গত ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে একটি কনফারেন্সের কারণে ঘুরে আসা হয়েছে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের বুকের ছোট্ট ছোট্ট দ্বীপ নিয়ে গড়ে ওঠা দ্বীপরাষ্ট্র ফিজি। মোবাইল ফোনে তোলা ছবিতে তুলে ধরছি সেই ফিজি ভ্রমণে তোলা কিছু ছবি। 

এ পর্বে থাকছে  দেনারাউ পোর্ট আর তিভ্যুয়া আইল্যান্ডের ছবি। 

 

** প্রথম পর্বের লিংকঃ http://bit.ly/2H0NNF2 

 

দেনারাউ পোর্ট ফিজির পর্যটননির্ভর শহর নাদীর একপ্রান্তে অবস্থিত। দেনারাউ পোর্ট থেকে ফিজির বিভিন্ন প্রাইভেট আর পর্যটন দ্বীপগুলোর উদ্দেশ্যে ক্রইজ শিপ যাত্রা করে। বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্যাকেজের মাধ্যমে বিভিন্ন ছোট ছোট দ্বীপে ঘুরিয়ে আনে। এসব ক্রুজ সাধারণত সকালে রওনা হয়ে বিকেল বা সন্ধ্যে নাগাদ ফিরে আসে পোর্টে। আবার কিছু প্যাকেজে আপনি একদিন গিয়ে রাত কাটিয়ে পরের দিন ফেরত আসতে পারবেন। ফিজিতে সর্বমোট প্রায় সাড়ে তিনশো দ্বীপ আছে, বেশিরভাগ দ্বীপেই মানুষের বসবাস নেই। আমরা তেমনই ছোট একটি পর্যটননির্ভর দ্বীপ টিভ্যুয়া আইল্যান্ডে গিয়েছিলাম। অষ্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন কুক ক্রুইজ মূলত এই দ্বীপ কিনে নিয়ে সেখানে বিভিন্ন প্যাকেজে পর্যটকদের নিয়ে যায়। 

 

দেনারাউ পোর্ট। এখান থেকেই যাত্রা শুরু হয়। 

 

অপেক্ষায় থাকে বিভিন্ন কোম্পানীর বিভিন্ন ক্রুইজ বোট

ক্যাপ্টেক কুকের ক্রুইজ বোট

 

এমন অনেক দ্বীপ ছিলো পুরো পথে। 

 

ক্রুইজের ভেতরে ক্যাপ্টেন কুকের লোকজন, সাথে পর্যটকরা। সবাই খুব বন্ধুত্বপূর্ণ। গান-বাজনা, হৈ-চৈ করে বেলা কাটিয়ে দেচ্ছিলো।

সাউথ প্যসিফিক ওসেনের পানি, একটু বেশিই নীল! 

এক ঘন্টারও বেশি সময় ভ্রমণের পর দূর থেকে দেখতে পেলাম টিভ্যুয়া আইল্যান্ড। 

কাছাকাছি পৌঁছৈ গন্তব্যের দিকে তাকিয়ে সব যাত্রীরা।

ক্রুইজের ভেতরে গান-বাজনার ভিডিও: http://bit.ly/2H0NNF2 

 

 

সবাই যাচ্ছে তিভ্যুয়ায়

রৌদ থেকে বাঁচতে ঝড়ের ছাউনি আছে তবে বালি যে কি গরম তা ছবি দেখে বোঝানো যাবে না! ইচ্ছে করছিলো পা ভিঁজিয়ে রাখি পানিতে! 

দ্বীপের মাঝখানটায় আবার কেমন যেন শ্যামল বাংলার গ্রামের প্রতিচ্ছবি। যেখানেই যাই, বাংলাদেশকে খুঁজি!

ভলিবল খেলার জায়গাও আছে! 

প্যাডেল বোর্ডে নিয়ে নেমে পড়ছে অনেকেই। 

স্নর্কেলিংও করে পানির তলদেশে সৌন্দর্যও দেখছে কেউ কেউ