লেখা ও ছবি- রেদোয়ান রেদু  

সুড়ঙ্গটিকে স্থানীয় লোকজন চেনেন ‘কানা রাজার সুড়ঙ্গ’ কিংবা ‘আঁধার মানিক’ নামে। অন্ধকার রাতে এই সুড়ঙ্গে প্রবেশমুখে মানিকের মতো আলো জ্বলত বলেই এটির নামকরণ হয়েছে ‘আঁধার মানিক’।

গুহাটির দৈর্ঘ্য সাড়ে তিন শ ফুট। এর ৭০ ফুট যাওয়া যায় হেঁটে। এরপরই হামাগুড়ি দিতে হয়। আছে এক বড় বৈঠকখানা। সেখানে আবার চারটি সুড়ঙ্গপথ। দেয়ালে আছে নানা ছবি। এমন অনেক জানা এবং না-জানা রহস্য নিয়ে পড়ে আছে কক্সবাজারের রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়াঘোনা পাহাড়ের সুড়ঙ্গটি।

গুহা গুহা

১৯৯০ সালে প্রকাশিত ‘কক্সবাজারের ইতিহাস’ গ্রন্থে এই সুড়ঙ্গের বর্ণনা আছে। বলা হয়, জনৈক মারমা সম্প্রদায়ের কানা রাজা (এক চোখ অন্ধ) যখন এ অঞ্চল শাসন করতেন, তখন নিজের আত্মরক্ষার্থে সুড়ঙ্গ নির্মাণ করেছিলেন তিনি। তবে রাজা কখন দেশ শাসন করেছিলেন, তার তথ্য কোথাও নেই।

সদ্য প্রকাশিত গুহাটি ভ্রমণ করে সাহস খানি পরিক্ষা করে ফেলতেন এই সুযোগে।কারন ভিতরে কত কিছুই তো থাকতে পারে! 

গুহার প্রবেশ মুখ, হামাগুড়ি দিয়ে ঢুকতে হবে এদিক দিয়েই। গুহার প্রবেশ মুখ, হামাগুড়ি দিয়ে ঢুকতে হবে এদিক দিয়েই।

কিছু টিপস ভ্রমণেচ্ছুকদের জন্য- 

১। যারা ভ্রমন করতে চান তাদের প্রথমে আসতে হবে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলা তে।তারপর সিএনজি তে যেতে হবে কাউরখোপ ইউনিয়নের উখিয়ার ঘোনা এর ড্রোমর ঘোনা তে।এখানেই পেয়ে যাবেন কানা রাজার সুড়ঙ্গ(আধাঁর মানিক)

২। যারা রাতে থাকতে চান তারা রামু শহরে হোটেল মিম অথবা ১৭ কি:মি দূরে কক্সবাজার শহরে অবস্হান করতে পারেন।

সরু সুরঙ্গসরু সুরঙ্গ

৩। কেউ ক্যাম্পিং করতে চাইলে গুহার মুখের সামনেই করতে পারেন।

৪। নিরাপত্তা ও খাবার সংক্রান্ত বিষয়ে নিম্নোক্ত ব্যক্তির সাহায্য নিতে পারেন।

মো: আব্দুল্লাহ
০১৮৭৫৫৬৮৫১২

যেহেতু গুহাটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর পরিদর্শন এর অপেক্ষায় আছে সেহেতু সবাই পরিবেশ পরিছন্ন রাখবেন। হতেও পারে রহস্য সমাধানকারীদের জন্য এটি এক দারুন পরীক্ষা।