১৯৫৩ সালের কথা, আজকের দিনের মত কাঠমুন্ডু থেকে লুকলা উড়ে গিয়ে এভারেস্টের পথে হাটা শুরু করা যেতনা তখন। প্রাতঃস্মরনীয় হিলারী-তেনজিং জুটি তাহলে কি করেছিলেন?

হ্যা, ঠিক ধরেছেন, লুকলা পর্যন্তও হেটেই গিয়েছিলেন তারা। যেমনটি পরবর্তী আরো বহু বছর গেছেন আরো অনেক পর্বতারোহীর দল। কাঠমুন্ডু থেকে ছোট্ট নেপালী গ্রাম জিরি পর্যন্ত আসত মোটরযান, তারপর হাঁটতে হত- জিরি, শিবালয়, ভাণ্ডার হয়ে  তাকাসাং, নুনথালা গ্রাম পাড়ি দিয়ে আস্তেধীরে ৮, ৯ বা ১০ দিনে উঠতে হত ফাকদিং এর পথে, কাঠমুন্ডু থেকে নামচে বাজার পৌছুতে ১৫ দিন পেরিয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা ছিল তখন। পথে পড়ত ছবির মত গ্রাম জুনবেসি, পাইকি পিকে দাঁড়িয়ে সাগরমাথার দর্শন করে নিয়ে তাকে স্পর্শের আকাঙ্ক্ষা আরেকটু বাড়িয়ে নিতেন অনেক অভিযাত্রী।

হিলারি-তেনজিং এর পদস্পর্শে ধন্য এই পথটি পরিচিত হয়ে ওঠে ক্ল্যাসিক এভারেস্ট ট্রেইল হিসেবে। পরবর্তী সময়ে স্যার হিলারীর প্রচেষ্টায় ১৯৬৪ সালে লুকলা তে স্থাপিত হয় বিমানবন্দর, এর আগে এভারেস্ট এ বা বেসক্যাম্পে পৌঁছানোর একমাত্র পথ ছিল এই ক্ল্যাসিক ট্রেইল।

এখন অবশ্য কাঠমুন্ডু থেকেই সাইই করে উড়ে যাওয়া যায় লুকলাতে, কিন্তু তারপর ও চাইলে এই বিমান ব্যবহার না করার অনেক যুক্তিই আপনি দাঁড় করাতে পারেন।

লুকলার এই বিমানবন্দর পৃথিবীর অন্যতম বিপদজনক বিমানবন্দর, এর দূর্ঘটনা ঘটার রেকর্ডগুলো খুব সহজেই আপনার পিলে চমকে দিতে পারে। তারপর ও ধরে নিলাম আপনি খুবই আশাবাদী, সেক্ষেত্রে আপনাকে গুণতে হবে মোটা অংকের টাকা যাওয়া আসার ভাড়া বাবদ- কমপক্ষে ২০০-২৫০ থেকে উর্ধ্বে ৩৫০-৪০০ ডলার তো বটেই। উহু, এ আর এমনকি ভেবে নিশ্চিন্ত হয়ে পড়বেন না এখনি যেন! এই ভাড়াটাও আপনার পুরোটাই গচ্ছা যেতে পারে। আবহাওয়া বিপর্যয়ে লুকলা থেকে বিমান ফেরত আসা, অবতরণ করতে না পারা প্রায় নিয়মিত ঘটনা নেপালে।

আর এসব অজুহাত তাদের জন্য দরকারই নেই যারা স্রেফ তেনজিং-হিলারির পদচিহ্ন ধরেই এগুতে চায় এভারেস্ট এর পথে- তাদের জন্য এখনো অনন্য ক্ল্যাসিক ট্রেইল।

এটা সত্য যে বিমানবন্দর চালু হবার পর এই পথ এর ব্যবহার কমে গেছে অনেক, এমনকি লুকলা বেস এর নিচের গ্রাম গুলোতে যে লজ গুলো ছিল বেকার বসে থাকতে থাকতে তার অনেকগুলোই বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যদি একটা জিনিস অটুট থাকে তা হল পথের সৌন্দর্য। আর সেজন্যই বোধ হয় কখনোই পুরোপুরি বিস্মৃত হয়ে যায়নি ক্ল্যাসিক ট্রেইল। অঢেল সময় হাতে নিয়ে অর্থসংকটে ভোগা বাজেট ট্রেকারদের জন্য সবসময়ই প্রথম পছন্দ ছিল এটি, আজও আছে।

আনন্দের সংবাদ হল, নেপাল সরকার জিরি থেকে লুকলা পর্যন্ত হাইওয়ে বানানোর প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে- তাও প্রায় দুবছর হল। কাজ দ্রুতগতিতে এগুচ্ছে এবং এই শীতেই তাকাসাং হয়ে নুনথালা গ্রাম পর্যন্ত, ও ফাপলু হয়ে জুনবেসি গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা বানানো শেষ- অর্থাৎ এই পর্যন্ত মোটরযান নিয়েই যাওয়া সম্ভব এখন। আর এখান থেকে ট্রেক করে ফাকদিং অথবা লুকলা পৌঁছাতে সময় লাগবে ২/৩ দিন।

শুধু ট্রেকেই নয়, নির্মানাধীন এই রাস্তা ট্রেকারদের আরো অনেক ব্যাপারেই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে। নামচে বাজারে এককাপ চা খেতে হলেও আপনাকে গুনতে হয় কমপক্ষে ২৫০ রুপী। উচ্চতায় দ্রব্যমূল্যের এইযে উর্ধ্বগতি তার অনেকটাই কমে আসবে এই সড়ক নির্মান শেষ হলে। যেখানে বিমানে প্রতিকেজি পন্য পরিবহণে খরচ হয় ১৫০ রুপী, সেখানে ট্রাক এ খরচ হবে মাত্র ১০ রুপী। 

যারা বাজেটের জন্য এভারেস্ট বেস ক্যাম্প ট্রেক এ যেতে পারছেন না, তাদের জন্য এই রাস্তা নিঃসন্দেহে একটা খুব ভালো অপশন। যেখানে শুধু কাঠমন্ডু-লুকলা ফ্লাই করতে খরচ হয় কমপক্ষে ১৫০০০-২০০০০ টাকা, সেখানে এই পথে সর্বনিম্ন যাতায়াত ভাড়া পড়বে ২৪০০ নেপালী রুপি অর্থাৎ ২০০০ টাকার ও কম। আর আসা যাওয়া দিয়ে সময় ও লাগবে সাকুল্যে চার থেকে ৬ দিন বেশি। তবে আপনাকে নির্ভর করতে হবে শারীরিক সক্ষমতার উপর, আর যাত্রাপথের থাকা খাওয়ার খরচ টাও ধর্তব্য। তবে সব খরচ যোগ করলেও তা বিমান ভাড়ার অর্ধেকে পৌঁছাবে না।

 

কিভাবে যাবেন সড়কপথে আর দুইপায়ে এভারেস্টের পথে-

ম্যাপের দেখানো পথেই চলে গেছে সড়ক পথ ম্যাপের দেখানো পথেই চলে গেছে সড়ক পথ

কাঠমুন্ডুর ছাবাহিল চক (Chabahil Chowk) থেকে প্রতিদিন সকাল ৫ টা থেকে বাস ও জীপ ছাড়ে সাল্লেরির উদ্দেশ্যে।

জীপঃ সাধারণত ৭ সিটের জীপ গুলোতে ১০-১২ জন বসানো হয়, তাই শেয়ার জীপ এ গেলে আরামের চিন্তা বাদ দেয়াই ভালো। তবে আগে উপস্থিত হয়ে বা কোনভাবে যদি ড্রাইভারের পাশের সিট টা বাগিয়ে নিতে পারেন তবে যাত্রা টা অতটাও মন্দ হবেনা, কেননা সরকার এখন আইন করে সামনের সিটে দুইজনের বসা নিষিদ্ধ করেছে, আর পরিষ্কার অবারিত পথের দৃশ্য তো ফাও পাওনা।

শেয়ার জীপের ভাড়া পড়বে ২০০০ নেপালি রুপী। জীপ যাবে সাল্লেরি পর্যন্ত। লাঞ্চ ব্রেক সহ সময় লাগবে প্রায় ১০ ঘন্টা। তবে আপনি যদি দলে ভারী হয়ে থাকেন তবে নুনথালা বা জুনবেসি গ্রাম পর্যন্ত জীপ রিজার্ভ করে নিতে পারেন- সেক্ষেত্রে গাড়ি ভেদে খরচ পড়বে ১৫০০০-২০০০০ রুপী। এতে করে কমপক্ষে একদিনের ট্রেকিং রুট আপনারা গাড়ি করে এগিয়ে থাকতে পারবেন।

বাসঃ

ছাবেহিল চক থেকে প্রতিদিন দুইটি বাস ছেড়ে যায় সাল্লেরির উদ্দেশ্যে। সকাল ৬ টায় ও দুপুর ২ টায়। লাঞ্চ ব্রেক সহ সময় লাগবে প্রায় ১২ ঘন্টা। ভাড়া লাগবে ১২০০ নেপালী রুপী (বাংলাদেশী টাকায় ৯৬০ টাকার মত)।

এখান থেকে চাইলে জীপে রিংমো বা নুনথালা পর্যন্ত যেতে পারেন, অথবা বিসমিল্লাহ বলে নামচে বাজারের দিকে হাটা শুরু করতে পারেন এখান থেকেই।

যা যা সাথে রাখবেনঃ

টিমস কার্ডঃ নেপালে ট্রেকিং এর পারমিট কার্ড। খরচ পড়বে ৬০০ টাকার মত (৩ ডলার- সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য) 

বিঃদ্রঃ সম্প্রতি ২০১৭ সালে নেপাল সরকার এভারেস্ট রিজিয়নে ট্রেকের জন্য টিমস কার্ড প্রজোয্য নয় বলে আইন করেছে, এর পরিবর্তে লুকলা থেকে এন্ট্রি ফি দিয়ে পারমিট নিতে হবে। যেহেতু আইন পরিবর্তনশীল, তাই ভ্রমণের আগে আপডেট তথ্য  নিয়ে যাওয়াটা ভালো হবে। 

সাগরমাথা ন্যশনাল পার্কের টিকেটঃ খরচ পড়বে ১৫০০ রুপী  সাথে ১৩% ভ্যাট (সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য) ।

এন্ট্রি পারমিট- সোলাখুম্বু রিজিয়ন এ প্রবেশের জন্য ২০০০ রুপী দিয়ে পারমিট নিতে হবে লুকলা থেকে। 

রুটপ্ল্যানঃ

ধরেনিই আপনি যাচ্ছেন এভারেস্ট দর্শনে বা উঠবেন এভারেস্ট এর বেসক্যাম্প পর্যন্ত, আপনার প্রারম্ভিক গন্তব্য নামচে বাজার। আরো ধরে নিই সাল্লেরি পর্যন্ত আপনি পৌঁছে গেছেন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে। এরপর কি করবেন?

১ম দিন- কাঠমন্ডু থেকে সাল্লেরিঃ সভ্যতা থেকে বেশ অনেকটা দূরে হলেও এখানেও পাবেন সভ্যতার অনেক নিদর্শন- এমনকি দোকানে ট্রেকিং গিয়ার ঝুলতে দেখলেও অবাক হবেন না।

arewethereyeti.wordpress.comarewethereyeti.wordpress.com

সাল্লেরিতে লজ ভাড়া একটু বেশি, ২০০-৩০০ নেপালী রুপী প্রতিরাত। বেশি এইজন্য বললাম কারন নামচে বাজারের আগে বাকি রাস্তায় এই ভাড়া আরো কম। আর ডাল ভাতের থালিও পড়বে ওই ২০০-৩০০ রুপীর মতই। যত উপরে উঠবেন খাবারের দাম অবশ্য ততই বাড়তে থাকবে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৩৯০ মিটার উচ্চতায় ঘুমুবেন এই রাতে।  

 

২য় দিন- সাল্লেরি থেকে নুনথালাঃ

চাইলে এই রাস্তাটুকু গাড়ি করেও আসা সম্ভব। সেক্ষেত্রে ট্রেকিং এর আরো একটা দিন বেঁচে যাবে। অন্যথায়, সকাল সকাল উঠে পড়ুন সাল্লেরি থেকে। যেহেতু গতদিন আসতে আসতে রাত হয়েছে তাই এই সকালে দেখে নিন হিমালয়ের কোলের এই ছোট্ট শহরটাকে। সাল্লেরিতে প্রচুর বানর দেখতে পাবেন যারা আপনাকে কমবেশি বিরক্ত করতে পারে।  

সাল্লেরি । arewethereyeti.wordpress.comসাল্লেরি । arewethereyeti.wordpress.com

সাল্লেরি থেকে চলে আসুন রিংমো ভিলেজে। এখানে লাঞ্চের অর্ডার দিয়ে জিরিয়ে নিন খানিকটা, কারন রান্না করে খাবার আপনার টেবিলে পৌঁছে দিতে বেশ খানিকটা সময় নেবে আপনার হোস্ট।  

সাল্লেরি। arewethereyeti.wordpress.comসাল্লেরি। arewethereyeti.wordpress.com

রিংমো থেকে ধীরে সুস্থে নুনথালা আসুন। সবমিলিয়ে এই দিনে আপনাকে পারি দিতে হবে বেশ খানিকটা চড়াই-উতড়াই, প্রথমে ৬০০ মিটার উঠবেন ওপরে ৮০০ মিটার নামবেন। যাত্রাপথের প্রথম মাউন্টেইন পাস ‘তাকসিন্দু লা’ পার হবেন এই দিনেই, দেখতে পাবেন দারুণ সুন্দর তাকসিন্দু মনাস্ট্রি।  এই চড়াই উতরাই এর জন্যই এতটা পথ হেটেও আগের দিনের থেকে কিছুটা কম ২৩৩০ মিটার উচ্চতায় ঘুমাবেন আজ। নুনথালায় ৫০-১০০ রুপিতেই ঘর পাবেন লজ এ।

৩য় দিন- নুনথালা থেকে ভুপসাঃ  

এইদিনের ট্রেকিং শুরু হবে ডিসেন্ডিং দিয়ে, প্রায় ৭০০ মিটারের মত নেমে যাবেন নিচে, তারপর আবার উঠতে হবে প্রায় ৪০০ মিটার। এপর্যায়ে থামতে পারেন পাহাড়ি গ্রাম কারিখোলায়। এখানে ডাল ভাত ছাড়াও পাবেন অন্য কিছু খাবার ও। লাঞ্চ সেরে নিতে পারেন এখানেই।

রাস্তায় পড়বে চঞ্চলা পাহাড়ি নদী । arewethereyeti.wordpress.comরাস্তায় পড়বে চঞ্চলা পাহাড়ি নদী । arewethereyeti.wordpress.com

স্তুপা । arewethereyeti.wordpress.comস্তুপা । arewethereyeti.wordpress.com

কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে আবার শুরু করুন, উঠতে হবে আরো বেশ খানিকটা পথ, এবং পৌঁছুবেন ২৫৪০ মিটার উচ্চতার ভুপসা তে। এখানেও রাতে মাথা গোজার জায়গা পেয়ে যাবেন ৫০-১০০ রুপীতেই।

mapmap

 

৪র্থ দিন- ভুপসা থেকে ঘাটঃ

লক্ষ্য করুন, নামচে বাজার যাওয়ার জন্য আপনার পৌছুতে হবে এমন কোন কথা নেই, বরং লুকলাকে পাশে রেখে ফাকদিং এর দিকে যেই ট্রেইল গেছে সেই ট্রেইলে যেয়ে উঠবেন আপনি।

সুস্বাদু লাঞ্চ পাবেন এখানে । arewethereyeti.wordpress.comসুস্বাদু লাঞ্চ পাবেন এখানে । arewethereyeti.wordpress.com

আজকের দিনে লুকলার পাশের ট্রেইলে উঠবেন আপনি, এবং সম্ভাবনা থাকবে প্রচুর বিদেশি ট্রেকারদের সাথে রাস্তায় দেখা হওয়ার, সেই সাথে বরফ ঢাকা চূড়া গুলো একে কে দৃশ্যমান হতে শুরু করবে আজকেই।

তবে দুঃখজনকভাবে আজও প্রায় ৮০০ মিটার ক্লাইম্বিং ও প্রায় সমপরিমাণ ডিসেন্ডিং করতে হবে আপনাকে, যা পাদুটোর জন্য এমনকি আপনার কাধের জন্যও খুব ভালো খবর নয়।

পথে পড়বে এমন দৃশ্য । arewethereyeti.wordpress.comপথে পড়বে এমন দৃশ্য । arewethereyeti.wordpress.com

ঘাট এর উচ্চতা প্রায় ২৬০০ মিটার, পৌছুতে সময় লাগবে আনুমানিক ৮ ঘন্টা। এখানে লজ পাবেন ১০০-২০০ রুপীতে।

৫ম দিন- ঘাট থেকে নামচে বাজারঃ

এই দিনের ট্রেক নিঃসন্দেহে অনেকটাই কঠিন আগের দিনগুলোর তুলনায়, তবে রাস্তার দৃশ্য সেই কষ্টটুকু স্বার্থক করে তুলবে। আগের মত একা চলতে হবে না, যাত্রাপথে প্রচুর ট্রেকার, শেরপা আর পোর্টারদের দেখা পাবেন।

রাস্তা। arewethereyeti.wordpress.comরাস্তা। arewethereyeti.wordpress.com

দিনশেষে উঠবেন ৩৪৪০ মিটার উচ্চতায়, যার শেষের ক্লাইম্বিংটুকু প্রায় অমানুষিক কষ্টের মুখোমুখি করবে আপনাকে, সেই সাথে এই উচ্চতায় সবকিছুর খরচ ও বেড়ে যাবে কয়েকগুন। তবে নিজেকে অভিনন্দন জানানোর সুযোগ পাবেন- এভারেস্টের খুব কাছেই অবস্থান করছেন আপনি! তাকে ছুয়ে দেখা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র!

নামচে বাজার নামচে বাজার

যদি আপনার পরিকল্পনা হয় নামচে বাজার পর্যন্ত তাহলে একই উপায়ে আবার ফেরত যান। আর যদি ছুয়ে আসতে চান সাগরমাথা কে, পৌঁছুতে চান বেসক্যাম্প পর্যন্ত তাহলে যেতে পারেন এই প্ল্যান অনুসারে-

৬ষ্ঠ দিনঃ এক্লিমাটাইজেশন

৭ম দিনঃ নামচে বাজার-থ্যাংবোচে (উচ্চতাঃ ৩৮৬০ মিটার, যাত্রাসময়ঃ ৫-৬ ঘন্টা)

৮ম দিনঃ থ্যাংবোচে-ডিংবোচে (উচ্চতাঃ ৪৩৬০ মিটার, যাত্রাসময়ঃ ৬-৭ ঘন্টা)

৯ম দিনঃ ডিংবোচে এক্লিমাটাইজেশন

১০ম দিনঃ ডিংবোচে-লবুচে (উচ্চতাঃ ৩৯৪০ মিটার, যাত্রাসময়ঃ ৬-৭ ঘন্টা)

১১তম দিনঃ লবুচে থেকে গোরকশেপ হয়ে এভারেস্ট বেসক্যাম্প (৫৩৬৪) গমন ও গোরকশেপ এ ফেরত আসা। (উচ্চতাঃ ৫১৭০ মিটার, যাত্রাসময়ঃ ৬-৮ ঘন্টা)

ফেরত আসুন একই ভাবে।

সোর্স- 

https://arewethereyeti.wordpress.com

https://www.lonelyplanet.com

https://www.kimkim.com

http://kathmandupost.ekantipur.com

http://www.everestbasecamptrek.org

https://www.google.com/maps 

http://howadoor.umbra.cz/img/map/Khumbu_Sagarmatha_National_Park_125_000_150_dpi.jpg