নেপালে খাওয়া খাবারগুলোর মধ্যে কিছু এর আগের পর্বে ( নেপালে পেটপূজো (প্রথম পর্ব) ) তুলে ধরেছি। এই পর্বে আরো অল্প কিছু খাবার সংক্ষিপ্ত বিবরণসহ তুলে দিচ্ছির

১। ইয়াক চিজ স্যান্ডুইচঃ

চমরি গাই-এর দুধ থেকে বানানো পনির ব্যবহার করে এই স্যান্ডুইচ তৈরি করা হয়। থামেল-এর পাম্পারনিকেল বেকারির অন্যতম আকর্ষণ এটা (অবশ্য সব সময় পাওয়া যায় না)। স্বাদের দিক থেকে এই পনিরের লবনাক্ততা তুলনামূলক কম, ক্রিম-এর ভাব বেশি।

ইয়াক চিজ স্যান্ডুইচইয়াক চিজ স্যান্ডুইচ

২। সেল রুটিঃ

এই রুটি মূলত দশৈ (বিজয়া দশমী) এবং তিহার (দীপাবলি) উৎসবের সময় তৈরি করা হতো এবং নৈবদ্য হিসেবে পরিবেশন করা হতো। বর্তমানে প্রায় সব সময়েই এই তেলেভাজা মিষ্টি রুটির দেখা পাওয়া যায়। অনেকটা পিঠা জাতীয় এই রুটি তৈরিতে চালের গুড়ো, দুধ, চিনি, কলা, লবঙ্গ, এলাচ ও ঘি/মাখন ব্যবহার করা হয়।

সেল রুটি ও অ্যাপল সাইডারসেল রুটি ও অ্যাপল সাইডার

৩। থুকপাঃ

থুকপা মূলত স্যুপ-নুডলস-এর তিব্বতী সংস্করণ। ভিন্ন রকমের মাংস ও সবজি দিয়ে মশলাযুক্ত এই স্যুপ-নুডলস তৈরি করা হয়।

থুকপাথুকপা

৪। শাকপাঃ

শাকপা আর থুকপা দুটোই বেশ কাছাকাছি, ব্যতিক্রমী দিক হচ্ছে শাকপা তৈরিতে নুডলস এর পরিবর্তে চাল ব্যবহার করা হয়।

শাকপাশাকপা

৫। গুন্দপাকঃ

দুধ, গুড়, ঘি, নারকেল গুড়ো, বাদাম আর ময়দা দিয়ে তৈরি খাবারটি যেমন সুগন্ধী, তেমনি সুস্বাদু।  

গুন্দপাকগুন্দপাক

৬। খুকড়ি রামঃ

নেপালের লোকাল ব্রু’ড রাম; এক্সপেক্টেশন ছিলো যে কেরু’র মতো কিছু হবে, কিন্তু এটা সেই হিসেবে অনেক স্মুদ আর তুলনামূলক কম কড়া।

খুকড়ি রামখুকড়ি রাম

৭। নেপাল আইসঃ

নেপালের লোকাল বিয়ারগুলোর মধ্যে শুধু একটাই ট্রাই করা হয়েছে। এক্সপেক্টেশনের তুলনায় অনেক ভালো এবং সস্তা।

নেপাল আইসনেপাল আইস

৮। লাপ্‌হিংঃ

এই খাবারের উৎস সম্পর্কে ধারণা নেই, উপরের অংশটা অনেকটা স্বাদহীন জেলির রোলের মতো, ভিতরে বিভিন্ন ঝাল মশলাদার উপরকরণে বোঝাই।

লাপ্‌হিংলাপ্‌হিং

নেপালে অন্য সব খাবারের পাশাপাশি আকর্ষণীয় অন্যতম জিনিস হচ্ছে চা (চা-এর ছবি তোলা হয় নি দেখে দেওয়া হলো না)। যারা নেপাল ভ্রমণে যাবেন, ওখানের নানা রকমের চা-এর স্বাদ নিতে ভুলবেন না যেনো।