প্রকৃতি

আমাদের সুন্দরবন ও এর সম্পর্কে কিছু জানা-অজানা তথ্য !

আমাদের মধ্যে অনেকেই এর চেয়ে বেশী তেমন কিছু জানি না অথচ আমাদের দেশের এই প্রাকৃতিক সম্পদ কিনা পৃথিবীর অন্যতম একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে বিশ্ব-বিখ্যাত।

ব্যাকুল জারুল

গ্রীষ্মে ফোটে অসম্ভব সুন্দর বেগুনি রঙের থোকা থোকা ফুল

রিংগিং সমাচার

একদিন হাতিরগাতায় জাল পাতা হলো। তিনটি বেইলন-গুরগুরি, তিন প্রজাতির খঞ্জন, রিচার্ডের তুলিকা এবং পাতি-আবাবিল পাওয়া গেল। ক্যাম্প এলাকাতেও উঁচু করে জাল পাতা হয়েছিল।

বাংলাদেশ পেলো নতুন আরেকটা পাখি

পাখিটা শ্রীলঙ্কা , নেপাল এবং ভারতের কিছু এলাকায় দেখা যায় তবে বাংলাদেশে আমার আগে কেউ কখনো দেখেনি ।

নেশা জাগানো সেই পুরোনো কিন্তু বিরল অনুভুতি

কক্সবাজারের পরে পাখিটা রাজশাহীতেই প্রথম দেখা গেলো । নদীতে এই পাখি দেখা যাবার এটাই সম্ভবত প্রথম রেকর্ড ।

হঠাৎ দেখা কমলা-দামা

দামাদের আচরণ যেন ঠিক স্বাভাবিক নয়, কেমন যেন ভয় ভয় ব্যাপার আছে। চলনে-বলনে অতি সতর্কতা। কেন? সেটা ভাবছি, তখনই হাজির যমদূত।

স্বর্গের পাখি  

গ্রামবাংলার চিরন্তন অকৃত্রিম রূপ যেন  আকণ্ঠ পান করছি। বাঁশবাগানে বাতাসের শনশন শব্দ, ভুট্টা ক্ষেত এ বাতাসের দোলা, সঙ্গে দুধরাজ, চোখগ্যালো, করুণ পাপিয়ার সুরের মায়াজাল - এ যেন জীবনানন্দের জীবন্ত কবিতা!

একজোড়া কাকের গল্প

টুনটুনি, বুলবুলিদের বাসা তৈরির শৈল্পিক কারুকাজ দেখেছি স্বচোক্ষে। আবার শালিক কিংবা চড়–ই পাখিদের অগোছালো বাসাও দেখেছি। কিন্তু কাকের মতো এমন ছন্নছাড়া বাসা আর দেখিনি

চলার পথের সঙ্গী : কামোসশো আল্পিনো (the chamois)

শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে প্রকৃতির নিয়মেই অক্টোবর মাস থেকে কামোসশোর গ্রীষ্মকালীন বাদামী-খয়েরি চামড়ার রঙ বদলাতে শুরু করে। কালো রঙয়ের পশমে নিজেকে ঢেকে ফেলে পুরোদস্তুর বদলে দেয় অবয়ব।

বিলুপ্ত (?) গোলাপিমাথা-হাঁসের খোঁজে

গোলাপিমাথা-হাঁস বিশ্বে মহাবিপদাপন্ন প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। যদিও গত কয়েক বছরে বেশ কিছু রির্পোট পাওয়া গেছে তবুও বেশিরভাগ মানুষই বিশ্বাস করেন, পাখিটি শুধু বিরল বা লাজুক নয়, বিলুপ্তও বটে।

বিল ভাতিয়ার মদনটাক

যেকোন পাবলিক ট্রান্সপোর্টেই আনুমানিক পৌনে দুই ঘন্টা থেকে দুই ঘন্টা লাগেই, সাঁপের মতোন আঁকাবাকা রাস্তা।

লেবুখালি চরের চটক

পুরুষ পাখিগুলোকে চিনতে পারলাম তাদের গলায় বাহারী রঙিন দাগ দেখে। মেয়ে পাখির তুলনায় ওদের মনে হল বেশ সচেতন। ছবি তোলার ব্যাপারে খুব উৎসাহী নয়

শিয়ালের রাহাজানি

শিয়ালকে কিছুদূর তাড়িয়ে দিয়ে আসে। ফিরে দেখে আরেকটা শিয়ালা তার ছানা নিয়ে পালাচ্ছে। ‌‌‌‘শুকরের গো’ বলে কথা! প্রাণপণে সে তখন এই শিয়ালটাকে ধাওয়া করে। ততক্ষণে আগে ধাওয়া খাওয়া শিয়ালটা ফিরে এসে আরেকটা ছানা নিয়ে পালায়। 

পাটের ফুল

ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীরে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। মন ভালো করে দিল কলাইয়েরে ফুল। খেয়ালই ছিল না, হেমন্ত এসে গেছে। কলাই ফুলের সৌন্দর্য্ ঝটকায় ফিরিয়ে নিয়ে গেল স্মৃতমেদুর ছেলেবেলিায়

একজোড়া পালাসি কূড়া ঈগল ও তাদের ছানা

পায়ে রশি বাঁধা দেখে বুঝতে মোটেই অসুবিধে হয়নি একে হত্যা করা হয়েছে। হয়তো কৌতুহুলী কোন কিশোরের দলের খেলার দুরন্তপনায় প্রান গেছে ঈগল ছানার

আলোচিত পোস্ট


পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

পাহাড়ে আলিশান ক্যাম্পিং

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

আজকের ছবি-২৩-০৯-১৭

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭

আকাশ জোনাকির নীড়ে

আকাশ জোনাকির নীড়ে

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭

কোরাল ভিউ রিসোর্ট, সেন্ট মারটিন।।

কোরাল ভিউ রিসোর্ট, সেন্ট মারটিন।।

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭

একাকী ভ্রমণের আনন্দ

একাকী ভ্রমণের আনন্দ

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৭