খৈয়াছড়া ঝর্নাঃ

ট্রেকিং পছন্দ করেন? পাশাপাশি ঝর্নার প্রতি দূর্বলতা আছে? কম সময়ে মাত্র ১ দিনে এমন কোথাও ঘুরে আসতে চান? হ্যা তাহলে আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে পাহাড় এবং সবুজে ঘেরা খৈয়াছড়া ঝর্না।

খৈয়াছড়া ঝর্নায় ৮ টা স্টেপ রয়েছে। সবগুলো দেখতে হলে, খানিকটা সময় কঠিন ট্রেকিং করতে হবে। মনের ইচ্ছা শক্তি থাকলেই, এ ট্রেকিং সম্ভব।

খৈয়াছড়া ঝর্নাখৈয়াছড়া ঝর্না

কিভাবে যাবেন?
ঢাকা-মিরসরাই-বড় তাকিয়া বাজার। এরপর ঘণ্টা খানেক ট্রেকিংয়ের পর পেয়ে যাবেন খৈয়াছড়া ঝর্নার প্রথম স্টেপ।

নাফাখুম জলপ্রপাতঃ

ভালোবাসার আরেক নাম 

নাফাখুমনাফাখুম

রুট: বান্দরবন-থানচি-রিমাক্রী-নাফাখুম।।

তিনাপ সাইতারঃ

সে আসলেই বিশাল!!! পাহাড় থেকে বড় বড় পাথর ভেঙ্গে পরে ভয়ংকর সুন্দর করে তুলেছে। পাথর গুলা বেশ পিচ্ছিল। 

যা যা লাগবে :

(আমরা যা যা নিয়েছিলাম আর কি)

>ট্রেক স্যন্ডেল

>আইডি কার্ড

>পলিথিন (ছোট কয়েকটা আর ব্যাগ রাখার জন্যে বড় একটা)

>টিশার্ট -৩ টা

>হাফ প্যান্ট / ৩ কোয়াটার / ট্রাউজার --২ টা

>গামছা এবং লুঙি

(আর কোন কাপর না নিলেই চলবে। নো জিন্স। নো শার্ট। নো আন্ডারওয়ার)

>পানির বোতল। ১.৫ লিটার।

>লাইট, চাকু,ক্যাপ, পাওয়ার ব্যাংক

>ভ্যাসলিন, তেল, ওডমোস, গুল, লবন

ঔষধ (প্যারাছিটামোল, সেলাইন, ম্যালেরিয়ার জন্যে ডক্সিক্যাপ, গজ, স্যাভলোন, ওয়ান টাইম ব্যান্ডেজ)

তিনাপতিনাপ

পরামর্শ: (সংগ্রহীত)

১. বান্দরবন থেকে রোয়াংছড়ি যাবার ফার্স্ট গাড়ি ৮ টায় ছাড়ে।।। ফার্স্ট টিপেই যাওয়া ভাল :)

২. পানির সমস্যা পাহাড়ে থাকবেই। অনেক কষ্টে এরা পানি জমায়। এই কষ্ট আর শ্রমের মূল্য টাকা দিয়ে নিরূপণ করা সম্ভব না। আমাদের থাকার জন্য ওরা কাঁথা, জায়গা ছেড়ে দেয় নিজেরা কষ্ট করে। দয়া করে ওদের সাথে দামাদামি করবেন না। আপনি কয়েকশো টাকা বেশি দিলে সেই টাকায় ওরা দালানকোঠা বানাবে না।

৩. পাহাড়ে পানির কষ্ট, খাওয়ার কষ্ট যারা এইগুলো অভিযোগ করবেন, তারা এইসকল জায়গা থেকে ৩৯৭ কিলোমিটার দূরে থাকুন। পাহাড় কষ্টের জায়গা।

৪. পাইনক্ষ্যং পাড়া, রনিপাড়া, দেবাছড়া পাড়ায় মোটামুটি টিনের ঘেরাও দেয়া আর সিমেন্টের প্যান বসানো টয়লেটের ব্যাবস্থা আছে, অন্তত শূকর আপনার বিষ্ঠা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়বে না।

৫. অনুমতি ছাড়া পাহাড়িদের ছবি তুলবেন না, আগে অনুমতি নিয়ে নিন।

৬. অবশ্যই অবশ্যই ম্যালেরিয়ার ওষুধ খেতে হবে। অনেকেই ত্যাড়াব্যাড়া করে ওষুধ খান না। নিয়ম নিয়মই, পাহাড়ের নিয়ম আপনাকে মানতেই হবে। ম্যালেরিয়া প্রবণ জায়গা থেকে ঘুরে আসার এক বছর পরেও ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে। কাজেই সাবধান।

অবাক করা সব ঝর্নার গল্প(পর্ব ১)