একটি বহুল ব্যবহৃত সংস্কৃতি চীনের খাড়া দেয়াল আরোহণ

লিও দেঙপিং-এর   আরেক নাম চীনের “মাকড়সামানবী”! চীনের গুই জো রাজ্যের উঁচু সব দেয়াল ও খাড়া পাহাড়ে কোনরকম দড়ির সাহায্য ছাড়া উঠে উঠে এই খেতাব তিনি পেয়েছেন।

এই চর্চা ‘মিয়াও’ আদিবাসীর দলের মানুষেরা শত শত বছর ধরে করে আসছে মূলত সেখানের পাখিদের ( আবাবিল ) মল সংগ্রহের জন্য ! পাখির মল বা বর্জ্য সার এবং ভেষজ ঔষধ হিসেবে বিক্রি হতো একসময়ে, কিন্তু পাশ্চাত্যের ঔষধ জনপ্রিয় হয়ে পড়ার পরে তারা আর এগুলোকে বিক্রি করে অর্থ আয় করতে পারে না।

ছবিঃ yourdailydish.comছবিঃ yourdailydish.com

তার বদলে স্থানীয় পর্যটন সংস্থা তাদের খাড়া দেয়াল  বাইবার ও পাহাড়ে  আরোহণের  এই দুঃসাহসী নৈপুণ্য দেখিয়ে পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে। এতে তারা আরো বেশি অর্থ উপার্জন করছেন এবং এর ফলে তাদের আর গ্রাম থেকে দূরের শহরে কাজের সন্ধানে যেতে হচ্ছে না।

ছবিঃ yourdailydish.comছবিঃ yourdailydish.com

 

ভিডিওর বাংলা – টাইটেল

তারা বলেছিল এই কাজ শুধুই ছেলেদের, কিন্তু আমি মনে করি ছেলে এবং মেয়ে সমান সমান,

তাই আমি এখানে এই কাজ  শিখে ফেলি এবং আস্তে আস্তে এই চাকরি শুরু করি

যার আরেক নাম মাকড়সামানবী।

চীনের স্পাইডারম্যানেরা মাসে ১৪০ ডলার বেতন পেয়ে থাকেন ।

তারা দিনে দুইবার ১০০ মিটার খাড়া পাহাড়ে চড়েন এবং প্রতি মাসে ৪ দিন ছুটি পান।

আমি যখন পর্বতে উঠি তখন আমার খুব খুশি লাগে কারণ আমি নিজেকে চ্যালেঞ্জ করতে থাকি

এবং এর মাধ্যমে আমি এখন ট্যুরিস্ট এর কাছ থেকে যে সম্মান এবং উৎসাহ পাই তাও খুবই উপভোগ করি।

আমার উপার্জন খুব বেশি নয়, কিন্তু মাকড়সা মানবী হয়ে কাজ করতে আমার ভালো লাগে! জীবন আগের চেয়ে এখন অনেক সহজ!

 

তথ্যসূত্র -- বিবিসি