ইন্দোনেশিয়ার জাভায় সাম্প্রতিক এক সামুদ্রিক অভিযানে প্রায় ১২ ধরনের নতুন প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী আবিষ্কৃত হয়। ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের একদল গবেষক এই অভিযান পরিচালনা করেন এবং প্রায় ১২০০০ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণীর নমুনা সংগ্রহ করেন।

 

অভিযানঃ

 

সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্দোনেশিয়া বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযান ছিল ১৪ দিনের। এ সময় গবেষক দল সাগরের প্রায় ৮০০-২১০০ ফিট নিচে গভীরে নেমে যায়। তারা প্রায় ৬৩ টি স্থানে পর্যবেক্ষণ চালায় এবং ১২০০০ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণীর নমুনা সংগ্রহ করেন। এদের মধ্যে কিছু কাঁকড়া ও চিংড়ি মাছ ছিল একদমই নতুন প্রজাতির।

 

নতুন প্রজাতিঃ

এই অভিযানে কিছু উল্লেখযোগ্য নতুন প্রজাতির প্রাণী আবিষ্কার করেন অভিযাত্রী দল। এদের মধ্যে রয়েছে নতুন প্রজাতির চিংড়ি, লবস্টার, হারমেট কাঁকড়া ও তারা মাছ। এদের মধ্যে একটা কাঁকড়ার নাম রাখা হয় বড় কানের কাঁকড়া। এদের চোখের সুরক্ষা আবরণ অনেকটা কানের মত দেখতে তাই এই নামকরণ। তাছাড়া ডোরাকাটা এক ধরনের লবস্টার আবিষ্কার করা হয়।

এক ধরনের নতুন প্রজাতির চিংড়ি মাছ আবিষ্কার করা হয় যা মরা সামুদ্রিক গাছের ডালকে দেহবর্ম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

এছাড়া নতুন এক ধরনের তারা মাছ ও স্কুইড আবিষ্কার করা হয়। এই তারা মাছ সাদা রঙের দেখতে। গভীর সমুদ্রে এই তারা মাছ বাস করে। আর স্কুইডের এক চোখ বড় ও আরেক চোখ অনেকটা ছোট হয়।

গবেষক দল সমুদ্রের গভীরে অনেক জঞ্জাল ও আবর্জনা দেখতে পান যেগুলো এই মূল্যবান প্রাণীজগতকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তারা তাদের গবেষণা ও অনুসন্ধানের ফলাফল ২০২০ সালে প্রকাশ করবেন।