো হাসি আর আনন্দ, কোনকিছু নিয়ে টেনশন ছিলো না।

পদ্মায় পেলিক্যান !

শুধু রাজশাহী নয়, সমগ্র বাংলাদেশেই কেউ কখনো এই "Spot-billed Pelican" দেখেনি! এর বাংলা নাম অদ্ভুত সুন্দর, চিতিঠুঁটি-গগনবেড় "! যখন উড়ে তখন এর বিশাল পাখা যেন পুরো গগনকেই বেড় দিয়ে ফেলে!

আলোচিত পোস্ট