অ্যাডভেঞ্চার

নাফাখুমের পথে

থানচিতে অপেক্ষা করছিল আরো চমৎকার কিছু - নৌকা ভ্রমণ । সাঙ্গু নদীর উপর দিয়ে রেমাক্রির পথে । স্রোতের বিপরীতে দুই থেকে আড়াই ঘন্টার পথ ছিল , চান্দের গাড়ি থেকে পাওয়া দৃশ্যকেও হার মানিয়ে দিলো ।

দূর পাহাড়ের আমন্ত্রণে ১

একটার পর একটা আদিবাসী পাড়া ছাড়িয়ে যখন রুমা বাজারে পৌঁছলাম তখন আমার মনে হল এটা বুঝি একটা স্বপ্নের দেশ, ছবির মতন সব কিছু। ছোট ছোট ঘরবাড়ি, বাজার, আধপাকা রাস্তাঘাট, ছোট্ট নদীর মত নদী, সরল চাহনির মানুষগুলো সব ছবির মতই।

এভারেস্ট ডায়েরী- ১

এভারেস্ট বেস ক্যাম্পের পথে বাংলার মেয়ে

হিমালয়ের গহীণে - প্রকৃতি ও সংস্কৃতির মাঝে যাত্রা (২য়-কিস্তি)

পাহাড়ের এ যাত্রা অনেক রোমাঞ্চকর আর শীর্ষে যাবার কল্পনা থেকে শুরু না করলেও, আমার কাছে চিরস্মরণীয় আর এটা আমার শুরু আবারও আসব হিমালয়ের কোলে নানা প্রান্তে প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সন্ধানে পরম আবেগে।

হিমালয়ের গহীণে - প্রকৃতি ও সংস্কৃতির মাঝে যাত্রা (১ম-কিস্তি)

চল্লিশ ছুঁই-ছুঁই বয়সে শারীরিক সক্ষমতাও অনেক সহায়ক- তাও নয়, তবু মনের জোরই সম্বল।

অ্যান্টার্কটিকার ডায়েরী

আর্নেস্ট শ্যাকলটনের অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের ৮২ বছর পর অ্যান্টার্কটিকা অভিযানে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ইনাম আল হক। অ্যান্টার্কটিকা অভিযান নিয়েই ইনাম আল হক লিখেছেন অ্যান্টার্কটিকায় চোখ ধাঁধানো কয়েক দিন ।

এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে শাড়ি পরে বাংলার নারীরা।

অসাধারণ অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন দেশের প্রথম নারী-পর্বতারোহী সাদিয়া সুলতানা শম্পা আপু।

উপকূলে পাখি গণনা

রাত শেষে আযান ভোরে ল্যান্জা-রাতচরা পাখির ডাকে ঘুম ভাঙ্গলে সকাল ৮টা নাগাদ পৌছে যায় চর শাহ্ জালাল, এখানে একদিকে চার কিঃ মিঃ এর মতো সৈকত অন্যদিকে সবুজ ক্যাওড়ার বন, যেন মায়াজাল ছড়িয়ে রেখেছে।

বান্দরবনে একলা ট্রেকিং (১ম কিস্তি)

যতদূর চোখ যায় আর কোন কৃত্তিম আলো নেই। বারান্দা থেকে নেমে ঘাসের লন, সেখানে একটা সিমেন্টের বেদী করা।

কাজাখস্তানের কাঠগড়ায় পাখিদর্শক

জীবনে প্রথম অপরাধী হিসেবে আমাকে কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়াতে হলো। ঘটনাটা ঘটেছিল গত জুলাই মাসে কাজাখস্তানে। আমি ওখানে গিয়েছিলাম সাইগা-এন্টিলোপ সম্পর্কিত গবেষণা করতে। সাইগা-এন্টিলোপ একটি পরিযায়ী এবং মহা-বিপন্ন প্রাণী।

রস গুড় ও গাছির গল্প

গাছি সেই গাছ ছেড়ে অন্যগাছে কাটতে চলে যায়। গাছির সহযোগী বা ছেলে এসে সদ্যকাটা গাছের গোঁজে আটকে দেয় ভাঁড় ।

নুশরাত ফারহানার বাঞ্জি জাম্পিং!

আহা কী যে দারুণ অনুভূতি! মুহূর্তের মধ্যে সব ভয় শেষ। নিজেকে পাখির মতো মনে হচ্ছিলো। বাতাসের শো শো শব্দ কানে এসে লাগছিলো। কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার।

আলোচিত পোস্ট


বিচিত্র যত গুল্ম (পর্ব-২)
কেরালা-এক ভিন্ন ভারতের গল্প