অ্যাডভেঞ্চার

ডিম পাহাড়ের ডিম গুহা...

গুহার ঢোকার মুখ খুব বেশী বড় না।কিন্তু আপনি গুহার মুখ দিয়ে ভেতরে ঢুকে যত সামনের দিক এগোবেন গুহা তত বড় হতে থাকবে।

রাজা পাথর 

কথিত আছে, এই পাথরের উপর বসে তৎকালীন রাজা ওনার রাজ কার্য পরিচালনা করতেন।।

মসিন্রাম গুহা, চেরাপুঞ্জি, মেঘালয়

খাগড়াছড়ির আলুটিলা গুহার কয়েক গুন হবে দৈর্ঘ্যে, (১৫০ মিটার) আর গুহার ভেতরে প্রবেশ করলেই প্রাগৈতিহাসিক কালের অনুভূতি পেতে বাধ্য আপনি।

মেঘালয়ের একটা ইকো পার্ক থেকে দেখা সুউচ্চ জলপ্রপাত

আমরা আসলে এর ভয়ংকর রুপ দেখিনি। ভরা বর্ষায় যদি আবার কখনো যাই তাহলে এর পূর্ন রুপ দেখতে পাব। আশা করা যায় মেঘালয়ে ননস্টপ আরো কিছু ট্যুর দিতে পারব।

ঝর্নার নাম ক্রাংসুরি

৩/৪ টি অসাধারণ স্পট। বর্ডার ক্রস করে ডাউকি শহরে যাবেন। যেতে জনপ্রতি ১০ রুপি। সেখান থেকেই ট্যাক্সি পাবেন। 

মারায়নতং , একটি স্বপ্নচূড়ার নাম

মারায়নতং থেকে দূরে মহেশখালী, কক্সবাজার দেখা, ডিম পাহাড়, রুংরাং দেখা। রাতে ক্যাম্পফায়ার, তাবুতে প্রথম বারের মত ঘুমানো , ভো্রে সূর্যোদয় দেখা, ফটোসেশন ,

কায়া‌কিং

পাহাড় ঘেরা লে‌কে কায়া‌কিং করার সময় ম‌নে হ‌বে যেন স্ব‌র্গের রাস্তার দি‌কে এ‌গি‌য়ে যা‌চ্ছেন আ‌স্তে আ‌স্তে । মা‌ঝে মা‌ঝে লে‌কের পা‌নি‌তে হাত ঢু‌বি‌য়ে রাখ‌লে এক অন্যরকম ঠান্ডা অনুভূ‌তি পা‌বেন ।

আমিয়াখুম,সাতভাইখুম,মাথাবারাখুম...এক স্বপ্নরাজ্যে

সবুজ অরণ্য তাদের রাজ্যে আমায় স্বাগতম জানাচ্ছে আর সবুজ টলটলে স্বচ্ছ জলপথ যেন লাল কার্পেট সংবর্ধনা দিচ্ছে আমাকে

মাত্র এক দিনে ঘুরে আসুন খৈয়াছড়া ঝর্না

খৈয়াছড়া ঝর্নায় ট্রেকিং শুরুর আগেই সেখানকার লোকাল গাইডরা বলবে খালি পায়ে যান।অনেক কাদা আছে।আমার পরামর্শ হবে,ওদের কথায় খালি পায়ে যাবেন নাহ।

কির্সতং আর রুংরাং এর পথে

স্বপ্ন টা অনেক দিনের, রুংরাং আর কির্সতং , যে পাহাড়ের নামের মধ্যেই রোমান্টিকতা , একধরনের মাদকতা ছড়িয়ে আছে তা সামিট করার।

নাফাখুম জলপ্রপাত 

অবশেষে গত ৪ এপ্রিল আমার স্বপ্নপূরণ হলো, দেখা হলো সুন্দরীর সাথে ,যদিও শীতের শেষ বলে পানি কম বাট সৌন্দর্য এর কমতি নাই।।

অপার্থিব বান্দরবান...

বান্দরবানের সৌন্দর্য কাউকে মুখে বলে কখনই বোঝানো সম্ভব না। বান্দরবানের আদিম অপার্থিব সৌন্দর্য নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

দীর্ঘ ৩৫ কি.মি. ট্রেইল মাত্র ১৫০০ টাকায়... 

এক যায়গায় দেখলাম বিশাল এক কুকুরের পায়ের ছাপ।গাইড বলল মেছো বাঘ কিংবা ভাল্লুক হবে,আফসোস ছাপটার ছবি তুলতে মনে নাই

হামহাম জলপ্রপাত, শ্রীমঙ্গল, সিলেট ভ্রমন

তারপর খাড়া পাহাড় বেয়ে ঝর্ণার চূড়ায় উঠলাম । উপরে উঠে দেখি ছোট খালের মত পানি থেকেই এই ঝর্ণার সৃষ্টি । কিন্তু এই পানিগুলোই বা কোথা থেকে আসছে এটার জানার আফসোস নিয়ে ঝর্নার পাশে থাকা মন্তব্যের খাতায় নিজের মতামত লিখে ফেরার পথ ধরলাম,

সিপ্পি পাহাড় আর পাইন্দু অভিযান

যদিও ছিলনা বর্ষাকালের সবুজের সমারোহ কিংবা দূর্দান্ত , দূরন্ত ঝিরি কিন্তু অ্যাডভেঞ্চার এর কোন কমতি ছিলনা তাই বলে। আমার প্রত্যেক টীম মেম্বার ছিল প্রান রসে ভরপুর। ভালবাসা, আদরে কেটে গিয়েছে তিন টা দিন।

আলোচিত পোস্ট


আজকের ছবি-২৩-০৪-১৮

আজকের ছবি-২৩-০৪-১৮

সোমবার, এপ্রিল ২৩, ২০১৮