ফুল ভালোবাসে না এমন কারো জন্ম পৃথিবীতে হয়েছে বলে আমার জানা নেই, আর সেটা যদি হয় অর্কিড ফুল যা মাসব্যাপি থাকে জীবন্ত ও প্রাণবন্ত। পাশে ছিল বর্ণিল জারবারা। সব ধরণের ফুলই প্রকৃতির ‌‍লাবণ্যতাকে পুরোপুরি প্রকাশ করে। ফুল আর প্রকৃতির স্বর্গে যারা হারিয়ে যেতে চান তাদের জন্য ব্রাহ্মনবাড়িয়ার শাহবাজপুরের এই অর্কিড ও জারবারা চাষের বাগান।।

ফুল আর প্রকৃতির স্বর্গেফুল আর প্রকৃতির স্বর্গে

ফুলের রাজ্য বলতে যখন আমরা শুধু যশোরের গদখালীকেই বুঝি তখন আমাদের চোখের সামনেই লুকিয়ে আছে আরেক ফুলের রাজ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাহবাজপুর ২য় গেইট। মনে হয় অর্কিড আর লাল জারবারারা ঢেউ খেলছে। শীতের শিশিরে ভিজে শত শত ফুলের কলি পাপড়ি মেলেছে। এমনই দৃশ্য চোখে পড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায়।

শত শত ফুলের কলি পাপড়ি মেলেছেশত শত ফুলের কলি পাপড়ি মেলেছে

বর্তমানে ওই এলাকার ২০০ হেক্টর জমিতে বছরে কোটি টাকার ফুল বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। কৃষকেরা রঙ-বেরঙের ফুল চাষ করছে। বিশেষ করে অর্কিড ও জারবারা। প্রতিবছর ফুল চাষের পরিমাণ বাড়ছে। এখন এই ফুল চাষ করে আমাদের দেশের চাষীরা জীবিকাঅর্জন করছেন।

রঙ-বেরঙের ফুলরঙ-বেরঙের ফুল

বর্তমানে এই প্রজেক্টে অর্কিড ও জারবারা চাষ হচ্ছে। এখানে বিভিন্ন রঙ ও বর্ণের অর্কিড ও জারবারা চাষ হয়। ফুল চাষিরা জানান, শীত ও বর্ষা মৌসুমে বাজার চাঙ্গা থাকে। ঘুরে আসার উপযুক্ত সময় : জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর।

বিভিন্ন রঙ ও বর্ণের অর্কিড ও জারবারা চাষবিভিন্ন রঙ ও বর্ণের অর্কিড ও জারবারা চাষ

কিভাবে যেতে হবে:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকে শাহবাজপুর ২য় গেইট , ডানকান অর্কিড গার্ডেন, ৩০ - ৪০ মিনিট, বিশ্বরোড মোর থেকে ২০ মিনিট। আসার পথে শাহবাজপুর ২য় গেইট এ অবস্থিত #Indian #Spicy থেকে অবশ্যই চিকেন ছোলা ভাটোরা দিয়ে বিকেলের নাস্তাটা সেরে আসবেন।

বি: দ্র: ডানকান অর্কিড গার্ডেনে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যই আগে থেকে অনুমতি নিয়ে যেতে হবে।

ছবি তুলেছেনঃ Kazi Hasan

 

বিভিন্ন রঙ ও বর্ণের অর্কিড ও জারবারা চাষবিভিন্ন রঙ ও বর্ণের অর্কিড ও জারবারা চাষ

জীবন্ত ও প্রাণবন্তজীবন্ত ও প্রাণবন্ত

জীবন্ত ও প্রানবন্তজীবন্ত ও প্রানবন্ত

ফুলের রাজ্যফুলের রাজ্য

ফুলের রাজ্যফুলের রাজ্য