প্রকৃতি

সাতছড়ি অভয়ারণ্যে একদিন

এই উদ্যানে সাতটি পাহাড়ি ছড়া আছে, সেই থেকে এর নামকরণ সাতছড়ি (অর্থ: সাতটি ছড়াবিশিষ্ট) উল্লেখ্য সাতছড়ির আগের নাম ছিলো “রঘুনন্দন হিল রিজার্ভ ফরেস্ট” ।

প্রবারনা পূর্নিমায় মেঘের রাজ্য সাজেকে

৫ টাকায় লাঠি কিনে হালকা ট্রেকিং করে গেলাম ১৮০০ ফুট উচ্চতার কংলাক পাড়ায় সূর্যাস্ত দেখার জন্য। অসাধারন সে দৃশ্য আজও চোখ বুঝলেই দেখতে পাই প্রতিদিনের দেখা চেনা সূয্যি মামা সেদিন কেমন অচেনা হয়ে গিয়েছিল! কি তার রুপ! আর কতই তার সৌন্দর্য!

শকুন উদ্ধার ও অবমুক্তকরণ কর্মসূচী

শকুন উদ্ধার ও অবমুক্তকরণ কর্মসূচী

'মনপুরা' তে হরিণ দেখতে!

"-ভাই হরিণ তো চিড়িয়াখানাতেই দেখা যায়। -আরে অতো কষ্ট করারই বা কি দরকার, ডিসকভারি খোলো আর ফ্রিতে দেখো। এতে এন্ট্রি ফি আর গাড়িভাড়াও বেচে গেলো!" 

বজ্রপাতের চোখ ধাঁধানো কিছু ছবি!

বজ্রপাত একই সাথে সুন্দর এবং ভয়ংকর। আজ আমরা বজ্রপাতের এমন কিছু চোখ ধাঁধানো ছবি দেখবো যেগুলো দেখে আপনি ফটোশপ ভেবে ভুল করবেন।

ভারতে বন্যপ্রাণীর জীব বৈচিত্র্যের ছবি তোলার সেরা স্থান

বিষয়টা যখন ‘ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফি’ তে চলে আসে তখন সেটা আর শুধুমাত্র বন্যপ্রাণীর ছবি তোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বন্যপ্রাণীর পাশাপাশি এখানে উঠে আসে তাদের নিজস্ব বাসস্থানের চিত্র যেখানে তারা খুঁজে পায় সামান্য নিরাপত্তা।

কাজিরাঙ্গার অপার্থিব ভোর

 হাতির পিঠে বসে, ছপ ছপ শব্দে জলাভূমির জল ভেঙ্গে এগিয়ে যেতে যেতে কাজিরাঙ্গায় ভোর হতে দেখা আর তারপর ফুল-পাখি-প্রাণীদের রাজ্জ্যে ধীরে ধীরে ঢুকে যাওয়া নিসঃন্দেহে এক পরাবাস্তব অভিজ্ঞতা!  

চট্টলা থেকে সাজেক

একটু হিসেব করে খরচ করলে ২০০০ এও সেরে ফেলতে পারবেন এই ভ্রমণটি!

গত দেড়শ বছরে রংপুরের বন্যপ্রাণী (পর্ব-২)

রংপুরে নানা ধরনের সরীসৃপ দেখা যায়। ব্রহ্মপুত্রের কিনারে বসবাসকারী মানুষদের কাছে কাছিম এবং কচ্ছপ খাবারের অন্যতম অংশ, কিন্তু জেলার পশ্চিমাঞ্চলে আবার খাদ্য হিসেবে এর কদর নেই।

গত দেড়শ বছরে রংপুরের বন্যপ্রাণী (পর্ব-১)

রংপুরের সবখানেই শেয়াল আর খেঁকশেয়াল দেখা যায়, মাঝে মাঝে হায়েনাও। সজারুও আছে, তবে খুব বেশি সংখ্যায় নয়। এদেরও মাংসের জন্য শিকার করা হয়। খরগোশ এখানের সর্বত্র আছে।

মতিহারের বসন্ত

মতিহারের সবুজ প্রান্তর জুড়ে অবস্থিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। অপূর্ব শ্যামলীমায় ভরা এই ক্যাম্পাস প্রাঙ্গনে ঋতুবদলের খেলা অন্য শহরগুলোর মত ঝাপসা নয়, যেকোন ঋতুই তীব্রভাবে জানান দিয়ে আসে এখানে।

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ (পর্ব-২)

সাপ বিষধরদের জন্য বিখ্যাত হলেও সাপ প্রকৃতপক্ষে মানুষ শিকার করে না এবং সাপকে কোনো কারণে উত্তেজিত করা না হলে বা সাপ আঘাতগ্রস্থ না হলে তারা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে।

বাংলাদেশের ছয় মুনিয়া

পাখি দেখার ও ছবি তোলার নেশা জেঁকে বসার প্রথম থেকেই মুনিয়াদের প্রতি একটা দুর্বলতা কাজ করত, কেমন চঞ্চল সুন্দর ক্ষুদে পাখিগুলো, কিন্তু দুঃখজনক ভাবে তাদের সাথে পরিচয়ই হয়েছিল খাঁচায় দেখে দেখে! তারপর এখন তাদের খোঁজে আমার পথচলা প্রকৃতির মাঝে, নদীর চরে, ঘাস বনে।

পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ (পর্ব-১)

সাপ বিষধরদের জন্য বিখ্যাত হলেও সাপ প্রকৃতপক্ষে মানুষ শিকার করে না এবং সাপকে কোনো কারণে উত্তেজিত করা না হলে বা সাপ আঘাতগ্রস্থ না হলে তারা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে।

ভ্রমণের আদিপর্ব

বিছানাকান্দি তখনও এতো বিখ্যাত হয়ে ওঠেনি। সে কী মায়াময়, উথালি-পাথালি রূপ তার! পাথরে পাথরে, আকাশে-মেঘে, সবুজের গালিচায় তার রূপ যেন উপচে পড়ছিল।

আলোচিত পোস্ট


অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৮

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৮

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

অ্যান আমেরিকান ড্রিম - ৭

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮