আপনি হয়তো নিয়মিত বা অনিয়মিত ভ্রমণকারী হতে পারেন কিন্তু একটি বিষয় নিশ্চিত যে, যখন আপনি ভ্রমণ পরিকল্পনা করা শুরু করেন তখন আপনার মনে যে বিষয়টি প্রথম আবির্ভূত হয় তা হলো ‘নিরাপত্তা’ এবং আপনি নিরাপদে থাকতে পছন্দ করবেন। প্রতিবছর আন্তর্জাতিক এসওএস এবং ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলো পর্যটন-বান্ধব দেশগুলোর একটি মানচিত্র প্রকাশ করে থাকে। আপনি যদি ২০১৮ সালের মধ্যে ভ্রমণের জন্য পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে তাদের প্রকাশিত মানচিত্রে নজর রাখার জন্য আপনাদেরকে সুপারিশ করবো।

আপনি যদি একটি ঝামেলামুক্ত ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তাহলে আপনি আইসল্যান্ড, নরওয়ে বা গ্রীনল্যান্ড ভ্রমণে যেতে পারেন। কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী এই দেশগুলো সবচেয়ে নিরাপদ। তাছাড়া ‘ট্র্যাভেল রিস্ক ম্যাপ’ অনুসারে আফ্রিকা মহাদেশের কিছু কিছু দেশ সবচেয়ে বেশি বিপদজনক হিসেবে গণিত হয়েছে।

স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক দেশ:

এখানে দেখা যাচ্ছে যে, যখন আমরা স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে কথা বলি তখন আফ্রিকান দেশ উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে সবচেয়ে নিরাপদ দেশ হলো গ্রীনল্যান্ড এবং আইসল্যান্ড

যে দেশগুলো উচ্চ ঝুঁকিতে উন্নয়নশীল হচ্ছে তা হালকা ব্রাউন রং দিয়ে হাইলাইট করা হয়েছে।

নিরাপত্তা হুমকির দিক থেকে পৃথিবীর চিত্র কেমন তা নিচে দেওয়া হলো।

আফ্রিকান মহাদেশটি এই দিক দিয়েও পর্যটকদের জন্য উচ্চ নিরাপত্তা হুমকি ধারণ করে।

দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ- পাকিস্তান, আফগানিস্তান অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ বৃদ্ধির কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

ভ্রমণের সময় এখানে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছেঃ

এখনো আফ্রিকা মহাদেশটি এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে, সাথে চীন, মঙ্গোলিয়া এবং রাশিয়া।

বিশ্ব পর্যটকদের জন্য সড়ক দুর্ঘটনা ঝুঁকিতে ব্রাজিলও দ্রুত উন্নয়নশীল হচ্ছে।

আপনি যদি আপনার প্রিয়জনের সাথে বিদেশে ভ্রমণ করার পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক দেশগুলোতে ভ্রমণ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য আমরা আপনাদেরকে সুপারিশ করবো।

গ্রাউন্ড জিরো থেকে অনুদিত।