খানা পিনা

সৌদি ইফতারে অপরিহার্য ১৫ খাবার

এখানকার সংস্কৃতি দেখে একটা শুদ্ধ উপলব্ধি তো তৈরি হবেই, সাথে শিখে নিতে পারেন স্থানীয় খাবার রান্নার পদ্ধতি। কেননা সৌদির রয়েছে নিজস্ব ইফতার ঐতিহ্য, আর কিছু নিয়মিত আইটেম তাদের ইফতার টেবিল এ না থাকলেই নয়।

বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী খাবার

নতুন কোন জেলায় ঘুরতে গেলে আমি ওই জেলার বিখ্যাত খাবার গুলো খাওয়ার চেস্টা করি সবসময়।নতুন নতুন স্বাদের খাবার খেতে ভালোই লাগে।

রাঙ্গামাটির ঐতিহ্যবাহী খাবার

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলা বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবারে ভরপুর।ঘোরাঘুরি করা হয় সারা বছর জুড়েই।নতুন কোন জেলায় ঘুরতে গেলে আমি ওই জেলার বিখ্যাত খাবার গুলো খাওয়ার চেস্টা করি সবসময়।নতুন নতুন স্বাদের খাবার খেতে ভালোই লাগে।

পরোটায় নবাবী নাস্তা

এদের পরটার সাইজ গুলা বেশ বড়, ছেড়া পরটা যাকে বলে.. আগের রাতের ময়দার ময়ান করা ছিলো তাই পরটা গুলো মাখনের মতো নরম।।খাসির কলিজা প্রচুর পরিমানে দেয়, হালকা ঘন গ্রেভীতে কুচি কুচি কলিজা। আমি পরটা দিয়া পেচিয়ে একগাদা কলিজা মুখে দিলাম, আহা।

ভূতের বাড়ির তান্দুরি চিকেন

ছুড়ি দিয়ে কেটে মসলা মেরিনেট করেছে তাই তান্দুরির ভিতরে মসলার প্রবেশ হয়েছে সুন্দর, হালকা স্পাইসি টেস্ট।

ভোজ রেস্তোরাঁয় চিকেন খিচুড়ি ভোজন

সুবাসিত খিচুড়ি, তার মাঝে জলপাইয়ের আচার মিক্স করে দেওয়া, এইবার টাটকা টাকি মাছের ভর্তা, যেটা খুব ভালোভাবে মিহি করে বাটা আর হালকা সরিষার তেলের গন্ধ...

ঢাকা কুইজিন এর নবাবী বিরিয়ানী

অর্ডার দিলাম নবাবি বিরিয়ানীর.. ওয়েটার অবাক হলো,কারন এটা চারজনের ডিশ।বললাম,"বাকিটা পার্সেল হবে..সেটা পাবে চলতি পথে যার রিজিকে লিখা আছে"।

হোটেল মুঘল দরবারে কাশ্মীরি ওজওয়ান, শ্রীনগর, কাশ্মীর

বাংলাদেশ থেকে প্রচুর লোক কাশ্মীর বেড়াতে যান।ঘোরাঘুরির পাশাপাশি কাশ্মীরের ঐতিহ্যবাহী ওজওয়ান খেয়ে দেখতে পারেন।অসাধারন খেতে। ‘’ওজওয়ান'’ নামটি কাশ্মীর থেকে বেরিয়ে আসা প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে শুনতে পাওয়া যায় কারণ যিনি এই খাবার একবার খান তিনি তার জীবনে কখনো এর কথা ভুলতে পারেন না।

মজিদ ভাইয়ের হোটেলে পেটপূজা

আওড়াখালি এলাকাটাই বিল দিয়ে ভরা নিচু এলাকা, প্রচুর মাছ পাওয়া যায়।গ্রামের বাজার, সেই তুলনায় হোটেল টা বেশ ভালো। হোটেল এর পাশে মাটির চুলায়, বিশাল বড় তাওয়াতে একের পর এক মাছ ভাজা হচ্ছে। যারা মাছ খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য উপযুক্ত জায়গা।

নবাবী নয়, বিবি বিরিয়ানি!

তবে তেহারীতে মাংসের প্রাচুর্য, আহ..রাইসের পরিমান যথেষ্ট। সরিষার ঝাজালো একটা স্মেল আসছে, বাবুর্চি দরাজ হাতে দিয়েছে তাই গন্ধ টাও বেশ অমায়িক। বিফের ছোটো ছোটো টুকরা গুলা ওয়েল কুকড এবং হাড়বিহীন।

কলকাতার ফুড গাইডঃ কমদামে ভাল খাওয়াদাওয়া

আমার সঙ্গিনীর মজা লেগেছে লাভা চকলেট কেক, ইহা যে কি বস্তু যারা শ্রীরাম আর্কেডের সামনে থেকে খেয়েছেন তারাই জানেন, আপনি চামচ দিয়ে কেক কাটবেন আর ভিতরের গরম চকলেট গড়িয়ে গড়িয়ে পড়বে , অসাধারণ স্বাদ! 

জিভে জল আনা কালোভুনা

অর্ডার দিলাম প্রচুর। খালুর এই অপমান ভুলতে অনেক কিছু খেতে হবে আজকে। সাদা ভাতের সাথে নিলাম ঝাল আলু ভর্তা, ডাল চচ্চরি এক গাদা। মুখের রুচি মনে হয় দ্বিগুণ হয়ে গেলো সাথে সাথে। আধা প্লেট ভাত শুধু ভাজিভর্তা দিয়েই উড়ায় দিলাম। এরপরে নিলাম খাসির ডাল গোস্ত। ঘন মুগের ডালে চুবানো খাসির ঠাসা মাংস টা গরম ভাতের সাথে নিয়া গপাগপ মুখে চালান করে দিলাম। খালু বলল,"এইখানের কালা ভুনা টা নাকি অসাধারণ"?

পিৎজা ওরফে পাস্তা!

আমরা অর্ডার দিলাম ফিউশন ফুড "পিৎজা পাস্তা"। বেশ বড় সাইজের পিৎজার উপরে পাস্তার টপিংস, ভরপুর চিজ এবং চিকেন বিফের প্রাচুর্য। ক্রাস্ট একটু ক্রাঞ্চি তবে উপর টা সম্পুর্ন জুসি, মেল্টেড চিজ আর দরাজ হাতে দেওয়া ফ্রাইড মিট।

আমানিয়ার নেহারী

আহা! নেহারীটার চেহারা দেখেই শান্তি, ভুলে গেলাম পথের সকল ক্লান্তি! ঘন ঝোল, বড় একটা হাড় তার মাঝে মজ্জা, খেতে ভারী মজা। নেহারীর ঝোল টাই আসল, গরুর মাংসের ছোট ছোট পিস দিয়েছে, আর মগজ দিয়েছে অল্প পরিমানে।

দ্যা গ্রাউন্ডসের চিকেন তান্দুরি

বোঝা যায় ইনি খুব মন দিয়ে বাজার করেন, মুরগির পেটে চিপ দিয়ে মাংস মাপেন, মাছের কানকোর লাল তার প্রিয় রঙ। ইনি নিশ্চিত বিয়ে বাড়িতে জীবনেও দ্বিতীয় ব্যাচে খান নাই, আর রোস্টের ক্ষেত্রে রান আর সীনা নিয়ে নিশ্চই অনেক ক্যাচাল করেন।

আলোচিত পোস্ট